Latest News

তিনি নরেন্দ্র মোদী, বিজেপির ইন্দিরা

অমল সরকার

অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করাতে মুখ্যমন্ত্রী এনটি রামারাও তখন আমেরিকায়। সেখানেই খবর পেলেন তিনি আর মুখ্যমন্ত্রী নন। তাঁর চেয়ারে বসে পড়েছেন অর্থমন্ত্রী বিজয় ভাস্কর রেড্ডি।মুখ্যমন্ত্রীর বিদেশ সফরকেই ক্ষমতা দখলের মোক্ষম সময় হিসেবে বেছে নিয়েছিল মদতদাতা কংগ্রেস।দিল্লি থেকে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী (Indira Gandhi) আসল কাজটি সেরে রেখেছিলেন আগেভাগেই, ঠাকুরলাল রাম নামে এক বশংবদকে রাজ্যপালের চেয়ারে বসিয়ে দিয়ে।

Image - তিনি নরেন্দ্র মোদী, বিজেপির ইন্দিরা

সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের ঘটনাবলি থেকে স্পষ্ট, ৩৮ বছর আগে একটি আঞ্চলিক দলের সরকারের মধ্যে ভাঙন ধরিয়ে সেই দলেরই পুতুল সরকার তৈরিতে কেন্দ্রীয় সরকারের কলকাঠি নাড়ার ঘটনাটি আজকের ভারতেও কতটা ঘোর বাস্তব। সেদিনের রামারাওয়ের মতো মহারাষ্ট্রে ক্ষমতাচ্যুত মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা, দলের অন্দরের ক্ষোভ হয়তো তিনি বুঝতে পারেননি, অথবা গুরুত্ব দেননি।

চিকিৎসা শেষে রামারাও হায়দরাবাদে বিমান থেকে নামেন কালো পোশাক পরে। বিমান বন্দর থেকেই ধর্মযুদ্ধের ডাক দিয়ে রাজ্যব্যাপী পদযাত্রা শুরু করেন। তার আগেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে রাস্তায় নামে বিজেপি, সিপিএম, সিপিআই। মহারাষ্ট্রের ক্ষেত্রে কিন্তু তা দেখা গেল না। যত লড়াই, আদালতে হল। ফলে অন্ধ্রের বাকি পর্বের সঙ্গে মহারাষ্ট্রের মিল হবে কিনা, তা বলা মুশকিল। তুমুল জনবিক্ষোভের মুখে ৩১ দিনের মাথায় বিদায় নিতে হয় বিজয় ভাস্করকে। মুখ্যমন্ত্রীর গদি ছাড়ার পর রাজনৈতিক আশ্রয় পান কংগ্রেসে।

ইন্দিরা নিজের দলের সরকারকেও রেহাই দিতেন না। মিউজিক্যাল চেয়ারে আসন হারানোর মতো কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রীদের গদি যেত। চাকরির ইন্টারভিউতে তাই লোক ঠকানো জনপ্রিয় প্রশ্ন ছিল, কংগ্রেস শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নাম জানতে চাওয়া। বেশিরভাগেরাই সঠিক উত্তর দিতে পারতেন না।

বছর খানেক আগে সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি যেন এই বিষয়েই এস ওয়াজেদ আলির ‘সেই ট্রাডিশন সমানে চলেছে’ কথাটি স্মরণ করিয়ে দিলেন। কর্নাটক, হিমাচলপ্রদেশের পর গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বদলের তোড়জোড় চলছে তখন। প্রয়াত অটল বিহারী বাজপেয়ীর রাজনীতির কঠিন কথা রসিকতার ছলে বলার দুর্লভ গুণটি আছে গড়কড়িরও। এক সভায় তিনি তখন একগাল হেসে বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীরা সব আতঙ্কে ভোগেন, কখন কার পদ খোয়া যায়।’

দিল্লির শাসন, শাসানির ট্র্যাডিশন রক্ষায় মোদী-শাহর (Narendra Modi) জমানা যে ইন্দিরার সময়ের থেকে কম যায় না, মহারাষ্ট্রে নতুন সরকার গঠন পর্বে তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মহারাষ্ট্রে তাদের দু’বারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশকে শিবসেনার বিদ্রোহী ৩৯ বিধায়কের নেতা একনাথ শিন্ডের অধীনে উপমুখ্যমন্ত্রী হওয়ার হুকুম জারি করে। ফড়নবিশ হাসিমুখেই মেনে নিয়েছিলেন এ যাত্রায় তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী না করার সিদ্ধান্ত। কারণ, ২০১৯ সালে তাঁর গায়ে একবার দল ভাঙিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার কলঙ্ক লেগেছে। কিন্তু তিনি শিন্ডের মন্ত্রিসভায় যোগ দেবেন না বলার পরেও যেভাবে ফড়নবিশের উপমুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সিদ্ধান্ত বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা টুইটে ঘোষণা করেছেন, তাতে এই বার্তা স্পষ্ট, শেষ কথা বলবে দিল্লি। অর্থাৎ, সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলেছে।

আড়াই বছর পরে মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায় ফেরায় গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বিজেপি রাজ্য দফতরে ‘মিষ্টি মুখ’ অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছিল। ফড়নবিশের সেই অনুষ্ঠানে যোগ না দেওয়া ছিল পাত্র-পাত্রী ছাড়া বিয়ের অনুষ্ঠান উদযাপনের মতো। সবাই একবাক্যে স্বীকার করে, শিবসেনায় ভাঙন ধরানোর কাজটি কী নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন মাঝবয়সি এই নেতা। তার পরেও নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহ-জেপি নাড্ডারা কেন তাঁকে শিন্ডের অধীনে উপমুখ্যমন্ত্রী হতে বাধ্য করে বেইজ্জত করলেন, তা নিয়ে দলের মধ্যে তোলপাড় চলছে।

কারণটা বোঝার জন্য যদিও কোনও গবেষণার প্রয়োজন পড়ে না। নরেন্দ্র মোদী একদিকে কংগ্রেসমুক্ত ভারতের কথা বলছেন। অন্যদিকে, আকঁড়ে ধরছেন কংগ্রেসি সংস্কৃতিকে। প্রতিবার ২৫ জুন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জরুরি অবস্থার কালো দিনগুলির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। এবার মুখ খুলেছেন পরের দিন। কারণ ইন্দিরা গান্ধীর জমানার সেই কালো সিদ্ধান্তের ৪৭তম বর্ষে পদার্পণের দিনটি মোদীর বিজেপি এবার উদযাপন করেছে তড়িঘড়ি সমাজকর্মী তিস্তা সেতলাবাদকে গ্রেফতার করে। দু’দিন পরে সাংবাদিক মহম্মদ জুবেইরকে গ্রেফতারির কারণটি জানার পর আর সন্দেহ থাকার কথা নয়, জরুরি অবস্থা জারির জন্য মাঝরাতে রাষ্ট্রপতির নামে বিজ্ঞপ্তি জারির প্রয়োজন পড়ে না।

১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থা চলাকালীন ইন্দিরার ভারতের সঙ্গে আজকের মোদীর ভারতের মিল আছে কি? ৪৭ বছর আগের সেই অন্ধকারময় দিনগুলির কথা ভুলে যাওয়া অপরাধ হবে। কিন্তু এই সত্যও ভুলে গেলে চলবে না, যে জরুরি অবস্থা পরবর্তী ভারতে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পরিমণ্ডল রক্ষায় যা কিছু অর্জন তার অনেকটাই বিগত আট বছরে নির্মূল হয়ে গিয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে টিএম শেসনের চেয়ারে সুনীল অরোরার মতো মানুষের অধিষ্ঠান আলো থেকে অন্ধকারের পথে যাত্রা। আর তাঁবেদারদের অবসর পরবর্তী সুবিধা পাইয়ে দিতেই টিকিয়ে রাখা হয়েছে বাকি কমিশনগুলি। আজকের মতো বোবা-কালা মানবাধিকার কমিশন আগে আসেনি।

বস্তুত, ইন্দিরার কৌশলেই দেশ ও দল চালাচ্ছে মোদী-শাহ জুটি। ইন্দিরা, রাজীবদের মতো বিরোধী দল শাসিত সরকারের সঙ্গে প্রতি মুহূর্তে অসহযোগিতা, সুযোগ বুঝে সরকার কেড়ে নেওয়ার মতোই নিজের দলেও দিল্লির শাসন কায়েম করছেন তাঁরা। অন্যদিকে, দল শাসিত রাজ্যে কথায় কথায় মুখ্যমন্ত্রী বদল মোদী-শাহর অন্যতম কর্মসূচি। আবার ফড়নবিশের মতো আঞ্চলিক নেতার বেশি নাম-ডাক হয়ে গেলে ডানা ছাঁটতে কালক্ষেপ করেন না। যেমন কংগ্রেসের তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী স্বাধীনতা সংগ্রামী বসন্তদাদা পাতিলের সঙ্গে করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। আর সনিয়ার কুনজরে পড়ে দলই ছাড়তে হয় ওই রাজ্যের আরও এক তিনবারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শরদ পাওয়ারকে। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝেছিলেন, কংগ্রেসে থেকে তিনি বেশি দূর এগোতে পারবেন না। কারণ, রাজ্য নেতার গলাবাজি পছন্দ নয় কংগ্রেসের।

কে না জানে, ফড়নবিশই এখন মহারাষ্ট্র বিজেপির প্রধান মুখ। একটা পর্যায়ে রাজ্য-রাজনীতিতে নিজেকে এই পর্যায়ে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন নীতিন গড়কড়ি। কিন্তু দলের সর্বভারতীয় সভাপতি পদ যাওয়ার পর তাঁকে যেমন আর নিজের রাজ্যে ফিরতে দেওয়া হয়নি, তেমনই মোদীর মন্ত্রিসভায় দলের এই প্রাক্তন সভাপতির রাজনৈতিক গুরুত্ব নজরে পড়ে না। রাজনীতির পাটিগণিত মেনে চললে, ২০১৪-তে তাঁরই মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার কথা ছিল। তাঁর যাত্রা ভঙ্গ করতেই এগিয়ে দেওয়া হয়েছিল ফড়নবিশকে। একই অঙ্কে উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ, গোয়ায় প্রমোদ সায়ন্ত, ঝাড়খণ্ডে রঘুবর দাস (প্রাক্তন মুখ্যন্ত্রী), অসমে হিমন্ত বিশ্বশর্মাদের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানোর পাশাপাশি, কর্নাটকে বিএস ইয়েদুরাপ্পাকে সরিয়ে বাসবরাজ বোম্নাইকে, গুজরাতে বিজয় রূপাণিক আনকোরা ভূপেন্দ্র প্যাটেলকে আনার আসল কারণ রাজ্যে রাজ্যে দলে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বিদের অকেজো করে দেওয়া। মধ্যপ্রদেশের প্রবীণ শিবরাজ সিং চৌহান টিকে আছেন বটে। কিন্তু তাঁকে উপ রাষ্ট্রপতি করে দিয়ে রাজনৈতির বনবাসে পাঠিয়ে দেওয়া অসম্ভব নয়।

২০০০ সালে উত্তরপ্রদেশ ভেঙে তৈরি হওয়া উত্তরাখণ্ডে এ পর্যন্ত ১০ জন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। তাঁদের সাত জনই বিজেপির। পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করতে পেরেছিলেন একমাত্র কংগ্রেসের প্রয়াত নারায়ণ দত্ত তেওয়ারি। বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীদের কারও কারও মাত্র কয়েক মাস মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার সৌভাগ্য হয়েছে।

২০১৪ সালে মোদী-শাহ জমানা শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিজেপি এ পর্যন্ত ২০ জন মুখ্যমন্ত্রীর আটজনকে মাঝপথে সরিয়েছে। বাদ যায়নি মোদী-শাহদের রাজ্য গুজরাতও। মুখ্যমন্ত্রী পদে শুধু নতুন মুখ আনাই নয়, বসানো হচ্ছে কমবয়সিদের। যাতে অদূর ভবিষ্যতে মোদীর মতো কোনও রাজ্যের চারবারের মুখ্যমন্ত্রী যাতে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ না পান।

বাজপেয়ী-আদবানির জমানার সঙ্গে এখনকার ফারাক হল তখন দিল্লিতেও সুষমা স্বরাজ, মুরলীমনোহর যোশী, রাজনাথ, আরও আগে প্রমোদ মহাজনেরা বেশ গুরুত্ব পেতেন। আঞ্চলিক মুখ ছিলেন দলের মুখ্যমন্ত্রী, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, প্রদেশ সভাপতিরা। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী থেকে উপরাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন ভৈঁরো সিং শেখাওয়াত। সেই রাজস্থানের আর এক প্রাক্তন বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া বহুদিন পর হায়দরাবাদে দলের কর্মসমিতির বৈঠকে একটি সাংবাদিক বৈঠক করার সুযোগ পেয়েছেন।

ইন্দিরা জমানায় উত্তর প্রদেশ, বিহার, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং অন্ধ্রপ্রদেশের অবস্থা ছিল অনেকটা মোদী-অমিত শাহ জমানার গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের মতো। ১৯৮০ থেকে ১৯৮৯ সালের মধ্যে উত্তরপ্রদেশে পাঁচবার মুখ্যমন্ত্রী বদল করে কংগ্রেস হাইকমান্ড, মানে ইন্দিরা-রাজীব।

শরদ পাওয়ার তাঁর ‘অন মাই টার্মস, ফ্রম দ্য গ্রাসরুটস টু দ্য করিডোরস অফ পাওয়ার’ বইয়ে লিখেছেন, ১৯৯১ সালে রাজীব গান্ধীর মর্মান্তিক মৃত্যুর পরে তিনি যে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেননি, তাঁর একমাত্র কারণ সনিয়া গান্ধীর পছন্দের মানুষ হতে না পারা। আর কে না জানে, সনিয়া গান্ধী চাননি বলেই ২০০৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেনি প্রণব মুখোপাধ্যায়। দশ বছর তাঁকে কাজ করতে হয়েছে যোজনা কমিশনে, তাঁর জুনিয়র হিসাবে কাজ করা, রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ মনমোহন সিংয়ের অধীনে।

কংগ্রেসের এই হাইকমান্ড কালচারের কারণেই উত্তরপ্রদেশে একটা সময় চন্দ্রশেখর, চরণ সিং, অনেক পরে তামিলনাডুতে জিকে মুপানার, অন্ধ্রপ্রদেশে রাজশেখর রেড্ডি, বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা আঞ্চলিক দল গড়তে বাধ্য হয়েছেন। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, বাংলা, ওড়িশায় কংগ্রেসের মুছে যাওয়ার কারণও সেই হাইকমান্ডের খবরদারি। তারও আগের ইন্দিরা দলে তাঁর বিরোধীদের রাজনৈতিকভাবে কোতল করতে শুরু করার কারণেই জন্ম হয়েছিল জনতা পার্টির। তার পরেও মোরারজি দেশাই, জগজীবন রাম, চরণ সিং, চন্দ্রশেখর জর্জ ফার্নান্ডেজ, বিজু পট্টনায়েকের মতো নেতারা সর্বভারতীয় রাজনীতিতে উজ্জ্বল ছিলেন। এখন সে সবের বালাই নেই। বিজেপি মানে মোদী-শাহ, আর ভাঙতে ভাঙতে কংগ্রেসেই একপ্রকার একা হওয়ার জোগাড় সনিয়া-রাহুলের।

কংগ্রেসের মতো বিজেপিতে এখনও কোনও আঞ্চলিক স্বর মাথা তোলেনি। কংগ্রেস স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছে। নেহেরুর মতো স্মরণীয় স্বাধীনতা সংগ্রামীর মেয়ে ইন্দিরা। তাঁর সিদ্ধান্তের বিরোধিতাকে কংগ্রেস হাইকমান্ড হামেশাই দেশবিরোধী বলে দেগে দিত। বিজেপিতে মোদী-শাহের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদের নামান্তর হবে দেশ এবং হিন্দুত্বের বিরোধিতা তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

মোদী দলেও কি সবকা সাথ?

You might also like