ন্যায়ের প্রতীক রাম ঘৃণায় প্রকট হন না, অযোধ্যায় ভূমি পূজনের পরে টুইট রাহুলের

রাম মন্দিরের ভূমি পূজনের আগেই টুইট করে দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। আর ভূমি পূজন অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরে পরেই অভিনন্দন জানালেন রাহুল গান্ধী।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমি পূজনের আগেই টুইট করে দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। আর ভূমি পূজন অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরে পরেই অভিনন্দন জানালেন রাহুল গান্ধী। তবে সেই সঙ্গে একটু খোঁচাও দিয়েছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি। তিনি বলেছেন, ভগবান শ্রীরাম প্রেম, সহানুভূতি আর ন্যায়ের প্রতীক। তিনি কখনও ঘৃণা, ক্রুরতা, অন্যায়ের মধ্যে প্রকট হন না।

আরও পড়ুন

‘রাম ভারতের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের প্রতীক’, অযোধ্যায় ভূমি পুজোয় শান্তি ও সহাবস্থানের কথা প্রধানমন্ত্রীর মুখে

রাহুল টুইটে লিখেছেন, “মর্যাদা পুরুষোত্তম ভগবান রাম সর্বোত্তম মানবীয় গুণের স্বরূপ। রাম মানে প্রেম। তাঁকে কখনও ঘৃণার মধ্যে দিয়ে প্রকাশ করা যায় না। রাম মানে সহানুভূতি। তাঁকে কখনও নৃশংসতার মধ্যে দিয়ে প্রকাশ করা যায় না। রাম মানে ন্যায়। তাঁকে কখনও অন্যায়ের মধ্যে দিয়ে প্রকাশ করা যায় না।”

কংগ্রেস প্রথম থেকেই বলে এসেছে সুপ্রিম কোর্ট অযোধ্যা নিয়ে যে রায় দেবে তাকে সম্মান জানানো হবে। সেই মতো এদিন কংগ্রেসের পক্ষে মুখপাত্র রণদীপ সুরযওয়ালাও ভূমি পূজন অনুষ্ঠানের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। এর আগে মঙ্গলবারই টুইট করে উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি লেখেন, “অযোধ্যায় রামলালার মন্দিরে ভূমি পূজন রাষ্ট্রীয় সংহতি আর সংস্কৃতির প্রতীক হয়ে উঠুক।” সেই সঙ্গে প্রিয়াঙ্কা আরও লিখেছেন, “সারল্য, সাহস, প্রতিরোধ, ত্যাগ, অঙ্গীকার সবই দীনবন্ধু রাম নামের নির্যাস। রাম সকলের সঙ্গে আছেন। রাম সকলের মধ্যে আছেন, সর্বত্র আছেন।”

তবে প্রিয়াঙ্কা বা রাহুলের এই টুইটকে রাজনীতি হিসেবেই দেখছে বিজেপি। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “এখন কিছু মানুষ রাম নাম জপ করছেন যাঁরা একসময়ে রামলালার মূর্তি সরিয়ে দিয়েছিলেন। রামের প্রকৃত জন্মস্থানের থেকে ২০০ মিটার দূরে শিলান্যাস করতে চেয়েছিলেন।” এখানেই থামেননি যোগী। তিনি আরও বলেন, “যাঁরা আজকে রামের নাম নিচ্ছেন তাঁরা ১৯৪৯, ১৯৮৪ বা তারও পরে কী কী বলেছেন তা স্মরণ করা উচিত। আগের সুর বদলে এখন কথা বলছেন তাঁরা।”

যোগী এদিন এমনও বলেন যে, সর্বস্তরের মানুষকে এক করার জন্য আমরা রামমন্দির নির্মাণ করছি। রাম সকলের। রামের নামে সমাজকে ভাগ করা বন্ধ করতে ‌হবে। কিন্তু যাঁরা হিন্দু ভোটের জন্য রামের নাম জপ করে তাঁরাই ছোট মন নিয়ে দেখেন। যোগীর দাবি, তাঁর আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রী ভোট হারানোর ভয়ে মন্দির নগরী অযোধ্যায় পা পর্যন্ত রাখেননি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More