পিএম কেয়ার ফান্ডে পাঁচ দিনে অনুদান ৩ হাজার কোটির বেশি, দাতাদের নাম জানতে চাইলেন চিদম্বরম

১৮

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত ২৭ মার্চ থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে পিএম কেয়ার ফান্ডে জমা পড়েছে ৩ হাজার ৭৬ কোটি টাকা। সরকারি এক অডিট রিপোর্ট থেকে একথা জানা গিয়েছে। রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, দেশের মধ্যে থেকে অনুদানকারীরা দিয়েছেন ৩ হাজার ৭৫ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা। বিদেশ থেকে অনুদান এসেছে ৩৯ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা।

অডিট রিপোর্টের স্টেটমেন্টে বলা হয়েছে, পিএম কেয়ারে প্রথমে জমা পড়েছিল ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। পিএম কেয়ার ফান্ডের ওয়েবসাইটে ওই স্টেটমেন্ট পোস্ট করা হয়েছে। ওই স্টেটমেন্টের সঙ্গে যে নোট দেওয়া হয়েছিল, তা অবশ্য পোস্ট করা হয়নি। অর্থাৎ যাঁরা ওই তহবিলে টাকা দিয়েছেন, তাঁদের পরিচয় গোপন রাখছে সরকার।

প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম টুইট করে প্রশ্ন তুলেছেন, “যে দয়ালু ব্যক্তিরা এত টাকা দান করেছেন, তাঁদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না কেন? যে কোনও এনজিও-কে কেউ যদি নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি টাকা দেয়, তাহলে তার নাম প্রকাশ করতে হয়। তাহলে পিএম কেয়ারকে দাতাদের নাম জানাতে বলা হবে না কেন?”

পরে চিদম্বরম বলেন, “যাঁরা অনুদান পাচ্ছেন, তাঁদের নাম জানা যাচ্ছে। যে সংস্থাকে দান করা হচ্ছে, তার ট্রাস্টিদের নাম জানা যাচ্ছে। কিন্তু যাঁরা দান করছেন, তাঁদের নাম জানানো হচ্ছে না কেন?”

পিএম কেয়ারস ফান্ডের পুরো নাম প্রাইম মিনিস্টারস সিটিজেন অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যান্ড রিলিফ ইন এমার্জেন্সি সিচুয়েশনস ফান্ড। গত মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ওই তহবিল গঠন করেন। মূলত করোনা অতিমহামারী রোধের জন্য ওই তহবিল তৈরি করা হয়েছিল। ওই তহবিল দেখাশোনা করে একটি ট্রাস্ট। ট্রাস্টিদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার কয়েকজন প্রবীণ সদস্য। ট্রাস্টের চেয়ারম্যান হলেন প্রধানমন্ত্রী।

গত জুন মাসে একটি সর্বভারতীয় নিউজ চ্যানেল আরটিআই করে জানতে চায়, ট্রাস্ট ডিডে কী লেখা আছে। প্রধানমন্ত্রীর অফিস জানায়, ওই ফান্ড আরটিআইয়ের আওতায় পড়ে না। সুতরাং ট্রাস্ট ডিড সম্পর্কে জানানো যাবে না।

পিএম কেয়ার ফান্ড নিয়ে আগেও প্রশ্ন উঠেছে। কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম টুইট করে বলেছিলেন, পিএম কেয়ার ফান্ডের স্বচ্ছতা নিয়ে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ প্রশ্ন আছে। তিনি লিখেছেন, সুপ্রিম কোর্ট ওই ফান্ডের বৈধতা নিয়ে রায় দিয়েছে। সেই রায়ই চূড়ান্ত। কিন্তু তা নিয়ে অ্যাকাডেমিক সার্কেলে আলোচনা চলবেই। এরপরে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী প্রশ্ন করেন, কোনও চিনা সংস্থা কি ওই ফান্ডে অর্থ দিয়েছে? ২০২০ সালের ১ এপ্রিল পর্যন্ত ওই ফান্ডে কত টাকা জমা পড়েছিল। কারা টাকা দিয়েছিল?

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More