রিলায়েন্স, মাইক্রোসফট পার্টনারশিপ বিরাট পরিবর্তন আনবে, বিশ্বের সেরা ৩ অর্থনীতির মধ্যে স্থান পাবে ভারত : মুকেশ অম্বানী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : আগে আরও কয়েকজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এসেছেন ভারতে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন জিমি কার্টার, বিল ক্লিনটন ও বারাক ওবামা। কিন্তু তাঁরা যে ভারতকে দেখেছেন, তার সঙ্গে আজকের ভারতের তফাৎ আছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ভারতে এসেছেন, তাতে মোবাইল কানেকটিভিট আগের চেয়ে অনেক বেশি। ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ এখন গণ আন্দোলনের রূপ নিয়েছে। এর ফলেই বদলে গিয়েছে দেশ। সোমবার মাইক্রোসফটের চিফ এক্সিকিউটিভ সত্য নাদেলাকে এমনটাই বললেন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ অম্বানী।

    এদিন মুম্বইতে ‘ফিউচার ডিকোডেড সিইও সামিট’ উপলক্ষে দু’জনে কথা বলেন। মুকেশ অম্বানীর আশা, রিলায়েন্স ও মাইক্রোসফটের পার্টনারশিপ আগামী দিনে বিরাট পরিবর্তন আনতে চলেছে। বিশ্বের প্রধান তিনটি অর্থনীতির অন্যতম হয়ে উঠতে চলেছে ভারত।

    আগামী ১০ বছরে ভারত কীভাবে বদলে যাবে, সেবিষয়ে বলার জন্য সত্য নাদেলা অনুরোধ করেন মুকেশকে। রিলায়েন্স কর্তা বলেন, এই পরিবর্তন শুরু হয়েছিল ২০১৪ সাল থেকে। তখন প্রধানমন্ত্রী আমাদের ডিজিটাল ইন্ডিয়া সম্পর্কে তাঁর ভাবনার কথা জানান। তখন থেকে ৩৮ কোটি মানুষ জিও-র ফোর জি প্রযুক্তিকে বেছে নিয়েছেন।

    মুকেশ নির্দিষ্ট করে বলেন, জিও আসার আগে ডেটার স্পিড ছিল ২৫৬ কেবিপিএস। পরে হয়েছে ২১ এমবিপিএস। তাঁর মতে, ভারতের সামনে ডিজিটাইজড সোসাইটিতে পরিণত হওয়ার সুযোগ এসেছে। মুকেশ নিজে এবং সত্য নাদেলা যে সমাজে বেড়ে উঠেছেন, আগামী প্রজন্ম সম্পূর্ণ নতুন পরিস্থিতিতে বড় হবে।

    অন্য প্রসঙ্গে মুকেশ অম্বানী বলেন, ভারতে প্রত্যেক ছোট ব্যবসায়ী ও উদ্যোগপতির মধ্যে ধীরুভাই অম্বানী কিংবা বিল গেটস হয়ে ওঠার ক্ষমতা আছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায় দেশের ৭০ শতাংশ কর্মসংস্থান হয়। দেশের ৪০ শতাংশ রফতানিযোগ্য পণ্য উৎপাদন করে তারা।

    ধীরুভাই অম্বানীর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মুকেশ বলেন, “রিলায়েন্সও স্টার্ট আপ হিসাবে শুরু হয়েছিল। ৫০ বছর আগে আমার বাবা এক হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন। তাঁর অফিসে ছিল কেবল একটি টেবিল ও একটি চেয়ার। তখন তা ছিল মাইক্রো ইন্ডাস্ট্রি। পরে তা হল স্মল ইন্ডাস্ট্রি। এখন তা কত বড় হয়েছে সকলেই জানে।” মাইক্রোসফটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি স্ট্যানফোর্ডে পড়ার সময় থেকে বিল গেটসকে চিনতাম। মাইক্রোসফট কীভাবে বিকশিত হয়েছে, তাও আমি দেখেছি।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More