Latest News

চিউইং গামের বাবল ফুলিয়ে মাসে আয় ৬৭ হাজার! আজব ব্যবসা জার্মান যুবতীর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তাঁর কাজই হল চিউইং গাম (Chewing Gum) চিবিয়ে বাবল ফোলানো (Blowing Bubble)। শুধুমাত্র এই কাজ করেই তিনি মাস গেলে রোজগার (Earns) করেন ভারতীয় মুদ্রায় ৬৭ হাজার টাকা (Over 67K)। আর এই বিপুল অঙ্কের রোজগারের পিছনে তাঁর খরচ কত জানেন? মাসে মাত্র ৪৮০ টাকা!

চোখ কপালে উঠে গেল তো? ভাবছেন, এ আবার কেমন কাজ? কীভাবেই বা তা থেকে এই পরিমাণ রোজগার করা সম্ভব? অসম্ভবকেই সম্ভব করে দেখাচ্ছেন জার্মানির ৩০ বছর বয়সি যুবতী জুলিয়া ফোরাত। জুলিয়ার এক আশ্চর্য প্রতিভা আছে। একই সঙ্গে ৩০ খানা চিউয়িং গাম চিবোতে পারেন তিনি। এবং, সেই চিউয়িং গাম চিবিয়ে তিনি বিশালাকার বাবল ফোলাতে পারেন। তাঁর ফোলানো এক একটি বাবলের আকার কখনও কখনও তাঁর মাথার আকারের দ্বিগুনেরও বড় হয়। আর সেই বিচিত্র বাবলের ছবি এবং ভিডিও তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় অজানা লোকজনকে বিক্রি করেন তিনি। এভাবেই নাকি মাসে গড়ে ৭০০ ডলার রোজগার হয় তাঁর। আর তাঁর নিজের খরচ? চিউয়িং গাম কিনতে যা খরচ হয়, সেটুকুই। ৫ ডলার, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ৪৮০ টাকার মতো।

লকডাউনে বানিয়ে ফেলেছেন আস্ত বিমান! কেরলের ইঞ্জিনিয়ারের কীর্তিতে অবাক নেটদুনিয়া

তবে এই অভিনব ব্যবসা শুরুর কথা তাঁর নিজের মাথায় আসেনি। জুলিয়ার বিরল প্রতিভা দেখে মজা করেই তাঁর এক বন্ধু বলেছিলেন, ‘তুই তো এগুলোর ছবি তুলে বিক্রি করতে পারিস।’ সেখান থেকেই সূত্রপাত। খোঁজ খবর নিয়ে জুলিয়া জানতে পারেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন অনেক গ্রুপ রয়েছে, যেখানে সত্যিই এমন কার্যকলাপ চলে। তাঁরা নাকি এই বিষয়ে নিবেদিত-প্রাণ। ‘বাকিটা ইতিহাস!’ দাবি জুলিয়ার।

মাই.ক্লাব নামক সাইটে ছবি এবং ভিডিও বিক্রি করতে শুরু করেন জুলিয়া। শিগগিরই প্রচুর সংখ্যক ভক্ত তৈরি হয়ে যায় তাঁর। ‘আমার ভক্তরা খুশি, কারণ আমি তাঁদের এমন কন্টেন্ট দিই, যা তাঁরা আর কোথাও পান না। অনেক সময় কাস্টমাইজড কন্টেন্টের বরাত আসে, যেখানে পোশাক, বাবলের আকার এবং ক্যামেরার দৃষ্টিকোণ থেকে আলাদা,’ জানিয়েছেন জুলিয়া।

তবে বাবল ফুলিয়ে বিশাল টাকা রোজগার করলেও এটিই জুলিয়ার প্রাথমিক পেশা নয়। তিনি পেশায় একজন মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ। স্থাপত্য এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিগ্রি রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। তবে আজব এই জীবিকা তিনি দারুণ উপভোগ করেন বলে জানিয়েছেন। চিউয়িং গাম চিবিয়ে বাবল ফোলানোর এই কাজ অনলাইনে বিপুল সংখ্যক মানুষকে এক প্রকারের যৌন আনন্দ দেয় বলে দাবি তাঁর।

You might also like