চিকিৎসার জন্য আমেরিকায় যেতে পারবেন রবার্ট, কিন্তু লন্ডনে যাওয়া বারণ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বিপুল অঙ্কের অর্থ তছরুপে অভিযুক্ত রবার্ট বঢরাকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দিল দিল্লির আদালত। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর স্বামী রবার্ট চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে চেয়েছিলেন। বিচারক তাঁকে ছয় সপ্তাহের জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। তিনি আমেরিকায় ও নেদারল্যান্ডসে যেতে পারবেন। কিন্তু লন্ডনে যেতে পারবেন না। ভারত থেকে অর্থ তছরুপ করে রবার্ট লন্ডনেই ১৯ লক্ষ পাউন্ডের সম্পত্তি কিনেছেন বলে অভিযোগ। এনফোর্সমেন্ট ডায়রেক্টরেট আদালতে আবেদন জানিয়েছিল, রবার্টকে যেন সেখানে যেতে না দেওয়া হয়।

রবার্ট বিদেশে কোন কোন জায়গায় যাবেন, তার তালিকা জমা দিতে বলেছে কোর্ট। পরবর্তী শুনানির আগেই তাঁকে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। রবার্টের আইনজীবী কে টি এস তুলসী বলেন, ইডি যদি আপত্তি করে, তাঁর মক্কেল লণ্ডনে যাবেন না। প্রাক্তন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর জামাই রবার্ট পালটা অভিযোগ করেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে। কয়েকদিন আগে তাঁর ইডির অফিসে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অসুস্থতার দোহাই দিয়ে তিনি যাননি।

গত বৃহস্পতিবার তাঁকে পাঁচ ঘণ্টা ধরে জেরা করা হয়। তাঁর বয়ানও রেকর্ড করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় রবার্ট জানিয়েছেন, সব মিলিয়ে তাঁকে ১১ বার জেরার জন্য ডাকা হয়েছে। মোট ৭০ ঘণ্টা তিনি জেরার মুখে পড়েছেন।

এপ্রিলের শুরুতে রবার্ট ও তাঁর সহযোগী মনোজ অরোরাকে আগাম জামিন দেয় সিবিআই আদালত। গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি আগাম জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন। আদালত তাঁর আর্জি মঞ্জুর করার সময় শর্ত দেয়, তাঁকে প্রতিটি ক্ষেত্রে তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে। তিনি সাক্ষীদের ভয় দেখাতে পারবেন না। প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করবেন না।

বিশেষ সিবিআই বিচারক অরবিন্দ কুমার ৫ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত জামিন ও সমপরিমাণ অর্থের জামানতের বিনিময়ে রবার্টকে আগাম জামিন দেন। তাঁকে বিনা অনুমতিতে দেশ ছাড়তে বারণ করা হয়।

ইডি থেকে আদালতে বলা হয়েছিল, একাধিক ই-মেল ও অন্যান্য নথিপত্র থেকে যা প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, তাতে রবার্টকে বন্দি করে জেরা করা যেতে পারে। তিনি মুক্ত থাকলে প্রমাণ নষ্ট করতে পারেন। আত্মগোপনও করতে পারেন। তদন্তকারীরা অভিযোগ করেছিলেন, রবার্ট তাঁদের সঙ্গে সহযোগিতা করছেন না।

রবার্টের কৌঁসুলি অভিষেক মনু সিংভি ও কে টি এস তুলসী পালটা যুক্তি দেখান, তাঁদের মক্কেলকে ইতিমধ্যে দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সব নথি ও ই-মেল ইডির হেপাজতেই রয়েছে। ফলে প্রমাণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা নেই।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More