বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪

এখনই জামিন নয়, চিদম্বরমের আবেদন শুক্রবারের আগে শুনবে না সুপ্রিম কোর্ট

দ্য ওয়াল ব্যুরো : মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমকে আগাম জামিন দিতে অস্বীকার করে। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন চিদম্বরম। সুপ্রিম কোর্টে সেই আবেদনের ওপরে শুনানি হবে শুক্রবার। অর্থাৎ এখনই আগাম জামিন পাচ্ছেন না প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। আইএনএক্স দুর্নীতির মামলায় তাঁকে খুঁজছে এনফোর্সমেন্ট ডায়রেক্টরেট ও সিবিআই। তিনি যাতে বিমানে দেশের বাইরে পালাতে না পারেন, সেজন্য লুক আউট নোটিশ জারি করা হয়েছে।

অভিযোগ, ২০০৭ সালে চিদম্বরমের ছেলে কার্তি চিদম্বরম আইএনএক্স মিডিয়াকে সব বিধি ভেঙে বিদেশি অর্থ পাইয়ে দেন। তখন কেন্দ্রে অর্থমন্ত্রী ছিলেন পি চিদম্বরম। কার্তি বাবার প্রভাব খাটিয়ে ওই সংস্থাকে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দেন। সেজন্য তিনি বিপুল অর্থ কিকব্যাক নিয়েছিলেন। সেই অর্থে তিনি দেশে ও বিদেশে বিপুল সম্পত্তি কেনেন।

এদিন চিদম্বরমের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে যান আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা কপিল সিবাল। বিচারপতি এন ভি রমানা তাঁকে বলেন, প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর আর্জি প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের সামনে পেশ করা হবে। ইডি এবং সিবিআইয়ের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি বলেন, অভিযুক্তরা বিরাট অঙ্কের টাকা তছরুপ করেছেন।

কপিল সিবাল সুপ্রিম কোর্টে জানান, চিদম্বরমের আবেদন মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্টে নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। আইএনএক্স মামলায় আদালত তাঁকে এক বছরের বেশি সময় গ্রেফতার করতে দেয়নি। কিন্তু নতুন করে গ্রেফতারির বিরুদ্ধে নির্দেশ দিতে চায়নি। এই বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের শোনা উচিত। এর মধ্যে তাঁর মক্কেলকে যেন গ্রেফতার না করা হয়।

একইসঙ্গে সিবাল বলেন, মঙ্গলবার রাত দু’টোর সময় তদন্তকারী সংস্থাগুলি তাঁর বাড়ির বাইরে নোটিস আটকে দিয়ে এসেছে। তাতে বলা হয়েছে, চিদম্বরম যেন দু’ঘণ্টার মধ্যে তাদের সামনে উপস্থিত হন। কিন্তু সেই নোটিসে বলা ছিল না, আইনের কোন ধারায় তাঁকে সমন পাঠানো হচ্ছে।

Comments are closed.