ডেঙ্গি-যুদ্ধে প্রধান বাধা নির্মাণস্থলের জমা জল, বলছে পুরসভা

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: বর্ষা এসে গিয়েছে। আর তার পিছনেই যেন অপেক্ষা করছে ডেঙ্গি-মরসুম। মশা রুখতে সচেতনতা বেড়েছে কলকাতা পুরসভারও। সূত্রের খবর, শহরের বিভিন্ন এলাকায় জল জমা রুখতে পুরসভার র্যাফের কড়া নজরদারি চলবে। তবে পুরসভার অন্দরের খবর, এই কাজ করতে গিয়ে সব চেয়ে সমস্যায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে নতুন নির্মাণগুলিতে। কারণ প্রোমোটারেরা এ বিষয়ে বড়ই উদাসীন।

    বস্তুত, জুলাই মাস জুড়ে শহরে ইতিমধ্যেই পুরসভার তরফে বেশ কয়েকটা রেড হয়েছে কোথাও জল জমে আছে কি না দেখার জন্য। পুরকর্তারা বলছেন, গত বছরের মহামারীর পরেও সচেতনতার অভাব সারা শহরে স্পষ্ট। নারকেলডাঙায় একটি নির্মাণস্থলে জমে থাকা জল দেখে, নিরমাণ সংস্থাকে ১৫ দিনের নোটিসও দেওয়া হয়েছে পরিষ্কার করার জন্য। জমা জলে মশা ডিম পাড়ে, আর তা ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার জন্য রীতিমতো ভয়ের ব্যাপার, এই সহজ বিষয়টা কেউই বুঝছে না।

    কিন্তু দেখা যায়, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও ওই নির্মাণ সংস্থা জল পরিষ্কার করার কোনও উদ্যোগই নেয়নি। ফের নোটিস দেওয়া হয়। এর পরেও কথা না শুনলে ওই নির্মাণ কর্তাকে পুর-আদালতে হাজিরা দিতে হবে এবং জরিমানা করা হবে বলে জানিয়েছেন পুরকর্তারা। একই ভাবে দক্ষিণ কলকাতার গল্ফগ্রিন, বিজয়গড়, বাঁশদ্রোণী, গড়িয়া, যাদবপুর এলাকাতেও মিলেছে জমা জলের সন্ধান। এই সমস্ত এলাকাতেই গত বছর ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন অনেকে।

    এই সমস্ত এলাকার নির্মাণ কর্মীদের প্রশ্ন করে পাওয়া গিয়েছে একই উত্তর। তাঁরা জমা জল নিয়ে পুরসভার কোনও নিয়মের কথা জানেনই না। তাঁরা প্রোমোটারদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানান। পুর দফতর বলছে, শহর জুড়ে প্রোমোটারদের এই ঔদ্ধত্য এবং নিস্পৃহ মনোভাব চলতে থাকলে ডেঙ্গির মরসুমে অসুখ সামাল দেওয়া কঠিন হবে। মশা এড়ানোর অন্যতম প্রধান উপায় হচ্ছে তাদের বংশবৃদ্ধি রোধ করা, আর তা করতে গেলে শহরকে জমা জল ও জঞ্জাল থেকে মুক্ত রাখা জরুরি।

    পুরসভা সূত্রের খবর, খুব তাড়াতাড়ি প্রোমোটারদের নোটিস দিয়ে জানানো হবে, শহরের বিভিন্ন নির্মাণে জল জমা বন্ধ করার জন্য। নির্দেশ না মানলে পুর আদালতে মামলা দায়ের করা হবে। সর্বোচ্চ এক লাখ টাকার জরিমানা হতে পারে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More