শুক্রবার, এপ্রিল ২৬

হাতে লেখা, নাকি কম্পিউটারে! এই মেয়েটির খাতার পাতা দেখলে চমকে উঠবেন!

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছোটোবেলা থেকেই হাতের লেখা নিয়ে কম বেশি সমস্যায় পড়েননি, এমন মানুষ বিরল। কখনও শুনতে হয় ‘হাতের লেখা খুব খারাপ, অমুকের মতো লিখতে পারো না?’ কখনও আবার কেউ বলেন, ‘ছোটোবেলাতেই হাতের লেখা ঠিক করো, নইলে বড় হয়ে আরও খারাপ হয়ে যাবে।’ নাইন্টিজ় কিডদের হয়তো মনেই থাকবে, কারও কারও স্কুলে হাতের লেখার জন্য আলাদা একটা পিরিয়ডই বরাদ্দ ছিল। কোনও কোনও পরীক্ষাতেও হাতের লেখার খাতে বরাদ্দ ছিল দু’নম্বর।

কিন্তু আপনি কি জানেন, সব চেয়ে সুন্দর হাতের লেখার মানুষটিকে চিহ্নিত করা গিয়েছে সম্প্রতি? মানুষটি অবশ্য নেহাতই ছোটো, পড়ে মাত্র ক্লাস এইটে। নেপালে থাকে সে। নাম, প্রকৃতি মাল্লা। কিছু দিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তার হাতে লেখা একটা পাতা আপলোড করেছিলেন নেপালেরই কোনও বাসিন্দা। তার পরেই নেটিজেনদের প্রশংসা উপচে পড়ে। রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায় তার হাতের লেখা। সকলেই মেনে নিয়েছেন, প্রকৃতির লেখা দেখলে মনে হয়, কম্পিউটারে টাইপ করা। হাতে লেখা নয়। এমএস ওয়ার্ল্ডের যে কোনও ফন্টের থেকেও যেন বেশি সুন্দর লেখে সে!

বস্তুত, হাতের লেখা ভাল হলে লিখে যেমন আনন্দ পাওয়া যায়, তেমনই, যিনি পড়ছেন তাঁরও ভাল লাগে। তিনি বোঝেন, যত্ন করে লেখা হয়েছে তাঁকে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই হাতের লেখার সমস্যার জন্য অনেকে পড়েই উঠতে পারেন না লেখার বক্তব্য। কথিত আছে, যিনি যত ব্যস্ত মানুষ, তাঁর হাতের লেখা তত খারাপ। সেই কারণেই বেশির ভাগ ডাক্তারের হাতের লেখাই অবশ্যম্ভাবী ভাবে খারাপ হয় বলে মনে করেন অনেকে।

কিন্তু প্রকৃতি নামের মেয়েটি এ সব কিছুর ঊর্ধ্বে। ঝরঝর করে পাতার পর পাতা লিখে যায় সে, লেখা শেষ হওয়ার পরে সে পাতা হাতে নিলে মনে হয়, কলমে নয়, কীবোর্ডে টাইপ করা হয়েছে সে লেখা। প্রতিটা শব্দের মাপ সমান, কার্ভ একই রকম। প্রতিটি শব্দের মাঝের ফাঁকও একই মাপের। লিপি-বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, প্রকৃতির হাতের লেখা নিখুঁতের প্রায় কাছাকাছি। লিপিবিদ্যায় সে যেন এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

Shares

Comments are closed.