কাউন্সিলরের নাম বললে চাকরি চলে যাবে, মুখ্যমন্ত্রীর ফোন পেয়েও আতঙ্ক কাটেনি অধ্যাপকের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকদের হাতে বেধড়ক মার খেতে হয়েছে তাঁকে। ২৪ ঘণ্টা পরে বৃহস্পতিবারেও আতঙ্ক কাটেনি নবগ্রাম হীরালাল পাল কলেজের অধ্যাপক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের। এদিনই হুগলি জেলার ওই কলেজ অধ্যাপককে টেলিফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরে কলেজে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে আসেন স্থানীয় বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল ও তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব।

এত কিছুর পরেও যে আতঙ্ক কাটেনি অধ্যাপকের তা স্পষ্ট তাঁর কথায়। এদিন সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, “এখানে একজন কাউন্সিলর রয়েছেন যাঁর উস্কানিতেই হয়েছে আক্রমণ। ওই কাউন্সিলর বিভিন্ন সমাজবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত। তিনি মাঝে মাঝেই কলেজে আসেন।”

ওই কাউন্সিলারের নাম অবশ্য প্রকাশ করেননি অধ্যাপক। তিনি বলেন, “নাম বলতে পারব না। ওনার নাম বলে দিলে চাকরি চলে যাবে। আমি নিরাপত্তার অভাব বোধ করব।” পরে অবশ্য অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে সনাক্ত করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। কলেজটি নবগ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় হলেও কোন্নগর ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তন্ময় দেবের লোকজনই বুধবার আক্রমণ চালায় ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

এই প্রসঙ্গে স্থানীয় বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। দল তদন্ত করে দেখবে। তাতে দোষি প্রমাণিত হলে দল নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেবে।” উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। যে দু’জনকে বুধবার অধ্যাপককে পেটাতে দেখা গিয়েছিল, সেই সন্দীপ পাল এবং বিজয় সরকারকে গ্রেফতার করেছে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন

মমতার ফোন আক্রান্ত অধ্যাপককে, কোন্নগর কলেজের অধ্যক্ষের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম দিলীপের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More