যে বিধিগুলি চিনা কোম্পানিকে সাহায্য করে, সেগুলি বদলে ফেলা উচিত, মন্তব্য গড়করির

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত ১৫ জুন লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চিনের সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ২০ জন ভারতীয় সৈনিক শহিদ হন। এরপরে চিনের সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চাপাতে শুরু করেছে ভারত। শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি বলেছেন, আমাদের বাণিজ্য সংক্রান্ত অনেকগুলি বিধি পুরানো হয়ে গিয়েছে। যে বিধিগুলি চিনের কোম্পানিগুলিকে সাহায্য করছে, সেগুলি বদলে ফেলা উচিত। তাঁর বদলে এমন নিয়ম করা উচিত যাতে ভারতীয় সংস্থাগুলির সুবিধা হয়।

    কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী গড়করি বলেছিলেন, ভারতের কোনও হাইওয়ে প্রকল্পে চিনা কোম্পানিকে যুক্ত করা হবে না। শুক্রবার তিনি বলেন, ভারতের কোনও সংস্থা যদি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম চিন থেকে আনতে চায়, তাদের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে।

    মন্ত্রী বলেন, আমরা ভারতীয় উদ্যোগপতি ও ঠিকাদারদের উৎসাহ দেব। অনেক সময় কোনও প্রকল্পে এমন কয়েকটি পূর্বশর্ত আরোপ করা হয়, যা ভারতীয় সংস্থাগুলি পূরণ করতে পারে না। এই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, “আমাদের অনেক বিধি পুরানো হয়ে গিয়েছে। সেই সব বিধি অনুযায়ী ঠিকাদারদের কঠোর শর্ত মেনে কাজ করতে হয়। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, বড় হাইওয়ে বা সেতু বানানোর সময় কেবল সেই সংস্থাগুলিই বরাত পায় যাদের আগে বড় কিছু বানানোর অভিজ্ঞতা আছে। আমাদের দেশে কোনও সংস্থারই সেই অভিজ্ঞতা নেই। তাই ভারতীয় কোম্পানিগুলি বরাত পায় না।”

    পরে গড়করি বলেন, “আমাদের বিধিগুলি ভুল। ভারতের সংস্থাগুলির যোগ্যতা থাকলেও অনেকসময় আর্থিক সঙ্গতি না থাকার জন্য তারা কন্ট্রাক্ট পায় না। এই পরিস্থিতিতে এমন কোনও সংস্থাকে কন্ট্রাক্ট দেওয়া উচিত নয় যারা চিনা সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে ব্যবসা করে।”

    শুক্রবারই আচমকা লাদাখে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সঙ্গে ছিলেন চিফ অব আর্মি স্টাফ বিপিন রাওয়াত ও সেনাপ্রধান এম এম নারাভানে। এরপরেই চিনের বিদেশমন্ত্রক বিবৃতি দেয়, দুই দেশের সম্পর্কে কৃত্রিম বাধা সৃষ্টি করলে ফল ভাল হবে না।

    শনিবার নীতিন গড়করি বলেন, আমরা ভারতের বিভিন্ন সংস্থা, বিশেষত ক্ষুদ্র ব্যবসাকে উৎসাহ দিতে চাই। তাঁর কথায়, “আত্মনির্ভর ভারত নীতির সঙ্গে চিনের কোনও সম্পর্ক নেই। আমরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আরও দক্ষ প্রতিযোগী হয়ে উঠতে চাই। সেজন্য আমাদের প্রয়োজন লো কস্ট ক্যাপিটাল, উন্নত প্রযুক্তি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায় বিদেশি বিনিয়োগ।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More