শনিবার, অক্টোবর ১৯

রাহুলের বক্তব্য এখন পাকিস্তানের অস্ত্র, রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার কমিশনে ইসলামাবাদ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে রাহুল গান্ধীর মন্তব্যই রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশনে হাতিয়ার করেছে পাকিস্তান। পাকিস্তান তাদের পেশ করা নালিশে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী ও জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার উদ্ধৃতির উল্লেখ করেছে বলে খবর। সেটা আবার ফলাও করে পাকিস্তানের প্রথম শ্রেণির সংবাদমাধ্যমগুলির প্রথম পাতায় ছাপানো হয়েছে।

কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে সম্প্রতি ইউএনএইচআরসি-তে নালিশ জানিয়েছে পাকিস্তান ৷ জমা দেওয়া হয়েছে ১১৫ পাতার ডসিয়ার৷ আর তাতেই রাহুল ও ওমরের সরকার বিরোধী মন্তব্যের উল্লেখ রয়েছে ৷ ৩৭০ ধারা কাশ্মীর থেকে প্রত্যাহারের ২০ দিনের মাথায় কাশ্মীর যেতে গিয়ে বাধা পেয়েছিলেন রাহুল গান্ধী৷ বলেছিলেন, ‘২০ দিন ধরে কাশ্মীরের নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার রুদ্ধ করা হয়েছে ৷’এই মন্তব্যকেই লুফে নেয় পাক বিদেশমন্ত্রক ৷ পাকিস্তানের হাতের অস্ত্র হওয়ায়, স্বাভাবিকভাবেই চাপে পড়ে যান রাহুল গান্ধি। জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শেষমেষ পাকিস্তানকে আক্রমণ শানান প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি। বলেন, ‘কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এক্ষেত্রে পাকিস্তানের নাক গলানোর জায়গা নেই।’ তবু তাতেও শেষ হয়নি বিতর্ক ৷

রাহুল এর পরে এমনও বলেন যে, কাশ্মীরে অশান্তি আছে ঠিকই। কিন্তু তার কারণ হল পাকিস্তান। ইসলামাবাদ সমানে কাশ্মীরে ইন্ধন ও উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তান গোটা বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের বড় সমর্থক। এই মর্মে রাহুলের পাশে দাঁড়িয়েছেন শশী থারুর, রণদীপ সুরজেওয়ালার মতো কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতারাও। এবার পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ঢালাও প্রচার হচ্ছে রাহুল গান্ধীর বক্তব্য। আর সেইসঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্তী ওমর আবদুল্লার একটি মন্তব্যও উদ্ধৃত করা হয়েছে। এতে স্পষ্ট পাকিস্তানকে কংগ্রেস কড়া বিবৃতি দেওয়ার পরেও তাঁদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি।

ফলে নতুন করে অস্বস্তি বাড়ল কংগ্রেসের। অস্বস্তি রাহুল গান্ধীরও।

Comments are closed.