শুক্রবার, জুলাই ১৯

লখনউতে হেনস্থা বাংলার সন্ন্যাসীকে, নিগৃহীত কলেজের অধ্যক্ষ-সহ নয় পর্যটক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সন্ন্যাসী মুখ্যমন্ত্রীর রাজ্যে সন্ন্যাসীকে নিগ্রহ। কেন্দ্রের কাছে নালিশ জানালেন বাংলার সন্ন্যাসী। ভারত সেবাশ্রম সংঘের স্বামী জ্যোতির্ময়ানন্দের অভিযোগ তাঁকে ও তাঁর সঙ্গী তীর্থযাত্রীদের হেনস্থা করা হয়েছে বিজেপি শাসিত যোগী আদিত্যানাথের রাজ্যে। লখনউতে অমরনাথ তীর্থযাত্রী স্বামীজি ও অন্যদের নিগ্রহের ঘটনায় তীব্র আলোড়ন ছড়িয়েছে সোস্যাল মিডিয়ায়।

অভিযোগ, আরপিএফ জওয়ানদের হাতে শারীরিক নিগ্রহের শিকার হতে হয়েছে অমরনাথ তীর্থযাত্রী এরাজ্যের উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জের ভারত সেবাশ্রম সংঘের প্রধান স্বামী জ্যোতির্ময়ানন্দ, বুনিয়াদপুর কলেজের অধ্যক্ষ-সহ ন’জনকে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বিষয়টি সোস্যাল মিডিয়ায় দিয়েছেন স্বামীজি। এর পাশাপাশি টুইট করে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং রেলমন্ত্রী পিযুষ গোয়েলের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন স্বামীজি।

ইতিমধ্যেই লখনউ স্টেশনের আরপিএফ জওয়ানদের বিরুদ্ধে বেনারস থানায় এবং শিয়ালদহ থানায় লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন নিগৃহীত স্বামী জ্যোতির্ময়ানন্দ ও অন্যান্য তীর্থযাত্রীরা।

স্বামী জ্যোতির্ময়ানন্দ এবং বুনিয়াদপুর কলেজের প্রিন্সিপাল ও বেশ কয়েকজন শিক্ষক তাঁদের পরিবার নিয়ে গিয়েছিলেন অমরনাথ দর্শনে। গত ১০ জুলাই জম্মু থেকে হামসফর এক্সপ্রেসে চেপে তারা শিয়ালদহ আসার জন্য রওনা হন। জম্মু থেকেই তাদের বগিতে সহযাত্রী হিসেবে দুই মহিলা-সহ চারজন উঠেছিলেন। কিন্তু তাদের মধ্যে মাত্র দু’জনের সংরক্ষিত টিকিট ছিল৷ তবু তাঁরা জোর করে স্বামীজিদের আসন দখল করে রাখেন বলে অভিযোগ। এনিয়ে কথা সামান্য বাক বিতণ্ডা হয়। সেই সময়ে ওই দুই মহিলার একজন নিজেকে আইআরএস অফিসারের স্ত্রী ও একজন নিজেকে আরপিএফ অফিসার বলে জানান। গভীর রাতে ট্রেন লখনউ স্টেশনে দাঁড়ালে ওই সহযাত্রীরা এবং জনা দশেক আরপিএফ জওয়ান ট্রেনে উঠে স্বামীজি-সহ অন্যান্যদের টেনে হিঁচড়ে ট্রেন থেকে প্ল্যাটফর্মে নামিয় দেয়। তাদের উপরে শারীরিক নিগ্রহ চলে বলেও অভিযোগ।

Comments are closed.