লাদাখে উত্তেজনার মধ্যেই সীমান্তের পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বৈঠক রাজনাথের

প্রতিরক্ষামন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিআরও-র ডিজি ও অন্যান্য পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে সাউথ ব্লকের অফিসে বৈঠক করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। রাজনাথ সিং এদিন চলতি প্রকল্পগুলির সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়ার পাশাপাশি কাজের অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা করেছন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পূর্ব লাদাখ সীমান্তে চিনের সঙ্গে চলতি উত্তেজনার মধ্যেই বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন (বিআরও)-র আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সীমান্ত এলাকায় পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়েই এদিন বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে খবর। মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, চিনের সঙ্গে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা ও পাকিস্তানের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিআরও-র ডিজি ও অন্যান্য পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে সাউথ ব্লকের অফিসে বৈঠক করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। রাজনাথ সিং এদিন চলতি প্রকল্পগুলির সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়ার পাশাপাশি কাজের অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা করেছন।

সেনা বাহিনীর যাতায়াতে যাতে কোনও রকম প্রভাব না পড়ে তা নিশ্চিত করেই কাজ করতে হবে বলে বৈঠকে রাজনাথ সিং জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি সীমান্ত পরিকাঠামোর কাজ দ্রুত গতিতে করার ব্যাপারে জোর দিয়েছেন। তাঁর নির্দেশ সেনা বাহিনীর সমস্যা না করে কীভাবে দ্রুত গতিতে কাজ করা যায় সেটা দেখতে হবে।

আরও পড়ুন

আরও পিছনে চিনা বাহিনী, গালওয়ানের পর হট স্প্রিং থেকেও সরল লাল ফৌজ

বৈঠকে হাজির ছিলেন বিআরও-র ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরপাল সিং। তিনি মন্ত্রীকে জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই বিআরও প্রত্যন্ত এলাকায় রাস্তা, সেতু, টানেল, এয়ারফিল্ড ইত্যাদি নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রথমসারির নির্মাণ সংস্থা হয়ে উঠেছে। ভুটান, মায়ানমার, আফগানিস্তানের মতো যে দেশের সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে সেখানেও দেশের সামগ্রিক কৌশলগত লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্মাণের কাজ হাতে নিয়েছে বিআরও।

ওই বৈঠকে হরপল সিং প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে আরও জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরে বিআরও-র কাজে বড়সড় গতি এসেছে। ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে ২০১৮-১৯ আর্থিক বছরের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি কাজ করেছে বিআরও।
২০১৯-২০ আর্থিক বছরে সংস্থার সামগ্রিক ব্যয়ের পরিমাণ ৭,৮৬৭ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ আর্থিক বছরে এই পরিমাণ ছিল ৫,৪৫৮ কোটি টাকা আর ২০১৮-১৯ আর্থিক বছরে ছিল ৬,৮৫৯ কোটি টাকা।

উল্লেখ্য, জুন মাসেই কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু ও কাশ্মীর এবং উত্তরাখণ্ডে হাইওয়ে প্রকল্পের জন্য অতিরিক্ত ১,৬৯১ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় ৮.৮ কিমি অটল রোহটাং টানেল প্রকল্পের কাজ চলছে। জানা গিয়েছে এই কাজ প্রায় শেষের দিকে। আগামী সেপ্টেম্বরেই এই টানেল খোলা হতে পারে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More