২২ দলের নেতাদের ভিডিও কনফারেন্স, কোভিড সংকটে ১১দফা দাবি কেন্দ্রের কাছে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাম্প্রতিক অতীতের নজিরবিহীন বিরোধী ঐক্য। করোনাভাইরাসের কারণে সারা দেশে যে সংকট তৈরি হয়েছে তা থেকে সাধারণ শ্রমজীবী, গরিব মানুষকে বের করতে ভিডিও কনফারেন্সের আহ্বান জানিয়েছিলেন অন্তর্বর্তী কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। শুক্রবার সেই ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিলেন ২২টি বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারা।

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী টানা চারদিন ধরে দফায় দফায় সমাজের বিভিন্ন অংশের জন্য আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণা করেছেন। যার মোট পরিমাণ ২০ লক্ষ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। বিরোধীদের তরফে ওই প্যাকেজকে অর্থহীন বলে দাবি করা হয়েছে, গরিব মানুষের জন্য কার্যকরী প্যাকেজ দিক কেন্দ্র।

    বিরোধী দলগুলি একসুরে দাবি করেছেন, একেবারে গরিব মানুষের অ্যাকাউন্টে সাড়ে সাত হাজার টাকা নগদ দেওয়া হোক। ছ’মাস বিনামূল্য মাথাপিছু ১০ কিলো করে খাদ্যশস্য রেশনের মাধ্যমে সরবরাহ করার দাবি জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিরোধী নেতারা বলেছেন, ভারতের ৬০ শতাংশ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছেন তাঁরা।

    বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর উদ্ধব ঠাকরে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা জনতা দল সেকুলার নেতা এইচ ডি দেবগৌড়া, সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি, কংগ্রেসের গুলাম নবি আজাদ, অধীর চৌধুরী, এনসিপি নেতা শরদ গোবিন্দ পাওয়ার -সহ তামাম বিরোধী নেতারা যোগ দিয়েছিলেন বৈঠকে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এদিনের ভার্চুয়াল বৈঠকে ছিলেন না বহুজন সমাজ পার্টি প্রধান মায়াবতী, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব এবং আম আদমি পার্টির প্রধান তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

    বিরোধীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যে আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছে কেন্দ্র তা সংশোধন করুক। নইলে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া যে মানুষ লকডাউনের ফলে চরম সংকটাপন্ন, তাঁদের লাভের লাভ কিছুই হবে না। বরং দুর্দশা বাড়বে। লকডাউন থেকে বেরোনোর কৌশল করতেও কেন্দ্রীয় সরকার ব্যর্থ বলে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী নেতারা। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, লকডাউন একটা সাময়িক প্রক্রিয়া। কিন্তু এর বাইরে বেরিয়ে কী ভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায় সে ব্যাপারে সরকার দিশাহীন।

    মনরেগা তথা ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পকে ২০০ দিন করার দাবি জানিয়েছেন বিরোধী নেতারাতাঁদের বক্তব্য, গ্রামীণ ভারতের জনগণের বছরে ২০০ দিনের কাজ নিশ্চিত হলে তবেই গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা ঘোরানো সম্ভব। কারণ হাতে নগদ না থাকলে বাজারে চাহিদা তৈরি হবে না।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More