Latest News

হিন্দুদের দুর্গাপুজোয় বাংলাদেশে হামলা, ভারতে মুসলিম বিদ্বেষ

অমল সরকার

পুজোর মধ্যে বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু সম্প্রদায়ের উপরে হামলার ঘটনাগুলি অত্যন্ত সুপরিকল্পিত, সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বয়ং একথা একাধিক বার বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অপরাধীরা শাস্তি পাবে। কাউকে ছাড়া হবে না।

এই জাতীয় বড়মাপের অশান্তির ঘটনায় দেশ নির্বিশেষে সরকারি কর্তাব্যক্তিদের মুখে ষড়যন্ত্রের কথা এবং আশ্বাসবাণী শুনতেই আমরা অভ্যস্ত। বাংলাদেশ পুলিশ শতাধিক অভিযোগে কয়েক হাজার জ্ঞাত-অজ্ঞাতের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করেছে। ধরাও পড়েছে মূল অভিযুক্ত।

কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাবলীকে নিছকই আইন-শৃঙ্খলার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হলে সম্ভবত ঐতিহাসিক ভুল হয়ে যাবে। একই সঙ্গে স্বীকার করে নেওয়া ভাল, এমন গভীর সঙ্কটের দায় শুধুমাত্র বাংলাদেশ এবং তার জনগণের উপরে চাপিয়ে দেওয়াও হবে কালীদাসি মন-মানসিকতার লালন পালন। পররাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করতে পারি, আক্রান্তদের প্রতি সহমর্মিতা জানাতে পারি, কিন্তু নাক গলাতে পারি না। তবে নিজের ভালো চেয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ঘটনাবলী থেকে শিক্ষা নিতে পারি। এবং তা না করাও হবে চরম মূর্খামি।

সীমান্তের এ-পারে আমাদের জন্য ও-পারের ঘটনায় কী শিক্ষণীয়, সে প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গোটা ঘটনার খানিক বিচার-বিশ্লেষণ করে নেওয়া যাক।

এই উপমহাদেশের মহান সন্তান, সর্বকালের সেরা বাঙালির একজন শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম-শতবর্ষ ক্যালেন্ডারের পাতায় কয়েক মাস আগে শেষ হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে নানা রাষ্ট্রীয় আয়োজনে এখনও তাঁর জন্ম-শতবর্ষ পালন চলছে। এ বছরটিই সেই বীর-বাঙালির স্বপ্ন এবং লড়াইয়ের ফসল বাংলাদেশের মুক্তিরও সুবর্ণজয়ন্তী।

ঘটনাচক্রে এই উপমহাদেশ তথা গোটা বিশ্বের চোখে প্রাতঃস্মরণীয় মানুষ মহাত্মা গান্ধীর জন্মের সার্ধ-শতবর্ষ উপলক্ষে তাঁকে নিয়ে ভারত – বাংলাদেশ – পাকিস্তান – সহ বিশ্বের নানা প্রান্তে চর্চা জারি আছে। চলছে সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মের ১২৫তম বর্ষ-উদযাপন।

দেশলাই বাক্সের দাম বাড়ছে দ্বিগুণ, ১৪ বছর পর মূল্যবৃদ্ধির আঁচ

পাকিস্তানের কবলমুক্ত হয়ে পূর্ব পাকিস্তানের বাংলাদেশ হয়ে ওঠার আগের আড়াই দশকের লড়াই-সংগ্রামে মুজিবুরের রাজনীতি থেকে যে কোনও মনযোগী পর্যবেক্ষক, গবেষকই উপলব্ধি করবেন, তিনি আন্দোলনে অহিংস পথে অসহযোগ এবং সহিংস— একই সঙ্গে দু’টি ধারারই অনুশীলন করেছেন। কালোত্তীর্ণ নেতা তিনিই হতে পারেন যাঁর ডাকে আপামর দেশবাসী জীবন বাজি রাখে। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসের সচেতন পাঠক মাত্র নিঃসংকোচে মানবেন শেখ মুজিবুর রহমান উপমহাদেশের আর এক গান্ধী এবং সুভাষ।

লক্ষ্যণীয়, এই উপমহাদেশে আজ যা সবচেয়ে বিপন্ন, বঙ্গবন্ধু তাঁর মাত্র ৫৪ বছরের জীবনে ধর্মীয় সহিষ্ণুতার কথাই সবচেয়ে বেশি বলে গিয়েছেন। একেবারে নীতিপাঠ দেওয়ার মতো করে সময় সুযোগ পেলেই তিনি এই কথাটি সহযোদ্ধা-সহকর্মী-সতীর্থদের স্মরণ করিয়ে দিতেন। দুর্ভাগ্যের, তাঁরই জন্ম-শতবর্ষে, তাঁরই হাতে সৃষ্ট দেশটির সুবর্ণজয়ন্তী বছরে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা বড় প্রশ্নচিহ্নের মুখে পড়ল।

‘এই বাংলায় হিন্দু-মুসলিম, বাঙালি-অবাঙালি যারা আছে তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষার ভার আমার আপনার উপরে। আমাদের যেন বদনাম না হয়।’  -শেখ মুজিবুর রহমান (৭ মার্চ, ১৯৭১, ঢাকা)

সাম্প্রতিক ঘটনার যে বর্ণনা ক্রমে সামনে আসছে, তাতে একটি বিষয় স্পষ্ট, ধর্ম অবমাননার কারণে এই হামলাবাজি করা হয়নি। বরং হামলাবাজি করার লক্ষ্যকে সামনে রেখে ধর্ম অবমাননার ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে। দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন চরিত্রের বিষয়। প্রথমটি আচমকা বারুদের স্তূপে আগুন দেওয়া বা লেগে যাওয়ার মতো ঘটনা। দ্বিতীয়টি হল, বিস্ফোরণ ঘটানোর উদ্দেশ্যে বারুদ জড়ো করা। দু’টি ক্ষেত্রেই আগুন নেভাতে পুলিশ-প্রশাসনের পারদর্শিতা এবং সদিচ্ছা জরুরি। কিন্তু, এখন যখন বোঝাই যাচ্ছে, আগুন জ্বালানোর উদ্দেশ্যেই দেশের নানা প্রান্তে বারুদ জড়ো করা হয়েছিল অর্থাৎ একেবারে পরিকল্পনা করে সংখ্যালঘুদের উপরে হামলা হয়েছে, তখন সর্ষের মধ্যে ভুত আছে কী নেই, নিশ্চিত হওয়া দরকার।

১৯৬৪-তে কাশ্মীরের হজরত-বাল মসজিদ ঘিরে বিবাদের ঘটনাকে হাতিয়ার করে পাকিস্তানের পশ্চিমি শাসকেরা পূর্ব-পাকিস্তানে বাঙালির মুক্তি সংগ্রামকে ভেস্তে দিতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধাতে কসুর করেনি। সেদিন ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুরে আওয়াজ উঠেছিল, ‘পূর্ব পাকিস্তান রুখিয়া দাঁড়াও’। সেদিন খোদ শাসকেরাই ছিল উস্কানিদাতার ভূমিকায়। সাধারণ মানুষ ছিল শান্তির পক্ষে, বিভেদের বিপক্ষে। যুগে যুগে, দেশে দেশে এটাই প্রমাণিত হয়েছে বারে বারে। পরবর্তীতেও বারে বারে বাংলাদেশ বিভেদকামী শক্তির মোকাবিলা করেছে।

সীমান্তের এ-পারে বসে সরকারি-বেসরকারি মিডিয়া সূত্রে যে খবর পাচ্ছি, তাতে একটি বিষয় স্পষ্ট, সম্প্রীতি রক্ষার নাগরিক আয়োজনগুলি প্রতিরোধহীন নয়। বিভেদকামীরাও সমান সক্রিয়। সে দেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, হামলাকারীদের বেশির ভাগই কিশোর, তরুণ। মনোজগতে উপনিবেশ স্থাপনের জন্য এই বয়সকাল অত্যন্ত উপযোগী। বিচার্য হল, উপনিবেশ স্থাপনের উদ্দেশ্য।

বাংলাদেশে আজকের রাজনীতিকদের বড় অংশ মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ছিলেন এই বয়সী তরুণ-তরুণী। সে সময়ে পাক সেনার হাতে ন’মাস গৃহবন্দি হয়েছিলেন সদ্য মা হওয়া বছর চব্বিশের তরুণী আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মুক্তিযুদ্ধের মূল সঙ্কল্পটি ছিল বাংলা ও বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা। সেই বাঙালিকে আজ হিন্দু ও মুসলিমে ভাগ করার জোরালো চেষ্টার শাখা-প্রশাখা কতটা পল্লবিত হয়েছে, তার আঁচ পাওয়া গেল সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া হামলার একাধিক ঘটনায়। তাই মুক্তিযুদ্ধের পঞ্চাশ বছরে আরও একটি মুক্তিযুদ্ধ জরুরি হয়ে পড়েছে বাংলাদেশে। তা হল বাংলা ও বাঙালির ঐক্য-সংহতি রক্ষা। তার জন্যে দরকার বাঙালি সংস্কৃতির আরও জোরদার অনুশীলন। ইদ, বাংলা নববর্ষ উদযাপনের পাশাপাশি দুর্গাপুজোও সেই অনুশীলনেরই অংশ।

বছর দু’য়েক আগে ঢাকায় ছায়ানটের অনুষ্ঠান-সহ সে দেশে নববর্ষ উদযাপনের নাগরিক উদ্যোগগুলি দেখার পর বাঙালি হিসাবে গর্ববোধ করার পাশাপাশি খানিক সংকোচ হয়েছিল এই ভেবে যে, সীমান্তের এ-পারে একই ভাষাভাষি আমরা কেন সমান উৎসাহ-উদ্দীপনায় মাততে পারি না! ধর্ম-সন্ত্রাসীদের হামলায় এবার পুজোর আনন্দ মাটি হয়ে গেলেও মনে রাখা দরকার বাংলাদেশে এ বছর যে ৩২ হাজার দুর্গাপুজো হয়েছে তার মধ্যে দু-হাজারটিই ছিল নতুন আয়োজন। সরকারের তরফে পুজো উদ্যোক্তাদের এবারও সাধ্যমতো আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। হতে পারে, সেই কারণেই সরকার-বিরোধী শক্তি দুর্গাপুজোকে টার্গেট করেছে। যদি সেটাই কারণ হয়ে থাকে তবে সরকার ও শাসকদলকে নিজেদের এই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো জরুরি, কই এত কাল তো দুর্গাপুজোর উপরে এমন সংগঠিত হামলা হয়নি?

নিজের দোষেই বাংলাদেশে বিরোধী দল আজ বলতে গেলে শয্যাশায়ী। কিন্তু মনে রাখা দরকার, রাজনৈতিক দল মৃতপ্রায় হলেই সরকারের বিরোধিতা থমকে থাকে না। শূন্যতা পূরণ করতে বিরোধী স্বরের অভিভাবক হয়ে ওঠে বিভেদকামী, ধর্মান্ধ শক্তি। দেশটির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে স্বাধীনতা-বিরোধী শক্তি সম্ভবত এই সুযোগে তাদের অস্তিত্ব রক্ষার পঞ্চাশতম বর্ষ উদ্যাপন করছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বঙ্গবন্ধুর অবদান এবং বাংলাদেশের অজর্নকে নস্যাৎ করার চেষ্টার মধ্যে দিয়ে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলার আসল অস্ত্র গণতান্ত্রিক পরিমণ্ডল। তাই গণতান্ত্রিক পরিসরকে প্রসারিত করা আশু কর্তব্য। পাছে কেউ অসন্তুষ্ট হন, এই দুর্ভাবনা থেকেই কি হাতে গোনা আর কয়েক জন ছাড়া কেউ তেমন ‘পূর্ব পাকিস্তান রাখিয়া দাঁড়াও’ স্লোগানটি স্মরণ করে জোরালো কণ্ঠে বলতে পারলেন না ‘বাংলাদেশ রুখিয়া দাঁড়াও’। একই সঙ্গে স্বীকার করি, প্রতিবাদ যতটুকু হয়েছে, আজও হচ্ছে, প্রতিবেশী হিসাবে আমাদের তা থেকেও শিক্ষা নেওয়ার আছে। সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবাদী হয়ে রাষ্ট্রের রোষে পড়ার ঝুঁকি এড়াতে সম্প্রীতির লোক দেখানো চাদর বিছিয়ে দেওয়াই এপারের রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাম্প্রতিক ঘটনাকে হাতিয়ার করে শুধু বাংলাদেশের প্রতি জ্ঞানবর্ষণ নিছকই ছেলেমানুষি বাহাদুরি করা হবে। সে দেশে সংখ্যালঘুদের উপরে নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদে এ-পারে যাঁরা সীমান্তে গিয়ে শুয়ে পড়ার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, তাঁদের খেয়াল রাখা দরকার, নিজের দেশে তাঁরা সংখ্যালঘুদের প্রতি কেমন আচরণ করছেন। সংখ্যালঘুদের আচার-অনুষ্ঠান, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক–সব কিছুকেই আজ পদে পদে নিশানা করা হচ্ছে এ দেশে।

বাংলাদেশে হালে যে ঘটনা দেশের নানা প্রান্তে ঘটে গেল, পাকিস্তানে প্রায়ই তা ঘটে। তা নিয়ে প্রতিবাদও থেমে থাকে না। কিন্তু রাষ্ট্রের মুখ হয়ে ওঠা কারও কাছ থেকে একদা অখণ্ড ভারতের ওই দুই দেশের নাগরিকদের অন্তত শুনতে হয়নি, ‘পোশাক দেখেই চেনা যায় প্রতিবাদী কারা’ মার্কা ধর্মীয় ঘৃণা-উদ্রেককারী মন্তব্য। কিংবা কাউকে বলতে শোনা যায়নি, ‘এতকাল শুধু ভাইজান বলা লোকেদেরই রেশনে ভালোমন্দ দেওয়া হত’ জাতীয় সমাজ-সম্প্রদায়ে বিভেদ সৃষ্টিকারী কথা।

শুধু আজ নয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী বিগত পঞ্চাশ বছরের শেষ তিরিশ বছরে তার প্রধান প্রতিবেশী ভারতের অভ্যন্তরীণ ঘটনাবলী কোন খাতে বয়েছে–পিছনে ফিরে তাও দেখে নেওয়া জরুরি আমাদের। গোটা দেশকে সাক্ষী রেখে ধর্মান্ধ কিছু মানুষ একটা সাড়ে পাঁচশ বছরের পুরনো সৌধকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এদেশে। সেদিন মূক-বধির হয়ে থেকেছিল রাষ্ট্রযন্ত্র। আবার আইনি লড়াইয়ে সৌধের জায়গাটিতে মন্দির নির্মাণের ছাড়পত্র পাওয়া মাত্র করোনাকালে গোটা দেশকে ঘরবন্দি রেখে যাবতীয় সুরক্ষাবিধি উপেক্ষা করে সে কাজ শুরু করে দেওয়া হল! কিন্তু মসজিদ ভাঙার ঘটনায় আদালত এক জনকেও দোষী সাব্যস্ত করতে পারল না সরকারি পেয়াদাদের কারসাজিতেই। গরুর মাংস খাওয়ার উপরে রাজ্যে-রাজ্যে নিষেধাজ্ঞা জারি, লাভ জিহাদের রটনায় একুশে আইন বানানো, এমনকী বেদখল সরকারি জমি পুনরুদ্ধারেও বাছাই করে সংখ্যালঘুদেরই টার্গেট করা হচ্ছে। আর কথায় কথায় মুসলিমদের পাকিস্তানে চলে যেতে বলা তো কুকুর-বেড়াল খেদানোর মতোই হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই তো পুজোর কয়েক মাস আগে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রীকে ‘বেগম’, ‘খালা’ বলে কটাক্ষ করার মধ্যেও সেই সংখ্যালঘুদের প্রতি ঘৃণা বর্ষণই হয়েছে।

হয়তো সেই কারণেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাঁর দেশে সংখ্যালঘু নিপীড়নের ঘটনায় কালক্ষেপ না করে প্রতিবেশী দেশের কাছে সংযম প্রত্যাশা করে বিবৃতি দিয়েছেন। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপরে হামলা, তাদের প্রধান উৎসবটিকে বানচাল করে দেওয়ার ঘটনার নিন্দার ভাষা নেই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে রক্ষা করতে শেখ হাসিনার সরকারকে এর প্রতিকার করতেই হবে। কিন্তু এ-পারে সংখ্যাগুরুদের স্বঘোষিত মাতব্বরেরা শোধরাবেন কি?

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্যপত্রিকা সুখপাঠ 

You might also like