কেরল, পাঞ্জাবের পরে রাজস্থান বিধানসভাতেও নাগরিকত্ব আইন বিরোধী প্রস্তাব পাশ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : নাগরিকত্ব আইন নিয়ে দেশ জোড়া বিক্ষোভ চলছে দেড় মাসেরও বেশি। ইতিমধ্যে কেরল ও পাঞ্জাব ওই আইনের বিরুদ্ধে বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ করিয়েছে। শনিবার একই পথে হাঁটল কংগ্রেস শাসিত রাজস্থান। এদিন সেখানকার বিধানসভাতেও নাগরিকত্ব আইন বিরোধী প্রস্তাব পাশ হল। তখন বিজেপি বিধায়করা সভার ওয়েলে নেমে আসেন। নাগরিকত্ব আইনের পক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন। হট্টগোলের মধ্যে প্রস্তাব পাশ হয়ে যায়।

    চলতি সপ্তাহের শুরুতে সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকত্ব আইনে স্থগিতাদেশ দিতে অস্বীকার করে। বিচারপতিরা বলেন, স্থগিতাদেশ দেওয়া উচিত কিনা, তা স্থির হবে সরকারপক্ষের কথা শোনার পরে। নিজের বক্তব্য পেশ করার জন্য সরকারকে চার মাস সময় দেওয়া হয়েছে।

    যতই আন্দোলন হোক এই আইন বলবৎ থাকবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কয়েকদিন আগে লখনউয়ের জনসভায় অমিত শাহ বলেন, “যে যতই আন্দোলন করুক, আমরা ভয় পাচ্ছি না। আর এই আইন প্রত্যাহারেরও কোনও প্রশ্ন নেই। এই আইন থাকবে। পিছিয়ে আসার কোনও জায়গা নেই।”

    এতদিন বিরোধী নেতারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতেন বিতর্কে বসার। এবার পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন শাহ। লখনউয়ের জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিররোধীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ক্ষমতা থাকলে জনসমক্ষে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিতর্কে বসুন।”

    শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবের নাম করেও চ্যালেঞ্জ ছোড়েন সদ্য প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি। এদিন জনসভায় শাহ বলেন, “বিরোধীরা বাস্তবটা দেখতে পাচ্ছে না। কারণ ওদের চোখে ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির চশমা লাগানো আছে।”

    এদিন উত্তরপ্রদেশের বিজেপির তরফে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন পাশ করার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতে এই সমাবেশ ডেকেছিল। সেই মঞ্চে শাহ বলেন, “প্রতিদিন কংগ্রেস, তৃণমূল, এসপি, বিএসপি মিথ্যে কথা বলছে। মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। আমি আপনাদের নিশ্চিন্ত করছি, এই আইনে কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে না। এই আইন সে জন্য তৈরি হয়নি। এটা উদ্বাস্তু মানুষকে সম্মান দেওয়ার আইন।”

    এদিন বিরোধীদের উদ্দেশে তীব্র আক্রমণ শানান শাহ। তিনি বলেন, “দেশভাগের সময়ে হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈনরা ছিল পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ২৩ শতাংশ এবং বাংলাদেশে ৩০ শতাংশ। আজ সেটা এসে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তানে ৩ শতাংশ আর বাংলাদেশে ৭ শতাংশ। যারা আজকে এই আইনের বিরোধিতা করছে তারা তখন কোথায় ছিল?”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More