বুধবার, জুন ২৬

ছিঁড়ে বেরিয়ে এল শিশুর দেহ, মাথা রইল গর্ভেই! প্রসবে মর্মান্তিক গাফিলতি ডাক্তারহীন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গাফিলতিতে নজির তৈরি করল রাজস্থানের একটি হেল্থ সেন্টার। জন্মানোর আগেই টুকরো হলো শিশুর দেহ! রাজস্থানের রামগড়ের হেল্থ সেন্টারে ঘটল এই মর্মান্তিক ঘটনা। জানা যাচ্ছে, গত ৬ জানুয়ারি নিজের গর্ভবতী স্ত্রীকে হেল্থ সেন্টারে ভর্তি করেছিলেন ত্রিলোক সিং। সে দিনই নর্মাল ডেলিভারি হতো তাঁর স্ত্রীর। কিন্তু হেল্থ সেন্টারে কোনও ডাক্তার না থাকায় অপারেশন থিয়েটারে  ঢুকে পড়ে দুই কম্পাউন্ডার। মায়ের গর্ভ থেকে প্রায়  বেরিয়ে আসা শিশুকে বের করার চেষ্টা করে তারা। টানাটানির জেরে শিশুর মাথা ধড় থেকে আলাদা হয়ে যায় বলে খবর।

এর পরে সদ্যোজাতের খোঁজ শুরু করেন ত্রিলোক। খুঁজে পান না কম্পাউন্ডার বা কোনও নার্সকেও। দেখা যায়, শিশুর মাথা মায়ের গর্ভেই রয়েছে। ওই অবস্থাতেই মা-কে যোধপুরের সরকারি হসাপতালে নিয়ে আসা হয়। ডাক্তাররা জানান, শিশুকে বার করার সময়ে তার দেহ দু’টুকরো হয়ে যায়। কিন্ত, দেহের দ্বিতীয় টুকরোর খোঁজ না মেলায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে শুরু করে। জানা যাচ্ছে, শিশুর মাথা ধড় থেকে আলাদা হওয়ার পর সেই অংশটি অভিযুক্ত দুই কম্পাউন্ডার  লুকিয়ে রাখে।

ফের যান্ত্রিক ত্রুটির মুখে নিও বিমান, তিন দিনের মাথায় একই ভাবে মাঝ আকাশে বিকল, উঠছে প্রশ্ন

ত্রিলোক সিংয়ের দাবি, অপারেশন রুমে ঢোকার কিছু ক্ষণের মধ্যেই খবর আসে, শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক। জীবিত অবস্থায় জন্মাবে কি না সন্দেহ রয়েছে। যদিও ত্রিলোক সিংয়ের স্ত্রী জানান, বাচ্চা সুস্থই ছিল। শিশুর দেহ টুকরো হওয়ার পরে দোষ ঢাকতেই মিথ্যে গল্প ফাঁদে তারা। দু’জনের বিরুদ্ধে যোধপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

রামগড়ের কমিউনিটি হেল্থ সেন্টারে গর্ভবতী স্ত্রীকে ভর্তি করেছিলেন ত্রিলোক সিং। তাঁর দাবি, ৬ জানুয়ারি হেল্থ সেন্টারে কোনও ডাক্তার ছিল না বলেই এত বড় গাফিলতি। তাই কম্পাউন্ডারের পাশাপাশি হেল্থ সেন্টারের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। ঘটনার পর থেকেই পলাতক দুই অভিযুক্ত কম্পাউন্ডার।

Comments are closed.