কর্নাটকে করোনা মোকাবিলায় দুর্নীতির অভিযোগ, কংগ্রেসকে ক্ষমা চাইতে বলল বিজেপি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কংগ্রেস অভিযোগ করেছিল, কর্নাটকে কোভিড মোকাবিলায় ডাক্তারির যে সরঞ্জাম কেনা হয়েছে, তাতে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। শুক্রবার সেই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিল বিজেপি। একইসঙ্গে কংগ্রেসের দুই নেতা ডি কে শিবকুমার ও সিদ্দারামাইয়াকে নোটিশ পাঠিয়ে বিজেপি বলেছে, মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য তাঁদের ক্ষমা চাইতে হবে।

প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি শিবকুমার ও বিরোধী দলনেতা সিদ্দারামাইয়াকে পাঠানো নোটিশে বলা হয়েছে, তাঁরা যদি নিঃশর্তে ক্ষমা না চান এবং সব অভিযোগ তুলে না নেন, তাঁদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক এন রবিকুমার বলেন, “একদিকে শিবকুমার ও সিদ্দারামাইয়া বলছেন, সরকারকে তাঁরা নাকি ২০ টি চিঠি লিখেছেন। কিন্তু সরকার তাঁদের কোনও তথ্য দেয়নি। সরকার যদি তথ্য না দেয়, তাঁরা এত কিছু জানতে পারলেন কীভাবে? কে তাঁদের এত পরিসংখ্যান দিয়েছে?”

পরে রবিকুমার বলেন, “কংগ্রেস নেতারা কীভাবে বলছেন যে, সরকার কোভিড মোকাবিলায় ৪১৬৭ কোটি টাকা খরচ করেছে? আমাদের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, অত টাকা খরচ করা হয়নি। কংগ্রেস যে অভিযোগ করেছে, তার কোনও ভিত্তি নেই। সম্পূর্ণ দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে তারা অভিযোগ করেছে। এর চেয়ে বড় মিথ্যা আর কিছু হতে পারে না।” নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য শিবকুমার ও সিদ্দারামাইয়াকে ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

গত সপ্তাহে সিদ্দারামাইয়া অভিযোগ করেন, কোভিড মোকাবিলার নামে রাজ্য সরকার ৪১৬৭ কোটি টাকা খরচ করেছে। তার মধ্যে অন্তত ২ হাজার কোটি টাকা পকেটে পুরেছেন মন্ত্রী ও অফিসাররা। বিরোধী দলনেতা দাবি করেন, হাইকোর্টের কোনও বিচারপতিকে দিয়ে এই দুর্নীতির তদন্ত করাতে হবে।

এই অভিযোগের জবাবে কর্নাটকের পাঁচজন মন্ত্রী দাবি করেন, কোভিড মোকাবিলায় খরচ হয়েছে ২১১৮ কোটি টাকা। তার মধ্যে ১৬১১ কোটি টাকা দিয়ে কেনা হয়েছে ত্রাণসামগ্রী। ৫০৬ কোটি টাকা দিয়ে কেনা হয়েছে ডাক্তারির সরঞ্জাম।

গত কয়েক সপ্তাহে কর্নাটকের কোভিড পরিস্থিতি হয়ে উঠেছে উদ্বেগজনক। কেবল গত বৃহস্পতিবারের আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার জনের বেশি। এখনও পর্যন্ত কর্নাটকে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ১৮ হাজার মানুষ। মারা গিয়েছেন ২২৩০ জন। অ্যাকটিভ কোভিড কেসের সংখ্যা ৭০ হাজার।

ভারতে গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে ২০ শতাংশ বেড়েছে সংক্রমণের হার। গত কয়েকদিন ধরেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। অনেক মানুষ সুস্থ হলেও সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। মোট আক্রান্তের বিচারে এখন বিশ্বে এক নম্বরে আমেরিকা। এর পরেই রয়েছে ব্রাজিল। কিন্তু ভারতে দৈনিক সংক্রমণ বৃদ্ধির হার ওই দুই দেশের থেকে বেশি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More