ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে, তবে যে রুটে যাত্রী ভাল হচ্ছে, জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী

এখনই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার কথা ভাবছে না রেল। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাস্তবের দিকে তাকিয়ে চলছে রেল। বেশির ভাগ মানুষই বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রেন সফর করতে চাইছেন না।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা মহামারীর মধ্যেই কিছু স্পেশাল ট্রেন চালাচ্ছে রেল। কিন্তু বেশির ভাগ রুটেই সেভাবে যাত্রী হচ্ছে না। এর জন্য নতুন কোনও ট্রেন বাড়ানো হবে না বলে আগে সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল ভারতীয় রেল। এবার রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল জানালেন, যে সব রুটে যাত্রী সংখ্যা ভাল হচ্ছে সেখানে আরও কিছু ট্রেন বাড়ানো হবে। মঙ্গলবার মন্ত্রী জানিয়েছেন, যে সব রুটে ট্রেনে যাত্রী সংখ্যা বেশি হচ্ছে সেই সব রুটেই নতুন ট্রেন বাড়ানোর ভাবনা রয়েছে রেলের।

রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, লকডাউনের সময়ে রেল পণ্যবাহী ট্রেন বেশি করে চালাচ্ছে। শুধু তাই নয়, এখন পণ্যবাহী ট্রেনের গতিও অনেকটা বাড়ানো হয়েছে। তবে যাত্রীবাহী ট্রেনে যাত্রী সংখ্যা একেবারেই কম। ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশের মতো যাত্রী হচ্ছে। মাত্র ৪০ শতাংশ ট্রেনে সব আসনে যাত্রী হচ্ছে। এই ৪০টি রুটে আরও ট্রেন চালু করার পরিকল্পনা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কোভিড যোদ্ধাদের কেউ মারা গেলে চাকরি পাবেন পরিবারের একজন

তবে এখনই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার কথা ভাবছে না রেল। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাস্তবের দিকে তাকিয়ে চলছে রেল। বেশির ভাগ মানুষই বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রেন সফর করতে চাইছেন না। ফলে এমন অনেক ট্রেন চলছে যাতে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ যাত্রী হচ্ছে। রেলমন্ত্রীর কথায়, “আমরা ১২৫ জোড়া স্পেশাল ট্রেন দেশজুড়ে চালাতে শুরু করেছি। কিন্তু তাতে যাত্রী হচ্ছে গড়ে ৭০ শতাংশ। খুব কম মানুষই বর্তমান মহামারীর সময়ে ট্রেনে সফর করতে চাইছেন।”

একই সঙ্গে মন্ত্রী জানিয়েছেন, এখন পণ্যবাহী ট্রেনের গতি বাড়ানোর দিকে নজর দিয়েছে রেল। এখন পণ্যবাহী ট্রেন ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৪৫ কিলোমিটার বেগে চলছে। পীযূষ গয়াল বলেন, “আমরা পণ্যবাহী ট্রেনের গতি বাড়াচ্ছি। দেশে সাধারণ ভাবে পণ্যবাহী ট্রেনের গড় গতি ছিল ঘণ্টায় ২৩ কিলোমিটার। এখন সেটা বাড়িয়ে ৪৪ থেকে ৪৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা করা হয়েছে। রেলের টার্গেট কোভিড পরবর্তি সময়েও টাইম টেবল মেনে অন্য সব যাত্রীবাহী ট্রেন যখন চলবে তখনও পণ্যবাহী ট্রেন যাতে এমন বেশি গতিতে‌ই চলতে পারে।” রেলমন্ত্রীর দাবি, পণ্যবাহী ট্রেনের গতি বাড়লে পণ্য পরিবহণের খরচও অনেক কমে যাবে।

উল্লেখ্য লকডাউনের মধ্যে চলতি মাসেই পণ্যবাহী ট্রেন চালানোর বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে ভারতীয় রেল। প্রথমে গত ৩০ জুন রেল চালায় ‘সুপার অ্যানাকোন্ডা’ নামে একটি পণ্যবাহী ট্রেন। ভারতীয় রেলওয়ে ট্র্যাকে এর আগে কখনও এত দীর্ঘ ট্রেন চালানো হয়নি৷ লকডাউনে প্যাসেঞ্জার ট্রেন না চলায় ফাঁকা রেলওয়ে ট্র্যাকের সুযোগে পণ্য পরিবহণে সময় বাঁচাতে একসঙ্গে তিনটি মালগাড়ি জুড়ে চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় রেলওয়ে৷ক’দিন যেতে না যেতেই নতুন রেকর্ড। ‘সুপার অ্যানাকোন্ডা’ র পর নতুন চমক ছিল ২.৮ কিলোমিটার লম্বা মালবাহী রেল ‘শেষ নাগ’। এই ট্রেন সারা পৃথিবীর নিরিখে রেকর্ড গড়ল। রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল রেলের এই সাফল্যে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। জানা গেছে, চারটি বৈদ্যুতিক লোকমোটিভ ইঞ্জিনের মাধ্যমে চারটি বিওএক্সএন রেক একস‌ঙ্গে জুড়ে বানানো হয় এই ট্রেন। ট্রেনটিতে ২৫১ টি ওয়াগান।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More