বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২
TheWall
TheWall

সরকার এনআরসি-র জন্য দেশ জুড়ে ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করছে, বললেন অমিত শাহ

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগেই বলেছেন, দেশ জুড়ে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি তৈরি হবে। কেন্দ্রের এনডিএ সরকার যে সেই লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে, তা বৃহস্পতিবার নির্দিষ্ট করে জানালেন বিজেপির সভাপতি। তিনি বলেছেন, সারা দেশেই ডিটেনশন সেন্টার তৈরির কাজ চলছে।

তাঁর কথায়, ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানোর কাজটা করবে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল। তার আগে সরকার নিজের প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে। এর আগে জানা যায়, কর্ণাটকে ইতিমধ্যে একটি ডিটেনশান সেন্টার তৈরি হয়েছে। বেঙ্গালুরু থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে সেই সেন্টার অবস্থিত। মহারাষ্ট্রের নভি মুম্বইতে তৈরি হয়েছে আর একটি ডিটেনশান সেন্টার। কর্ণাটক ও মহারাষ্ট্র, দু’টি রাজ্যেই ক্ষমতায় আছে বিজেপি।

ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল এক ধরনের আইনি সংস্থা। তার কাজ কে ভারতের নাগরিক আর কে নন তা নির্ধারণ করা। এখনও পর্যন্ত ওই ট্রাইব্যুনাল আছে কেবলমাত্র অসমে। ওই রাজ্যের যে বাসিন্দাদের নাম জাতীয় নাগরিকপঞ্জিতে বাদ পড়েছে, তাঁরা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারবেন।

অমিত শাহ আগে বলেছিলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে দেশে অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত করার কাজ সম্পন্ন হবে। তাঁকে প্রশ্ন হয়, যারা অনুপ্রবেশকারী বলে চিহ্নিত হবে, তাদের নিয়ে কী করা হতে পারে? তিনি বলেন, সেক্ষেত্রে একটি আইনি প্রক্রিয়া চালু হবে। রাষ্ট্রপুঞ্জের কনভেনশনে এসম্পর্কে কয়েকটি বিধি স্থির করা হয়েছিল। সেইমতো কাজ হবে।

বিজেপি বলেছে, অনুপ্রবেশকারীদের বিদেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হবে। ভারতের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ বলেছে, কাউকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে না। সেক্ষেত্রে যারা বিদেশি বলে চিহ্নিত হবে, তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন থেকেই যাচ্ছে।

গত সেপ্টেম্বরে অসমের গোয়ালপাড়া জেলায় প্রথম ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করার কাজ শুরু হয়েছে। তাতে খরচ হবে ৪৫ কোটি টাকা। সেখানে তিন হাজার মানুষকে আটকে রাখা সম্ভব হবে। সেপ্টেম্বর মাসেই মহারাষ্ট্র সরকার ডিটেনশন সেন্টার বানানোর জন্য তিন একর জমি চিহ্নিত করেছে। মহারাষ্ট্র সরকার বলেছে, বেআইনি পাসপোর্ট নিয়ে যারা এদেশে ঢুকেছে, তাদের সেখানে আটকে রাখা হবে।

পড়ুন দ্য ওয়ালের পুজোসংখ্যার বিশেষ লেখা

Comments are closed.