Latest News

একসময় ভারতের রাস্তায় দাপট দেখাত এরা, আজ কেবলই স্মৃতি

ভারতবাসীরা এখনও ভোলেননি ল্যামব্রেটা, ইয়েজদি ও আরও কিছু নাম, যেগুলি চেষ্টা করলেও ভোলা যাবে না।

৯/১ প্রিমিয়ার অটোমোবাইল ১৯৬৪ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত বানিয়েছিল প্রিমিয়ার পদ্মিনী নামের এই ফোর-সিটার গাড়িটি। এর নাম প্রথমে ছিল ফিয়াট-১১০০ ডিলাইট. ১৯৭৪ সালে এর নাম হয় প্রিমিয়ার পদ্মিনী

 ৯/২ ইতালির মিলানে এর উৎপত্তি হলেও ভারতের বাজারে ল্যামব্রেটা স্কুটারের প্রতিপত্তি ছিল বিশাল। স্কুটারস ইন্ডিয়া লিমিটেড ভারতে বানানোর দায়িত্ব পেয়েছিল। কিন্তু ৯০ সাল নাগাদ কোম্পানীটি টু-হুইলারের জায়গায় থ্রি-হুইলার বানানো শুরু করায় ভারতের বাজার থেকে হারিয়ে যায় ফ্যামিলি স্কুটার ল্যাম্ব্রেটা।

 ৯/৩ একসময় ভারতের বাজারে সবচেয়ে জনপ্রিয় বাইক ছিল ইয়েজদি গতির সঙ্গে ছিল বুক কাঁপানো আওয়াজ। রাস্তার লোক ঘুরে তাকাতে বাধ্য হতো। সবচেয়ে পপুলার মডেল ছিল ইয়েজদি ‘রোড কিং’।

৯/৪ ১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করে কনটেসা। থেকে যায় ২০০২ সালে। এই সময়কালে এমন হিন্দি সিনেমা ছিল না যেটায় নায়ক বা ভিলেনকে কনটেসা চড়তে দেখা যায়নি। এতটাই জনপ্রিয় ও ফ্যাশনেবল ছিল গাড়িটি।

 

৯/৫ ইতালীয় কোম্পানী ভেসপা ও ভারতের কোম্পানী এলএমএল -এর যৌথ উদ্দ্যোগে তৈরি হয়েছিল জনপ্রিয় স্কুটার এলএমএল-ভেসপা।

৯/৬ ভারতের মফঃস্বল ও গ্রামাঞ্চলের মানুষদের সবচেয়ে পছন্দের মটোরসাইকেল ছিল রাজদূত। ফিল্মস্টার ধর্মেন্দ্র রাজদূতের বিজ্ঞাপনে আসতেন। তাঁর মতোই ম্যাচো লুক ছিল রাজদূতের।

৯/৭ অ্যাম্বাসাডরের পরেই সম্ভবত ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফোর-হুইলার ছিল মারুতি-৮০০। ১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করে যাত্রা থামে ২০১৪ সালে এসে। ভারতে প্রায় ২৬ লক্ষেরও বেশি মারুতি-৮০০ বিক্রি হয়েছিল।

 ৯/৮ ইতালির কোম্পানি পিয়াজ্জিও থেকে লাইসেন্স নিয়ে কাইনেটিক কোম্পানি ভারতের বাজারে আনে ৫০ সিসির এই জনপ্রিয় মোপেড ‘লুনা’। ভারতের শহর ও মফঃস্বলের গৃহিনীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল এই মোপেডটি।

৯/৯ বুলেটের নির্মাতা রয়াল এনফিল্ড জার্মান সংস্থা জুন্ডাপ্পের সঙ্গে যৌথভাবে বানিয়েছিল ৫০ সিসির বাইক এক্সপ্লোরার।  বাইকটি জনপ্রিয় হয়েছিল, কিন্তু সমসাময়িক বাইকগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে পারেনি।

You might also like