বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২
TheWall
TheWall

কলকাতার প্রথম বারোয়ারি পুজো দেখতেই হবে, এবার আর মিস করবেন না

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চেনা কলকাতার অচেনা পুজো, আদি বারোয়ারিতে আজও থাকে পুরতনী আবহ বাংলায় উমা ঠিক কোথায় প্রথম এসেছিলেন তা নিয়ে আনেক বিতর্ক রয়েছে। কোথাকার জমিদারবংশ প্রথম তাদের ঠাকুরদালানে দুর্গোৎসব শুরু করেন‚ তা নিয়ে নানা মুনির নানা মত। মহানগর কলকাতায় প্রথম বনেদি পুজো ঠিক কোনটা তা নিয়েও সাবর্ণ রায়চৌধুরী বনাম নবকৃষ্ণ দেবের পরিবারের মধ্যে লড়াই রয়েছে। একই ভাবে কলকাতার প্রথম বারোয়ারি নিয়েও রয়েছে বহু মত।

বাগবাজার সর্বজনীন নাকি সিমলা ব্যায়াম সমিতি তা নিয়ে আলোচনা চলে। তবে এসবের মধ্যে চাপা পড়ে যায় ভবানীপুরের বলরাম বসু ঘাটের কথা। অথচ আদি গঙ্গার পাশে এই ঘাটেই প্রথম শুরু হয়েছিল কলকাতার বারোয়ারি দুর্গা পুজো। ১৯১০ সালে ১২ জন স্বাধীনতা সংগ্রামীর উদ্যোগে হয় পুজো।সেই থেকেই নাকি বারো ইয়ার বা বারো জন বন্ধুর পুজো বারোয়ারি পুজো| এখনকার নাম সর্বজনীন পুজো।

এক সময়ে বলরাম বসু ঘাটে সতী হয়েছিলেন বর্ণ হিন্দু পরিবারের দুই বিধবা নারী। মার্বেল ফলকে  ১৯১০ সালে সেখানেই শুরু হয় পুজো। আয়োজন করে ভবানীপুর সনাতনী ধর্মোৎসাহিনী সভা। আজও‚ শতাধিক বছরের এই পুজোয় কঠোর নিয়ম নিষ্ঠা। এখনও এই দুর্গোৎসবে থাকেন পাঁচজন প্রধান পুরোহিত। তাঁদের সহকারী আরও পাঁচজন। পাঁচ জন প্রধান পুরোহিতের মধ্যে একজন তন্ত্রধারক‚ একজন চণ্ডীপাঠ বিশেষজ্ঞ এবং একজন জপ বিশেষজ্ঞ।

সোনার গয়নায় সজ্জিত মা দুর্গার সামনে পুরোহিতের মন্ত্রপাঠ হয় উদাত্ত কণ্ঠে। কোনও মাইকের সামনে নয়। বাজে না কোনও রেকর্ডেড গান। এখনও বসে নহবৎ। সানাইয়ের সুরে পুজোর দিনগুলোয় বুঁদ হয়ে থাকে সাবেক কলকাতার পুরতনী আবহ।

Comments are closed.