শিবসেনার সঙ্গে আমাদের ঐক্য ফেভিকলের চেয়েও শক্ত, দাবি মহারাষ্ট্রের বিজেপি নেতার

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : আগামী ৮ নভেম্বর মহারাষ্ট্রে বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ৭ নভেম্বরের মধ্যে সেখানে নতুন সরকার গঠিত না হলে রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হবে। অর্থমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুধীর মুনগানতিয়ার একথা জানিয়েছেন।

গত ২১ অক্টোবর মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচন হয়। ফল প্রকাশিত হয় ২৪ অক্টোবর। বিজেপি ও শিবসেনার মধ্যে আসন সমঝোতা হয়নি বলে সরকার গঠন করা যায়নি। শুক্রবার সুধীর মুনগাতিয়ার এক টিভি চ্যানেলে বলেন, দেওয়ালির জন্য বিজেপি ও শিবসেনার মধ্যে আসন রফা পিছিয়ে গিয়েছে। আর দু’-একদিনের মধ্যে ফের আলোচনা শুরু হবে। তাঁর কথায়, “মহারাষ্ট্রের মানুষ কোনও একটি দলকে সরকার গঠনের অনুমতি দেননি। তাঁরা বিজেপি, শিবসেনা ও অন্যান্য দলের জোটকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিয়েছেন।” তাঁর দাবি, বিজেপি আর শিবসেনার ঐক্য ফেভিকল অথবা অম্বুজা সিমেন্টের চেয়েও শক্ত।

তিনি বলেন, “নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরকার গঠিত হতে হবে। না হলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হবে।” সরকার গঠনে দেরি হওয়ার জন্য তিনি শিবসেনাকে দায়ী করেছেন। তাঁর কথায়, “শিবসেনা চায় আড়াই বছরের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর পদটি তাদের ছেড়ে দেওয়া হোক। এই দাবির জন্যই সরকার গঠন করতে দেরি হচ্ছে।” তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, বিজেপি কি ওই দাবি মেনে নেবে? তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছি, দেবেন্দ্র ফড়নবিশই মুখ্যমন্ত্রী হবেন।”

সরকার গঠনের ক্ষেত্রে যে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে, তা স্বীকার করেছেন সুধীর মুনগাতিয়ার। তিনি বলেন, “রাজ্যস্তরের নেতাদের আলোচনায় বসে অচলাবস্থা কাটাতে হবে। যদি দরকার হয়, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব হস্তক্ষেপ করবে।” একইসঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, অচলাবস্থা কাটাতে উদ্যোগ নেবে বিজেপিই।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More