মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৮
TheWall
TheWall

গণধর্ষণের মামলা করেন তরুণী, হুমকির মুখেও হারাননি সাহস! শেষে অ্যাসিডে পোড়ালো ধর্ষকরা

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উন্নাওয়ের গণধর্ষিতা তরুণীকে পুড়িয়ে দিয়েছিল অভিযুক্তরা। ৯০ শতাংশ দাহ নিয়ে তার লড়াই থেমেছে শুক্রবার রাতে। এই মর্মান্তিক ঘটনার দুটো দিনও পেরোল না, গণধর্ষিতা আর এক তরুণীকে অ্যাসিড ছুড়ে খুন করার চেষ্টা করল অভিযুক্তরা। ঘটনাস্থল সেই উত্তরপ্রদেশ। একের পর এক ভয়াবহ ঘটনার জেরে শিউরে উঠছে গোটা দেশ।

মুজফ্ফরনগরের এই ঘটনায় পুলিশ জানিয়েছে, মাস পাঁচেক আগে শাহপুর থানা এলাকায় ৩০ বছরের এক তরুণীকে গণধর্ষণ করে চার যুবক। আরিফ, শাহানওয়াজ, শরিফ এবং আবিদ নামের চার যুবকের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের মামলা রুজু করেছিলেন বছর তিরিশের ওই নির্যাতিতা। কিন্তু তার পর থেকেই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাঁকে চাপ দেওয়া শুরু হয়। মামলা প্রত্যাহার না করায় শুরু হয় হুমকি। কিন্তু সব কিছুর পরেও মামলা প্রত্যাহার করেননি নির্যাতিতা। ঠিক করেছিলেন, এই অপরাধের শেষ দেখেই ছাড়বেন।

আরও পড়ুন: ধর্ষণ হোক, তার পরে দেখা যাবে! তিন মাস ধরে পুলিশের কাছে এমনটাই শুনছেন উন্নাওয়ের অন্য এক নিগৃহীতা

অভিযোগ, শনিবার রাতে ওই তরুণীর বাড়িতে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় তাঁকে লক্ষ্য করে অ্যাসিড ছুড়ে দেয় ধর্ষকরা। মেরঠের একটি হাসাপাতলে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তরুণীর শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়ে গিয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন তিনি।

তবে অভিযুক্তদের কাউকে এখনও ধরা যায়নি বলেই জানিয়েছে পুলিশ।

যোগীর রাজ্যে একর পর এক সামনে আসা এই ঘটনায় এবার বড়সড় প্রশ্ন উঠেছ নারীসুরক্ষা নিয়ে। ইতিমধ্যেই একটি পুলিশি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে পরিসংখ্যান বলছে ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত শুধু উন্নাওতেই ৮৬টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। যৌন হেনস্থার অভিযোগ দায়ের হয়েছে ১৮৫টি। বলাই বাহুল্য, অভিযোগ জমা না হওয়া ও সামনে না আসা ঘটনার সংখ্যা আরও অনেকটাই বেশি।

আরও পড়ুন: জ্বলন্ত অবস্থায় এক কিলোমিটার ছোটেন উন্নাওয়ের ধর্ষিতা তরুণী! পুলিশে ফোন করেন নিজেই

স্থানীয়দের মতে, এই কারণেই অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে উন্নাও। মুজফ্ফরনগরে গণধর্ষণের পরে এই অ্যাসিড হামলা যেন তার নয়াতম সংযোজন।

Share.

Comments are closed.