Latest News

Religious Killing: ‘মুসলিম’ সন্দেহে পিটিয়ে খুন, গৃহযুদ্ধ ডেকে আনছি না তো!

অমল সরকার

‘কেয়া নাম হ্যায় তেরা? মহম্মদ! আধার কার্ড নিকাল। নিকাল আধার কার্ড।’

মিনিট খানেকের ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, এক পৌঢ়কে এই বলে চড়-থাপ্পড় মারছে এক যুবক। নামটা তৎক্ষণাৎ বলে দিলে হয়তো এভাবে মরতে হত না ভাঁওয়ারলাল জৈনকে। বরং উল্টোটাও হতে পারত। কিন্তু তিনি যে মানসিক ভারসাম্যহীন!

তবে মেরে ফেলার (Religious killing) আগে তাঁর আসল পরিচয় জানা গেলে ভবঘুরে মানুষটাকে হয়তো পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা হতো। যে লোকটা ‘আধার কার্ড নিকাল। নিকাল আধার কার্ড’ বলে চড়-থাপ্পড় মারছিল, সেই-ই হয়তো সদয় হয়ে প্রৌঢ়ের পকেটে কিছু টাকাপয়সা গুঁজে দিত। আফটার অল লোকটা তো ‘হিন্দু’। সেই ধর্মপরিচয় নিশ্চিত করা গেল না বলেই মরতে হল তাঁকে।

মধ্যপ্রদেশের জনৈক ভাঁওয়ারলাল জৈনের মর্মান্তিক মৃত্যুর খবরে আমরা সকলে চিন্তিত। আসলে মৃত্যুর মতো অন্তিম কিছু ঘটে না গেলে আমরা খুব একটা নড়েচড়ে বসি না। দেশের বড় অংশের মানুষ, নিরীহ সাধারণ নাগরিক, তাঁরাও কিন্তু মধ্যপ্রদেশের ওই বিজেপি কর্মকর্তার মতো এখন এই প্রশ্নটাই মনে মনে বয়ে বেড়ায়, লোকটা হিন্দু না মুসলিম?

একটু পিছনের দিকে যাওয়া যাক। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। মধ্যপ্রদেশের ঘটনাটির সঙ্গে খানিকটা হলেও মিল আছে।

এক সন্ধ্যার নৈহাটি লোকালের কামরায় একদল যুবক সহযাত্রী দুই তরুণীর উদ্দেশে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি আর কুমন্তব্য করছে। ঘটনাচক্রে সেই যুবকরা ছিল অবাঙালি, টিটাগড়ের বাসিন্দা। নিত্যযাত্রী হওয়ায় সহযাত্রীরা অনেককেই তাদের মুখ চিনতেন, গন্তব্য জানতেন। উশৃংঙ্খলতা মাত্রা ছাড়ালে যাত্রীদের কয়েকজন প্রতিবাদ করলেন। ঘটনাচক্রে, প্রতিবাদকারীরা বাঙালি। তাদেরই একজনের মন্তব্য, ‘আর কতদিন এসব মুখ বুজে সহ্য করব আমরা? ঘাড়ধাক্কা দিয়ে এদের পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত।’

Image - Religious Killing: ‘মুসলিম’ সন্দেহে পিটিয়ে খুন, গৃহযুদ্ধ ডেকে আনছি না তো!

প্রতিবাদে গলা মেলালেন আরও কয়েকজন। কথা কাটাকাটি হাতাহাতিতে গড়াল। শেষে প্রায় গণধোলাইয়ের শিকার হল সেই যুবকরা। এর পরে ট্রেন টিটাগড়ের কাছাকাছি পৌঁছতে সেই যুবকদেরই একজন গলা চড়িয়ে বলে উঠল, ‘আপলোগ কেয়া সোচতে হ্যায়? হামলোগ ভি হিন্দু হ্যায়।’

কথাটা যেন ট্রেনের গোটা কামরাকে মরমে বিঁধল। মুহূর্তে পরিস্থিতি গেল বদলে। যারা ওদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলছিলেন তাদেরই একজন হঠাৎ দরদী। বললেন, ‘ছেড়ে দিন, ছেড়ে দিন, আর মারবেন না। এসব বয়সকালের অসুখ।’

ঘটনাটি ১৯৯৪ সালের। প্রায় তিন দশক আগের। ধর্মীয় বিদ্বেষ, বিভাজনের মনোজগতে উপনিবেশ নতুন নয়। তবে চলন্ত ট্রেনে বিচারশালা বসানো এবং সহযাত্রী মহিলাদের লাঞ্ছনার ঘটনায় অভিযুক্তদের ধর্ম পরিচয়কে মানদণ্ড করে তোলার মত বিভাজনের দৃষ্টান্ত বাবরি মসজিদ ধ্বংস পরবর্তী সময়ে অগুনতি।

সেই সব দিনে ট্রেনের কামরায়, বাড়ির দেওয়ালে, পোস্টার, ব্যানারে, গাড়ির উইন্ড স্ক্রিনে জ্বলজ্বল করত ‘জয় শ্রীরাম’, ‘গর্ব সে কহো হাম সব হিন্দু হ্যায়’– এইসব স্লোগান। বাবরি ধ্বংসের কৃতিত্ব দাবি করে গর্ব করে বলা হতে লাগল, ‘এ তো সিরফ্ ঝাঁকি হ্যায়, মথুরা, কাশী বাকি হ্যায়।’

সেই কাশী বা বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদ, মথুরার শাহী ঈদগা মসজিদ ঘিরে আইনি লড়াই শুরু হয়ে গেছে। তার পরিণতি কী হবে, কেউ জানে না। কিন্তু শঙ্কার মেঘ জমতে শুরু করেছে। বিগত কয়েক বছরে এই দুই মসজিদ নিয়ে একের পর এক মামলা দায়ের হয়েছে আদালতে।

লক্ষ্যণীয় হল, বাবরি ধ্বংস পর্বে আইন-আদালতে যাদের ঘোর অনাস্থা, আদালত কিছু করবে না ধরে নিয়ে যারা ঘণ্টা কয়েকের মধ্যে সাড়ে পাঁচশো বছরের পুরনো একটি নির্মাণকে হাতুড়ি পেটা করে মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছিল, আজ তাদেরই আইন-আদালতের প্রতি ঘোর আস্থা। হওয়াই স্বাভাবিক। আইনি লড়াইয়ের বন্ধ দরজা আদালত খুলে দিচ্ছে যে। জ্ঞানবাপীর চত্ত্বরে হিন্দু মন্দিরের নিদর্শনের খোঁজে নিম্ন আদালতের দেওয়া সমীক্ষার আদেশ সুপ্রিম কোর্টও বহাল রেখেছে।

মসজিদ কমিটি নিম্ন আদালতের নির্দেশ খারিজে ১৯৯১ সালের উপাসনাস্থল আইনটিকে রক্ষাকবচ করেছিল। যে আইনে বলা হয়েছে, ১৯৪৭-এর ১৫ অগাস্ট, অর্থাৎ স্বাধীনতা প্রাপ্তির দিনে যে উপাসনাস্থলের কাঠামো এবং চরিত্র যা ছিল তাই থাকবে। কোনও পরিবর্তন করা যাবে না।

বারাণসীর কাশী-বিশ্বনাথ মন্দির ও জ্ঞানবাপীর ইতিহাস ঘিরে বিবাদের কথা সকলের জানা। সে কথা মাথায় রেখেই সংসদ ’৯১ সালে ওই আইনটিতে সম্মতি দিয়েছিল। জ্ঞানবাপীর মামলায় সেই আইনের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বলেছেন, ‘ওই আইনে ধর্মস্থানের চরিত্র নির্ধারণে কোনও বাধা নেই।’ ফলে বিবাদের ইতিহাসকে আইনি লড়াইয়ে টেনে আনার আরও একটি রাস্তা খোলা হয়ে গেল। যে প্রশ্নের জবাব মিলছে না, বিচারপতিকেও যা নাড়া দেয়নি, তা হল, চরিত্র নির্ধারণেই কি থেমে যাবে বিবাদ?

মথুরায় শ্রীকৃষ্ণজন্মভূমি থেকে মসজিদ সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে হওয়া মামলা নিয়ে নিম্ন আদালত বহুদিন উচ্চবাচ্য করেনি। গত পরশুই সেই মামলাতেও সায় দিয়েছে মথুরার জেলা আদালত। অর্থাৎ, হিন্দুত্ববাদীরা আরও কয়েক কদম এগোলেন। তাঁদের ঘোষণা মতো বলা যায়, অযোধ্যার পর এবার কাশী ও মথুরায় ‘ঝাঁকি’ আসন্ন।

অবশ্য, অযোধ্যা রায়ের পর এটাই হওয়ার ছিল। সেখানে মন্দির-মসজিদ বিবাদের আইনি সমাপ্তি ঘোষণা করে স্বাধীন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিতর্কিত স্থানে রাম মন্দির তৈরিতে সায় দিয়েছে। আড়াইশো বছর আগে হওয়া মামলাটির শুরুতে পরাধীন দেশে সাহেব ম্যাজিস্ট্রেট কিন্তু মন্দির-মসজিদ বিবাদ শোনার আর্জি পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছিলেন। তাঁর যুক্তি ছিল, একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক বিবাদ এত বছর পর আদালতের বিচার্য হতে পারে না। আর আজ স্বাধীন দেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা উল্লসিত। তারা মনে করছে, বিচারালয় থেকেই মিলতে পারে কাঙ্ক্ষিত ফল।

কিন্তু মামলা, বিবাদ কি অযোধ্যা-কাশী-মথুরাতেই থেমে যাবে? বিভেদের মধ্যে ঐক্যের যে কথা আমরা বলি, আমার, আপনার ঘরের পাশে অসংখ্য মন্দির-মসজির-গির্জা-গুরুদ্বারের সহাবস্থান তার অন্যতম নিদর্শন। কে বলতে পারে, এরপর সেগুলিও একের পর এক মামলায় জড়াবে না! আওয়াজ উঠবে না, ‘মন্দির হটাও’, ‘মসজিদ হটাও’।

ফিরে যাই মধ্যপ্রদেশের ঘটনাটিতে। ছেলেধরা, চোর, ডাকাত, ছিনতাইবাজ, এমনকী ডাইনি সন্দেহে খুনের কথা আমরা জানি। ওই সব চেনা অপরাধে অনেকটাই লাগাম দেওয়া গিয়েছে। কিন্তু স্রেফ সন্দেহ করে খুন করার তালিকায় যুক্ত করা হচ্ছে মুসলিমদের। চোর-ডাকাত-ডাইনির সঙ্গে এক বন্ধনীতে রাখা হচ্ছে একটি ধর্মীয় জনগোষ্ঠীকে।

মধ্যপ্রদেশের ঘটনাটির মতো মহম্মদ বা মুসলিম বলে, অথবা মুসলিম সন্দেহে হত্যা, বাড়িতে গো-মাংস রাখার অভিযাগে মহম্মদ আখলাককে পিটিয়ে মারার ঘটনার মতো হইচই সব ক্ষেত্রে হয় না। ঘটনা তাতে থেমে থাকে না। কেউ চাষের কাজে ব্যবহারের জন্য গরু কিনে ফেরার পথে গণপিটুনির শিকার হয়েছেন, কখনও বা পরিচিত গরু ব্যবসায়ীকে ছেলেধরা বলে মেরে দেওয়া হয়েছে। ফরিদাবাদের জুনেদ খানের কথা নিশ্চয়ই মনে আছে। ইদের বাজার করে ট্রেনে বাড়ি ফেরার পথে মুসলিম পরিচিতির কারণে সাজানো জনরোষের শিকার হয়েছিলেন তিনি। ঘটনা হল, কোনও রাজ্য বড় মুখ করে দাবি করতে পারবে না, অপরাধের এই নয়া প্রবণতা থেকে তারা মুক্ত।

বিগত কয়েক মাসে হিজাবে নিষেধাজ্ঞা, হিন্দুদের মেলায় মুসলিমদের স্টল দিতে বাধা দেওয়া ইত্যাদি নানা ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা দেশে খবরের শিরোনামে উঠেছে দক্ষিণী রাজ্য কর্নাটকের নাম। ভোটমুখী রাজ্যে শাসক দল ও সরকারের ধর্মীয় মেরুকরণের মতলব ছোট শিশুটিও এখন বোঝে।

সেই কর্নাটক নিয়ে একটি ভিন্ন আঙ্গিকের সমীক্ষার ফলাফল চমকে দেওয়ার মতো। হিজাব, ইত্যাদি বিতর্ক শুরুর অনেক আগে কর্নাটকের উপকূলীয় এলাকায় ওই রাজ্যের কয়েকজন ভোট বিশ্লেষকের চারমাস ধরে করা সমীক্ষার সদ্য প্রকাশিত রিপোর্ট বলছে, সেখানকার নাগরিকদের ৯৬ শতাংশই ধর্মীয় মেরুকরণে আচ্ছন্ন। অর্থাৎ ভোটের বাক্সে জনরায়ের যে প্রতিফলন উঠে আসবে, তাতে অন্যতম নির্ধারক হবে ধর্মীয় বিভেদ, বিদ্বেষ। ওই সমীক্ষায় আরও জানা গিয়েছে, মৌলবাদী ভাবনাচিন্তায় আচ্ছন্ন সেখানকার ৯০ ভাগ নাগরিক।

সমীক্ষা আরও বলছে, অজান্তে জনমনে মেরুকরণের এই অভিযানে বড় ভূমিকা পালন করেছে সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপ। দীর্ঘ সময় ধরে গোপনে তৈরি ধর্মীয় সমীকরণের সাফল্য-ব্যর্থতা খানিকটা বোধহয় হিজাব বিতর্ক, বিবাদ থেকে বুঝে নিল গেরুয়া শিবির। হয়তো সেই কারণেই হঠাৎ করে কলেজ পড়ুয়াদের ইউনিফর্ম বাধ্যতামূলক করার নিদান।

রাজনীতিতে মেরুকরণ নতুন নয়। বরং রাজনীতি মানেই মেরুকরণ। সেটা অবশ্যই নীতি-আদর্শের। অনেক সময়ই তা যুক্তিতর্কের ধার ধারে না, এও সত্য। একটা সময় মানুষ চোখ-কান বুজে কংগ্রেসের প্রতীকে ছাপ দিত। বামপন্থীরাও তাঁদের নীতি-আদর্শের প্রতি সাধারণ মানুষের আনুগত্য, সমর্থনের কারণে বছরের বছরের পর ভোটের বাক্সে বাজিমাত করেছেন। সেই জায়গায় গেরুয়া শিবিরের কর্মসূচি আঁকড়ে বিজেপি মেরুকরণে হাতিয়ার করেছে ধর্মকে। তাদের রাজনীতির নির্বাচনী সাফল্য স্বীকার করে নিয়েও তাই বলতে হয়, এই লক্ষ্য অর্জনের মধ্যে চমক এবং বাহাদুরি, কোনওটাই নেই।

উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ ভোটের মুখে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, রাজ্যের কুড়ি ভাগ সংখ্যালঘুর ভোট নিয়ে তিনি মোটেই ভাবিত নন। কারণ আশি ভাগ সংখ্যাগুরুর সমর্থন পাওয়া নিয়ে তাঁর কোনও সংশয় ছিল না। ৩২৫ আসনের বিধানসভার ভোটে বিজেপির প্রার্থী তালিকায় একজনও মুসলিম প্রার্থী না থাকা নিয়ে অমিত শাহের তাৎপর্যপূর্ণ জবাব ছিল, আমরা যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই করি, ধর্মের ভিত্তিতে নয়। অর্থাৎ উত্তরপ্রদেশের পাঁচ কোটি মুসলিমের একজনকেও বিজেপির প্রার্থী হওয়ার মতো যোগ্য মনে করেনি। বিভাজনের এই রাজনীতিতে বিজেপি সফল বলেই ৩৫ বছর পর উত্তরপ্রদেশে কোনও সরকার একটানা দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় থাকতে পারল এবং যোগী ফের মুখ্যমন্ত্রী।

কিন্তু বিগত কয়েক বছরে ধর্মীয় সংখ্যালঘু, বিশেষ করে মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের যে ঘটনাগুলি ঘটছে তা নিছক ভোটের লক্ষ্যপূরণে মেরুকরণের রাজনীতি বলে ধরে নিলে ভুল হবে। বরং নানাভাবে সংখ্যালঘুদের পেশা, স্বাধীন জীবনযাপনকে টার্গেট করা হচ্ছে। বিপন্ন করে তোলা হচ্ছে তাদের অস্তিত্ব। পয়লা লক্ষ্য মুসলিমরা। তাই কেরলে বিদ্বেষের রাজনীতির নয়া ল্যাবরেটরি করে তোলা হচ্ছে মুসলিমদের বিরুদ্ধে খ্রিস্টানদের খেপিয়ে তুলে। অন্যদিকে, কখনও হরিদ্বার, কখনও দিল্লির ধর্ম সংসদ থেকে মুসলিমদের হত্যা, নিকেষ করার ডাক দেওয়া হচ্ছে। অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন সাধুসন্তরা।

আর আশ্চর্য নীরবতা পালন করছে রাষ্ট্র। সে শুধু খুঁজে বেড়াচ্ছে, রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে কাকে, কীভাবে জেলে পুরে দেওয়া যায়। সংখ্যালঘুদের প্রতি সংঘঠিত হিংসা, বিদ্বেষ, ঘৃণা বর্ষণের ঘটনায় সরকারি মহল থেকে অনুশোচনা, নিন্দা, সমালোচনা কিছুই শোনা যাচ্ছে না। এইভাবে দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে না তো? সেই দিন ডেকে আনা হচ্ছে না তো, যেদিন মহম্মদ এবং ভাঁওয়ারলাল জৈন— কেউই রক্ষা পাবেন না!

হিন্দুত্বের প্রশ্নে নীরব, কংগ্রেস কি বিজেপির বি-টিমই থেকে যাবে?

You might also like