হ্যারি-মেগানের নিরাপত্তা বহন করবে না আমেরিকা, জানিয়ে দিলেন ট্রাম্প! পাল্টা জবাব দম্পতিরও

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কয়েক মাস আগেই নাটকীয় ভাবে রাজপরিবার ছেড়েছেন তাঁরা। জানিয়ে দিয়েছেন, রাজপরিবারের অনুশাসন এবং অতিবাহুল্য বর্জন করে আর একটু সাধারণ জীবন যাপন করতে চান তাঁরা। সেই উদ্দেশ্যেই ব্রিটেন ছেড়ে কানাডায় থাকতে শুরু করেছিলেন বাকিংহাম প্যালেসের নবদম্পতি হ্যারি ও মেগান। কিন্তু সম্প্রতি করোনাভাইরাস আতঙ্কে ক্যালিফোর্নিয়ায় মেগানের বাড়িতে এসে থাকতে শুরু করেছেন তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইট করে জানালেন, হ্যারি ও মেগান দম্পতির নিরাপত্তা জনিত খরচ আমেরিকা বহন করবে না।

তিনি আরও বলেন, ব্রিটিশ রাজপরিবারের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব ভাল হলেও, এই পরিস্থিতিতে তিনি এগোবেন না হ্যারি-মেগানের নিরাপত্তা দিতে। টুইটের জবাবে হ্যারি-মেগানও জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের কোনও ইচ্ছা নেই এই নিরাপত্তা পাওয়ার। জনগণের পয়সায় চলা মার্কিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিজেদের জন্য ব্যবহার করতে চান না তাঁরা। যদিও এর আগে যখন তাঁরা কানাডায় ছিলেন, তখন অস্থায়ী ভাবে তাদের নিরাপত্তা ব্যয়ের আনুমানিক ১৩ লাখ ডলারের অর্ধেক অর্থায়ন করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

অন্যদিকে, ব্রিটিশ রাজপরিবারের পক্ষ থেকেও এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হ্যারি এবং মেগান আমেরিকার সরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করবেন না। তাঁরা নিজেদের উদ্যোগে বেসরকারি নিরাপত্তা এজেন্সি ভাড়া করবেন। প্রসঙ্গত, প্রিন্স হ্যারির বাবা প্রিন্স চার্লস করোনাভাইরাস আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

জানুয়ারি মাসে বাকিংহাম প্যালেস থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে হ্যারি-মেগান জানিয়েছিলেন যে, প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকার জন্য তাঁদের অনেক লড়তে হচ্ছে। বিয়ের পর থেকেই প্রতিদিন নানা মুখরোচক খবরাখবর হচ্ছে তাঁদের ঘিরে, যা তাঁদের জীবনে প্রভাব ফেলছে। তাঁদের ওই বিবৃতিতে আরও লেখা– “আমরা আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হতে চাই। এই রাজপরিবারের বাইরে বেরিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেলামেশার যে পরিবেশ, তা উপভোগ করতে চাই। ভেবেছি, ইংল্যান্ড ও উত্তর আমেরিকায় ঘুরিয়েফিরিয়ে সময় কাটাব। আমরা চাই, রানি নিজের রাজত্ব সামলে শান্তিতে থাকুন।”

গণমাধ্যমের আলো থেকে নিজেদের ও সন্তান আর্চিকে আড়ালে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন তাঁরা। তার পরে অনেক চিন্তাভাবনা করেই তাঁরা রাজপরিবারের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারীর জেরে ক্যালিফোর্নিয়ায় আসতে হল বলে নতুন জটিলতার সম্মুখীন তাঁরা। রাজ পরিবারের সদস্য হওয়ার আগেও একাধিক বার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সরব হন মেগান। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন হ্যারিও। তারই মধ্যে ট্রাম্পের এই টুইট ঘিরে জলঘোলা শুরু হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More