শনিবার রাহুল সহ বিরোধীরা কাশ্মীরে, তৃণমূল পাঠাচ্ছে দীনেশ ত্রিবেদীকে, বারণ করছে সরকার

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা যেভাবে রদ করা হয়েছে, তার সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে বার বার। এই অবস্থায় শনিবার জম্মু-কাশ্মীর সফরে যাচ্ছে বিরোধীদের একটি দল। তাতে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী যেমন আছেন, তেমনই আছেন তৃণমূল কংগ্রেসের দীনেশ ত্রিবেদী। সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করার পরে বিরোধী রাজনীতিকদের জম্মু-কাশ্মীরে যেতে দেওয়া হয়নি। স্থানীয় রাজনীতিকদেরও বন্দি করে রাখা হয়েছে। সরকার ইতিমধ্যেই বিরোধীদের আবেদন জানিয়েছে, শ্রীনগরে আসবেন না। তাতে শান্তিভঙ্গ হতে পারে। কিন্তু বিরোধীরা তার পরেও যাবেন বলে জানিয়েছেন।

কংগ্রেসের তরফে রাহুল বাদে যাচ্ছেন গুলাম নবি আজাদ ও আনন্দ শর্মা। সিপিএমের পক্ষ থেকে যাচ্ছেন সীতারাম ইয়েচুরি, সিপিআইয়ের তরফে যাবেন ডি রাজা, ডিএমকে-র পক্ষ থেকে যাচ্ছেন তিরুচি শিবা, আরজেডি-র হয়ে যাবেন মনোজ ঝা। কয়েক সপ্তাহ ধরে যে জায়গাগুলিতে বাইরের কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, সেখানেও বিরোধীরা যেতে চেষ্টা করবেন বলে জানা গিয়েছে।

জম্মু-কাশ্মীরের তথ্য ও জনসংযোগ দফতর থেকে টুইট করে বলা হয়েছে, শ্রীনগর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে। বিরোধীদের অনুরোধ করছি, তাঁরা যেন এখন এই শহরে না আসেন।

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, প্রবীণ নেতাদের বোঝা উচিত, কোনও কোনও জায়গায় এখনও বিধিনিষেধ জারি আছে। আমরা শান্তিরক্ষার ওপরে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা চাই প্রাণহানি এড়াতে।

বৃহস্পতিবার বিরোধীরা দিল্লির যন্তর মন্তরে জড়ো হয়ে দাবি করেন, জম্মু-কাশ্মীরে যে রাজনৈতিক নেতারা বন্দি হয়ে আছেন, তাঁদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি ও ওমর আবদুল্লা সহ রাজ্যের প্রায় ৪০০ রাজনীতিককে এখন বন্দি রাখা হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More