বিরোধীরা কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে চায়, বিহারে জনসভায় বললেন মোদী

৩৫১

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বিহারে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে কাশ্মীরের প্রসঙ্গ টেনে আনলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী সপ্তাহেই বিহারে প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ করা হবে। তার আগে শুক্রবার সেখানে প্রথমবার জনসভা করেন মোদী। তিনি বিরোধীদের সমালোচনা করে বলেন, তারা সংবিধানের ৩৭০ ধারা ফিরিয়ে আনতে চায়।

এদিন মোদী সাসারামে জনসভা করেন। তিনি বলেন, “কবে ৩৭০ ধারা লোপ করা হবে, সেজন্য সকলেই অপেক্ষা করছিল। কিন্তু বিরোধীরা বলছেন, তাঁরা ক্ষমতায় এলে ৩৭০ ধারা ফিরিয়ে আনবেন।” প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, এই ধরনের কথা বলে বিরোধীরা কীভাবে ভোট চাইতে সাহস করে? তারা কি বিহারকে অপমান করছে না? এই রাজ্যের অনেক সন্তান সীমান্তে দেশরক্ষা করছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের নির্বাচনে খুব একটা ভাল করতে পারেনি বিজেপি। কয়েক মাস আগেই বিহার লাগোয়া ঝাড়খণ্ডের ভোটে বিজেপির সরকার পড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের অনেকের বক্তব্য, এবারের বিহারের ভোট জেপি নাড্ডার কাছেও প্রেস্টিজ ফাইট। তার কারণ নাড্ডাও বিহারেরই ভূমিপুত্র। তিনি বিজেপি সভাপতি হওয়ার পর এই প্রথম কোনও রাজ্যের বিধানসভা ভোট হতে চলেছে।

‘১৫-র ভোটে নীতীশ কুমার ও লালুপ্রসাদ যাদবের মহাজোটের কাছে পর্যুদস্ত হয়েছিল এনডিএ। কিন্তু পরে লালুর দলের সঙ্গ ছেড়ে নীতীশ যোগ দেন এনডিএ-তে। ফের তিনিই মুখ্যমন্ত্রী হন। তা ছাড়া এবার বিহার ভোটে অন্যতম ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যু। তাই রাজনৈতিক ভাবে বিহারের ভোট অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত পর্যবেক্ষকদের অনেকের।

ভোট ঘোষণার পরে এলজেপি-র চিরাগ পাসোয়ান ঘোষণা করেন, তাঁর দল এবার এনডিএ জোটের শরিক হিসাবে ভোটে লড়বে না। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের কয়েকটি সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নিতে পারছেন না। তাই এনডিএ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু বিজেপির সঙ্গে তাঁর কোনও বিরোধ নেই।

বিহারে এ বার ভোট গ্রহণ হবে ৩ দফায়। প্রথম দফায় ২৮ অক্টোবর ১৬ টি জেলার ৭১ টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হবে। পরের দফায় ৩ নভেম্বর ভোট হবে ৯৪ টি আসনে। তৃতীয় দফায় ৭ নভেম্বর ১৫ টি জেলার ৭৮টি আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে। ভোটের ফল ঘোষণা হবে ১০ নভেম্বর। প্রসঙ্গত, বিহার বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ২৯ নভেম্বর।

অনেকেই মনে করেছিলেন, ভাইরাসের কারণে পিছিয়ে যাবে ভোট। কিন্তু তা হচ্ছে না। ফলে রাজনৈতিক মহলের অনুমান বড় কোনও অঘটন.না ঘটলে একুশে নির্ধারিত সময়েই হবে বাংলার ভোট। সেক্ষেত্রে আর মাত্র ছ’মাস বাকি থাকবে বাংলায় ভোট হতে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More