মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৫

কুমারী পুজোয় মেলে অসংখ্য ফল, জানুন কোন বয়সের মেয়ের আরাধনায় কেমন পুণ্য

নবকুমার ভট্টাচার্য

কুমারী পুজোয় ফলের কথা বলে শেষ করা যায় না। ‘যোগিনী তন্ত্র’ গ্রন্থে শিব পার্বতীকে বলেছেন, ‘‘এই পুজোর ফলে ত্রিলোক জয় করা যায়।’’

শাস্ত্রে দশ বছর বয়স্কা পর্যন্ত কুমারীকে পুজো করা উচিত বলে বলা হয়েছে। তন্ত্রশাস্ত্রে অবশ্য এক থেকে ষোল বছর বয়স পর্যন্ত কুমারীকে পুজোর কথা বলা হয়েছে। ‘দেবী ভাগবত’-এ আবার বলা হয়েছে, এক বছর বয়সের কুমারী পুজোর যোগ্য নয়।

বয়স অনুসারে কুমারীর নামকরণ এবং সেই কুমারীকে পুজো করলে কী ফল মেলে, তা বলা হয়েছে সনাতন শাস্ত্রে।

• দু’বছর বয়সের কন্যার নাম ‘সরস্বতী’। এই কুমারী পুজো করলে দুঃখ, দারিদ্র ও শত্রুনাশ হয়। ধন ও আয়ু বৃদ্ধি ঘটে।

• তিন বছর বয়সের কন্যার নাম ‘ত্রিধামূর্তি’। এই কুমারীর পুজো করলে আয়ুবৃদ্ধি, ধনধান্যাগম ও বংশবৃদ্ধি হয়।

• চার বছর বয়সের কন্যার নাম ‘কালিকা’। এই কুমারীকে পুজো করলে বিদ্যার্থী, বিজয়ার্থী ও রাজ্যার্থী হওয়া যায়।

• পাঁচ বছর বয়সের কন্যার নাম ‘সুভগা’। এই কুমারীর পুজো করলে রোগ নাশ হয়।

• ছয় বছর বয়সের কন্যার নাম ‘উমা’। এই কুমারীর পুজো করলে শত্রুনাশ হয়।

• সাত বছর বয়সের কন্যার নাম ‘মালিনী’। এই কুমারীর পুজো করলে ধনৈশ্বর্য লাভ হয়।

• আট বছর বয়সের কন্যার নাম ‘কুব্জিকা’। এই কুমারীর পুজো করলে শত্রুদের মোহিত করা যায়।

• নয় বছর বয়সের কন্যার নাম ‘কালসন্দর্ভা’। এই কুমারী পুজো করলে ঐহিক দারিদ্র ও শত্রু বিনষ্ট হয়।

• দশ বছর বয়সের কন্যার নাম ‘অপরাজিতা’। এই কুমারীর পুজো করলে সকল অভীষ্ট সিদ্ধ হয়।

Comments are closed.