পেনশনের টাকা নিজেরা নেবে, বৃদ্ধকে খুনের পরে দেহ টুকরো করে প্লাস্টিক বিনে ভরে রাখল স্ত্রী, সন্তানরা!

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কথায় আছে, দুঃসময়ে মানুষ চেনা যায়।  সে মানুষ যদি আপনার সন্তান বা স্ত্রী হন, তাহলে তো শেষ জীবনে এসে বোঝা যায়।  সরকারি কর্মী ছিলেন কিষাণ মারুতি সুতার।  ৭০ বছর বয়স তাঁর, নৃশংস ভাবে খুন হলেন স্ত্রী, ছেলে-মেয়েদের হাতে।  তাঁর দেহের টুকরো গুলো ৬টা প্লাস্টিকের ডাস্টবিনে রেখে দিয়েছিল তাঁর পরিবার!

শরীর খারাপের কারণে ২০০০ সালে ভলান্টারি রিটায়ারমেন্ট নিয়েছিলেন এই মালগাড়ি চালক।  তারপর থেকে তাঁর তিরিশ হাজার টাকার পেনশনেই চারজনের পেট চলত।  ১০ বছরের বেশি সময় ধরে তাঁর এক ছেলে নিখোঁজ, এক মেয়ে বিয়ে করে শ্বশুরবাড়িতেই থাকেন।  বাকি এক মেয়ে প্রফুল্ল, এক ছেলে কিষাণ আর স্ত্রী গঙ্গা বাইকে নিয়ে হায়দরাবাদের মালকাজগিড়ি এলাকায় থাকতেন কিষাণ মারুতি সুতার।

বেশ কিছুদিন ধরেই ছেলে মেয়ে এবং স্ত্রী যখনই তাঁর কাছে টাকা চেয়েছেন, তিনি ঝগড়া অশান্তি করে টাকা তো দেনইনি, উল্টে মদ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছেন।  পরিবারের লোকজন আর সহ্য করতে পারছিলেন না, অথচ তাঁদের টাকারও দরকার।  তাই দুটো ধারালো ছুরি, ৬টা প্লাস্টিকের বিন আর ধুতরো ফল এবং কিছুটা ধুতরোর রসের সাহায্য নেন ওঁরা।

১৫ই আগস্ট রাতে প্রতিহিংসা থেকে বৃদ্ধের খাবারে ধুতরো ফল আর তার রস মিশিয়ে তাঁকে দেন পরিবারের বাকিরা।  পরের দিন সকালে স্বাভাবিকভাবেই আর জাগেননি কিষাণ মারুতি।  কিন্তু তাঁর দেহটা নিয়ে কী করবেন, ভেবে কূল পাননি অভিযুক্তরা।  তাই টুকরো টুকরো করে কেটে প্যাকেটে ভরে ৬ টা বিনে ভরে রেখে দেন বাড়িতেই।

কয়েকদিন কাটার পরেই গন্ধে টিকতে পারেননি প্রতিবেশীরা।  পুলিশে খবর দেন তাঁরা।  স্থানীয় থানার পুলিশ এসে পুরো ঘটনা জেনে হতবাক।  অভিযুক্তরা জানিয়েছেন তাঁরা টাকার জন্যই এই কাজ করেছেন!

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More