শুক্রবার, মে ২৪

সব হতে আপন

অনিতা অগ্নিহোত্রী

প্রেসিডেন্সী কলেজে অর্থনীতি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর অর্থনীতির পাঠ শেষ করে চলে গিয়েছিলেন হিমালয়ের কোলে জাতীয় অ্যাকাডেমিতে। দু’বছরের জন্য আইএএস অফিসারের ট্রেনিং নিতে। প্রিয় শহরের প্রতি একরাশ অভিমান ছিল মনে।
তারপর ঝাড়খণ্ডের কয়লা খনি অঞ্চল, মধ্য ও উত্তর ওড়িশার অরণ্য পর্বত স্কুল মালভূমিতে প্রান্তিক মানুষের জন্য কাজ। প্রশাসনের বুকের পাঁজর হয়ে বসে মানুষের প্রতি উত্তরদায়িত্বের ভাবনায় প্রতি নিয়ত দ্বন্দ্ব ও সংশয়ে দীর্ণ হওয়া। কবিতার পাশাপাশি গল্প লেখা চলেছে বাংলার বাইরের জনজীবন নিয়ে।
বড় বাঁধ প্রকল্পের পুনর্বাসন নীতির প্রয়োগ করতে গিয়ে বাস্তুচ্যুত মানুষদের গ্রামে পৌঁছোন। সেই সময়েই শুরু হল রাষ্ট্র ও নাগরিক অধিকারের সংঘর্ষের নতুনতর পাঠ। এর পর বিদেশে ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স পড়তে পড়তে লিখে ফেলা প্রথম উপন্যাস, ভুলতে না পারা মহুয়ার দেশ নিয়ে।
১৯৯৬ সাল। অর্থনৈতিক উদার নীতি তখন টলমল পায়ে হাঁটতে শেখা এক শিশু। পনের বছর বাংলার মাটি থেকে নির্বাসনের পর ফিরে এলেন বাঙালী সাহিত্যিক। সদ্য রূপ বদলানো বৈদেশিক বাণিজ্য অফিসের শীর্ষে। কিন্তু এই কি তাঁর ফেলে যাওয়া শহর?
প্রশাসনের অন্তরমহলের ভাষ্য নয়, মানুষের আঙিনায় বসে দেখা রাষ্ট্রের রূপ। প্রান্তিক জীবনের নিত্যকার লড়াই, জীবনে লিপ্ত হয়ে থাকার আখ্যান। ১৯৯৬-২০১৬ এই দু’দশক ব্যাপী সততসঞ্চরমান, সৃজনশীল শিল্পীর লেখা— চলন বিল।

কলকাতার দুটি জায়গার মায়া কাটাতে আমার বেশ সময় লেগেছিল। প্রথমটা আমার মায়ের বাড়ি। মা মারা যাবার কয়েক বছর পর পর্যন্ত কলকাতায় এসে কিছুক্ষণ আমি একা বারান্দার নিচে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকতাম। আমি যখন ফিরে যেতাম কাজের জায়গায়, হাতের উপর গাল রেখে কাঁচা পাকা এলো চুল মেলে মা বারান্দায় এসে দাঁড়াতেন। মনে হত মা এখনি ভিতর থেকে এসে দাঁড়াবেন। তারে মায়ের ব্যবহার করা পুরনো গামছা, একটা সায়া বাতাসে খড়খড় করছে শুকিয়ে। একজন মানুষের নিঃশব্দ থাকা আর কোনও দিন না থাকার মধ্যে যে কি অতল দূরত্ব, ওখানে দাঁড়িয়ে তার বিপুলতা বুঝতাম।

একইরকম ভাবে, রূপকলা কেন্দ্র ছাড়ার পর মাঝে মাঝে চলে যেতাম ওখানে। অন্য কাজে এসেছি, অন্য অফিসের গাড়িতে। বাইরে দাঁড়িয়ে মনে করতাম, নতুন বাড়ির উদ্বোধন হওয়ার আগে রোদের মধ্যে গেট আর রেলিঙের রঙ ঠিক মতো হল কিনা দেখার জন্য আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকেছি। নতুন অফিসের লোগো এঁকেছিলেন উজ্জ্বল চক্রবর্তী। ‘র’ এর গায়ে লাগানো ‘ক’, তাঁর নিজস্ব অনবদ্য শৈলীতে, যা সত্যজিতের অক্ষরশৈলীর বাল্যস্মৃতি জাগায়। আমার মতন উজ্জ্বলও পুরনো সন্দেশী। সেই লোগোর বর্ণবিন্যাস কী হবে তার কূট আলোচনায় কেটেছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। রূপকলা কেন্দ্র’র পরবর্তী পরিচালকদের কেউ প্রতিষ্ঠাতা নির্দেশক আমাকে কখনও আমন্ত্রণ জানাননি। সেটাই হয়তো স্বাভাবিক ছিল। বাঙালির আপাত সুভদ্র স্বভাবের নিচে ঘুমিয়ে থাকে মাৎসর্য ও আত্মশ্লাঘা, তা আমি জানতাম বলে প্রত্যাশার ভার লঘু করে নিতে পেরেছিলাম। পুরনো সুরক্ষা কর্মীরা চিনতে পেরে গেটের ভিতরে ডাকতেন কিন্তু বাড়ির ভিতর আমাকে যেতে বলবার এক্তিয়ার তাঁদের ছিল না, আমারও ভিতরে অনধিকার প্রবেশ বিষয়ে কোনও আগ্রহ ছিল না। বরং, আমি দেখতে চাইতাম বাউন্ডারি ওয়ালের কাছ ঘেঁষে দাঁড়ানো আমাদের হাতে রোপন করা গাছগুলি কেমন আছে।

যখন আমি দায়িত্বে ছিলাম, তখন প্রাসাদোপম রূপকলা কেন্দ্রর ভিতরে ঢোকার আগে রোজ সকালে আমার কাজ ছিল আমাদের মালির সঙ্গে কথা বলা, গাছের, ফুলের, সযত্নে তৈরি করা লনের ঘাসের খবর নেওয়া। পরে এসে মন খারাপ হোত যখন দেখতাম, বিরাট পাঁচ একর জোড়া

প্রাঙ্গণের সবুজ কোথাও জ্বলে পুড়ে গেছে, কোথাও না–ছাঁটা ঘাস ও আগাছার জঙ্গল কোমর সমান বেড়ে উঠেছে। বাইরের প্রকৃতি আর ভিতরের কাজের পরিবেশ পরস্পরের পরিপূরক বলে আমি মনে করতাম। যাঁরা আমার পরে এসেছেন, তাঁদের নিশ্চয়ই অন্যতর দর্শন ছিল। নতুন বাড়ি তৈরি হওয়ার পর এক জোড়া রাজহাঁস কেউ এনে দিয়েছিল। তারা বাগানে, গাছের ছায়ায় মহানন্দে ঘুরে বেড়াত। পরে ফিরে গিয়ে তাদের আর খুঁজে পাইনি। হাঁসেদের হারিয়ে যাওয়ার মধ্যে কি সময় বদলানোর কোনও ইশারা ছিল?

আরম্ভের প্রথম চার বছরে রূপকলা কেন্দ্র কাজের ভিন্নতর সংস্কৃতি এবং আনন্দময় কর্মপরিবেশ হিসেবে কলকাতায় নিজস্ব একটি জায়গা করে নিতে পেরেছিল। তার মধ্যে প্রশিক্ষক, ছাত্র, পরিব্রাজক শিক্ষক, কর্মী সকলেই ছিলেন। আমার এবং উপ নির্দেশকের কাছে প্রয়োজনে সকলেই পৌছতে পারবে, এমন ব্যবস্থা থাকায় কাজের গতি বেড়েছিল। কাজ, যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষণ নিয়ে মতামতও আসত অবারিত দরজা পথে। নষ্ট হওয়া কর্মসংস্কৃতি নিয়ে অনেক অশ্রু বিসর্জন হয়। কিন্তু রূপকলা কেন্দ্র প্রমাণ করেছিল, সৎ ও পরিশ্রমী নেতৃত্ব যদি দৃষ্টান্ত স্থাপনে উদ্যোগী হন, তাহলে দলের সদস্যরাও মন প্রাণ দিয়ে কাজ করতে রাজি। পরিচালনা, সম্পাদনা, ক্যামেরা, অ্যানিমেশন সব বিভাগের প্রশিক্ষকের মধ্যে তৈরি হয়েছিল একই সঙ্গে একাধিক কাজ সম্পন্ন করার ক্ষমতা, যার পরিভাষা হল মাল্টি টাসকিং। এতে অল্প জনের দ্বারা কম খরচে বেশি কাজ হয় এবং দক্ষতাও বাড়ে অনেক গুণ।

একটা উদাহরণ দেওয়া যাক। ধরুন, সম্পাদনা বিভাগের জন্য একটি নতুন সেট আপ দরকার। প্রশিক্ষক নিজেই প্রস্তাব পাঠাবেন, মার্কেট সার্ভে করে আধুনিক যন্ত্রের আনুমানিক ব্যয় হিসেব করে জানাবেন। কেনার সিদ্ধান্ত নেবেন নির্দেশক, তবে প্রস্তাব ও বাকি কারিগরি বিশ্লেষণ হবে সম্পাদনা বিভাগে। বিদায় নেবার আগে আমি পুরো টিমকে বুঝিয়ে গিয়েছিলাম, কাজের গতি অব্যাহত রাখতে হবে। তা না হলে কোনও নতুন সংস্থার দৃশ্যমানতা কমে যায়। যখন যা দরকার ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর দরকার তাদেরই। কিন্তু আমার এমন পরামর্শ মানতে গিয়ে টিমের সদস্যরা অচিরেই কর্তৃপক্ষের সন্দেহ ও অনাস্থার পাত্র হয়ে পড়লেন। তাদের বলা হল, কাজ কতখানি কীভাবে হবে, তা স্থির করার দায় সরকারের। তোমরা কে? কেনাকাটার প্রস্তাব তোমরা কেন দেবে, তোমাদের স্বার্থ কী?

এই সব মন্তব্য শোনার পর বিচক্ষণ মধ্যবিত্ত অস্থায়ী প্রশিক্ষকবর্গ চুপ করে থাকা শ্রেয় মনে করলেন। ধীরে ধীরে নির্দেশকের ঘর অতিদূর ও রুদ্ধদ্বার হয়ে পড়তে থাকল। ঢোকার জন্য স্লিপ দেওয়া ও অনুমতি নেবার অভ্যাসে অনভ্যস্ত টিম নিজেদের কাজ ঘাড় গুঁজে করায় মন দিলেন। রূপকলা কেন্দ্র একটি গতানুগতিক আমলাতান্ত্রিক শ্রেণিবিভাজিত আপিসে পরিণত হল।

পশ্চিমবঙ্গে এবং সারা ভারতেই সরকারি ব্যবস্থায় ক,খ, গ ইত্যাদি বর্গ ছাড়াও দুটি মূল শ্রেণি আছে। স্থায়ী ও অস্থায়ী। স্থায়ীরা স্কেলে বেতন ও পেনশন পান, তাঁদের পদোন্নতির কিছুটা সম্ভাবনা আছে, সুদূর হলেও। অস্থায়ীরা পান কনসোলিডেটেড বা জড়ানো-মড়ানো তারের গোলার মতো একটা মাইনে। তাঁদের সঙ্গে প্রতিবছর সরকারের একটা চুক্তি হয়। সেই চুক্তিপত্রে বলা থাকে কীভাবে পান থেকে চুণ খসলে তাদের বরখাস্ত করা যেতে পারে ‘কোনও রূপ কারণ না দর্শাইয়া।’ তাঁদের চুক্তি নবীকরণের পথে অজস্র কাঁটা ও মাথার উপর আতঙ্কের খাঁড়া ঝুলতেই থাকে। সেই আশঙ্কায় কর্মীদল দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যান, ভালো কাজের চেয়ে চাকরি বাঁচানোই হয়ে পড়ে তাঁদের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। প্রায় সর্বত্র দেখেছি, স্থায়ী কর্মীরা চুক্তিবদ্ধদের উপর কাজের সিংহভাগ চাপিয়ে বাড়ি চলে যান। দিল্লিতে দেখেছি, তাঁদের নামও নেওয়া হয় না। “ এই অ্যাড হক, এই কনট্রাকচুয়াল” ইত্যাদি নৈর্ব্যক্তিক সম্ভাষণ অস্থায়ীদের ভাগ্যে জোটে। অস্থায়ীদের মধ্যেও আবার শ্রেণি বিন্যাস আছে। পরিচালনা প্রশিক্ষক অমলেন্দুর মাইনে হয় অ্যাকাউন্টস অফিসার, চুক্তিবদ্ধ মোহিতের হাতে। “মায়না”র হিসেব করে অস্থায়ী করণিক গোপাল। এক্ষেত্রে মোহিত ও গোপাল, একসঙ্গে ও আলাদা করে অমলেন্দুর চেয়ে বেশি শক্তিশালী। কারণ তাদের কলমের আঁচড়ে অমলেন্দুর জীবন স্থবির হয়ে যেতে পারে। এরকম একটা বিষয় নিয়ে একটা ছোটগল্প লিখেছিলাম ‘আসল’ বলে। ইংরাজিতে অনূদিত হয়ে গল্পটি বেশ সমাদর পেয়েছিল। তবে অস্থায়ীদের জীবন তাতে বদলায়নি।

রূপকলা কেন্দ্রের কর্মীরা নানা বয়সের ছিলেন। কারও সংসার জীবনের আরম্ভ, কারও ঘরে ছোট শিশু, কারও দায়–দায়িত্ব অনেক বেশি। এঁদের দিয়ে সমাজ পরিবর্তনের কাজ করাতে গেলে চাকরিতে স্থায়ী করা দরকার, একথাটা বার বার বলে ও লিখেও সরকারকে বোঝাতে পারিনি। জনদরদী বামপন্থী সরকার। আমাদের চোখের সামনে রাইটার্সের চা সরবরাহকারীগণ স্থায়ী কর্মীদলে পরিণত হলেন, আমাদের কারিগরি প্রশিক্ষক ও কর্মীরা হাঁ করে দেখলেন। আর বাম সরকার যাঁদের প্রতি করুণা দেখাননি, তাঁরা যে পরিবর্তিত সরকারের কৃপার অযোগ্য, তা তো স্বতঃসিদ্ধ।

রূপকলা কেন্দ্রর যে কোনও কাজে জড়ানো থাকত নিবিড় মায়া। সব কাজেই সবার মতামত নেওয়ার পদ্ধতি ছিল বলে আমাদের সাপ্তাহিক প্রশিক্ষকদের মিটিঙে প্রচুর সময় ব্যয় হত। কাঁচের অর্ধবৃত্তাকার দেওয়ালের পর আয়তক্ষেত্র ঘর। কাঁচের বাইরের রঙ গাঢ়। কিন্তু ভিতরটা স্বচ্ছ। তাই নিজের চেয়ারে বসেই বাইরে কি হচ্ছে অনেকটা দেখা যেত। সেটা জেনে যাওয়ার পর ছাত্র–ছাত্রী সুরক্ষাকর্মী সবার মধ্যে একটা আত্মসচেতনতা এসে গিয়েছিল। অবশ্য তাতে আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মৌলিকত্ব নষ্ট হয়নি। কেবল যে কলকাতার নানা প্রান্ত থেকে তথ্যচিত্র নির্মাতা, চিত্রশিল্পী, লেখক নাট্যকাররা কখনও আমাদের আহ্বানে, কখনও আমাদের টানে চলে আসতেন তাই নয়, গ্রাম বাংলার নানা প্রান্ত থেকে মানুষজন আসতেন। নাট্যকর্মী, পঞ্চায়েত সদস্য, পটশিল্পী, লোকগানের বাদ্যকার। গেটে নির্দেশ থাকত, কাউকে যেন অকারণে বাধা না দেওয়া হয়। মানুষের আনাগোনা একদিন আদান–প্রদানে পরিণত হল। আরম্ভ হল আমাদের নিজস্ব ‘সমাজ  সংযোগ চলচ্চিত্র সম্মেলন’। সিনেমার ন্যারো কাস্ট প্রদর্শন গ্রামে–গঞ্জে এবং আরও নানাবিধ নতুন কাজ। এসবের কথা পরের পর্বে বলব। একটা মজার গল্প বলে এই পর্ব শেষ করি।

রূপকলা কেন্দ্র প্রশিক্ষণের সঙ্গে প্রযোজনার কাজও করত। পরে অবশ্য সেসব বন্ধ করে দেওয়া হয়। আমার সময়ে এইসব কাজ করে আমরা যৎসামান্য উপার্জন করতাম। তা আবার খরচ হত ট্রেনিং–এ ভর্তুকি দিতে। তবে এই সব কাজে অনেক মজাও ছিল। একবার দূরদর্শনে একটি প্রজেক্ট জমা দেওয়ার ডেটলাইন ছিল। পরের দিন সকালে স্পিড পোস্টে কাগজপত্র দিল্লি যাবে তাই আমাদের টিম সারা সন্ধে খেটেছে। টাইপ ও কপি করে সব গুছিয়ে তুলতে রাত দুটো বাজল। কোনও যানবাহন পাওয়া যায় কিনা দেখতে সবাই মিলে বেরিয়েছে, পড়ল সল্ট লেকের টহলদারি রাত পুলিশের পাল্লায়।

এত রাতে কোথায় যাচ্ছেন?

অফিসে কাজ করছিলাম।

ইয়ার্কির জায়গা পাওনি, এত রাতে অফিস? কাদের অফিস এটা?

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের।

ওরে, সব কটা মাতাল, দ্যাখ তো, চেপে ধর— রাত দুটোয় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অফিস— কাকে চেনাচ্ছো চাঁদুরা—-

কেউ বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা, গল্পটা কিন্তু সত্যি!

অলঙ্করণ – সৌজন্য চক্রবর্তী

(ক্রমশ)

অনিতা অগ্নিহোত্রীর জন্ম কলকাতায়। প্রেসিডেন্সী কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি পডেছেন। সাহিত্যের সব ধারাতেই আনা গোনা। অতল স্পর্শ, মহুলডিহার দিন, আয়নায় মানুষ নাই, কবিতা সমগ্র, মহানদী ইত্যাদি চল্লিশটিরও বেশি বইয়ের লেখক। কর্মসূত্রে ছিলেন ভারতীয় প্রশাসনিক সেবা বা ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসে। কাজে ও না কাজে ঘুরেছেন পূর্ব ও মধ্য ভারত। 

চলনবিল ৫

নির্মাণ কাণ্ড

Shares

Comments are closed.