মাকে ত্যাগ করেছে বড় ছেলে, রাজধানীর টিকিট কেটে বৃদ্ধাকে ছোট ছেলের ঘরে ফেরাল রেল

মুম্বই এসেছিলেন জেনারেল কম্পার্টমেন্টে। ফেরার জন্য রেলকর্তারা কেটে দিলেন রাজধানী এক্সপ্রেসের এসি টু টিয়ারের টিকিট।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লিতে ছোট ছেলের কাছেই থাকেন লীলাবতীদেবী। মাস চারেক আগে বড় ছেলে অসুস্থ হওয়ায় সেবা করতে এসেছিলেন মুম্বইয়ে। এখন অভিযোগ সেই ছেলেই নাকি সুস্থ হওয়ার পরে মাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। পথে পথে ঘুরে বেড়ানো সেই মাকে দিল্লিতে ছোট ছেলের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করলেন রেলকর্তারা। মুম্বই এসেছিলেন জেনারেল কম্পার্টমেন্টে। ফেরার জন্য রেলকর্তারা কেটে দিলেন রাজধানী এক্সপ্রেসের এসি টু টিয়ারের টিকিট।

    আরও পড়ুন

    কেরলে মুরগির ডিমে সবুজ কুসুম, অবাক কাণ্ডের রহস্য ফাঁস করলের বিজ্ঞানীরা

    বৃদ্ধার পুরো নাম লীলাবতী কেশব নাথ। লকডাউনের মধ্যেই বান্দ্রা টার্মিনাসের বাইরে তাঁকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। রেলকর্তারা তাঁর সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন এক করুণ কাহিনি। পরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলেন লীলাবতীদেবী। তিনি জানান, “আমার বড় ছেলে অসুস্থ হয়ে খবর দিয়েছিল। তার সেবা করার জন্যই মুম্বইতে এসেছিলাম। তারপরে লকডাউনে আটকে যাই। কিন্তু ছেলে সুস্থ হওয়ার পর থেকেই আমাকে দিল্লি চলে যেতে বলে। আমাকে মারধরও করে। এর পরে একদিন আমার জিনিসপত্র বাড়ির বাইরে ফেলে দিয়ে বলে যেখানে খুশি চলে যাও।” গত বছর ডিসেম্বরে স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই তিনি ছেলেদের কাছে বোঝা হয়ে রয়েছেন বলে দাবি করেন লীলাবতীদেবি। কান্নাগলায় তাঁর প্রশ্ন, “এই বয়সে ছেলেদের কাছে ছাড়া আর কোথায় যাব?”

    মুম্বই সেন্ট্রালের সিনিয়র ডিভিশন অপরেশন ম্যানেজার সুহানি মিশ্র বৃদ্ধার ছোট ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কথাবার্তা বলার পরে রেলকর্তারাই খাবার, দাবার দিয়ে গাড়িতে করে মুম্বই সেন্ট্রাল স্টেশনে পৌঁছে দেন বৃদ্ধাকে। সেখান থেকে লীলাবতীদেবী নিউদিল্লি গামী রাজধানী এক্সপ্রেস ধরেছেন। সোমবার সকালে তিনি দিল্লি পৌঁছবেন। দিল্লি ডিভিশনের সঙ্গে কথা বলে সেখানেও একটি গাড়ির ব্যবস্থা করেছেন রেলকর্তারা। সেই গাড়িতে করে লীলাবতীদেবীকে পৌঁছে দেওয়া হবে পূর্ব দিল্লির পাণ্ডবনগরে ছোট ছেলের বাড়িতে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More