Latest News

Pigcasso: মুখে তুলি ধরে রঙিন আঁকিবুঁকি কাটে শুয়োর! লক্ষ টাকায় বিক্রিও হয় সেই ছবি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাতিকে শুঁড় উঁচিয়ে ছবি আঁকতে হয়তো অনেকেই দেখেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তেমন ভিডিও মাঝেমধ্যেই ভাইরাল হয়। কিন্তু তাই বলে শুয়োর? সেও আঁকতে পারে (Pigcasso)?

pigcasso

হ্যাঁ, আঁকতে জানে এমন শুয়োর রয়েছে এই পৃথিবীতেই। সারা বিশ্বে একটাই এমন শুয়োর রয়েছে যে আঁকতে পারে। শুধু তাই নয়, মুখে তুলি ধরে শুয়োরের আঁকা সেসব ছবি বিক্রিও হয়েছে মোটা টাকায়! দক্ষিণ আফ্রিকার একটি পশু খামার এখন সেই আঁকিয়ে শুয়োরের ঠিকানা। তার নাম পিগক্যাসো (Pigcasso)।

pigcasso

আরও পড়ুন: প্রথম মহিলা কমব্যাট পাইলট ক্যাপ্টেন অভিলাষা! ২৬ বছরে স্বপ্ন সফল হরিয়ানার তরুণীর

২০১৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার এক কষাইয়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল এক শুয়োরের ছানাকে। সেখান থেকে তার স্থান হয় দেশের একটি পশু অভয়ারণ্য ফ্রান্সছোয়েকে। দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়েস্ট কেপ প্রদেশের এই অভয়ারণ্যে আসার পরেই আবিষ্কৃত হয় পিগক্যাসোর (Pigcasso) আর্টিস্টিক দক্ষতা। মুখে তুলি ধরে সাদা কাগজে নানা রঙের আঁকিবুঁকি কাটতে কাটতে ছবি আঁকার সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়ে ফেলেছে শুয়োরটি। তার আঁকা ছবি বিক্রি করে এখন প্রচুর টাকা কামান পিগক্যাসোর মালিক।

pigcasso

পিগক্যাসোর (Pigcasso) ছবি বিক্রির জন্য একটা আলাদা ওয়েবসাইট রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার ওই পশু অভয়ারণ্যটির মালিকের নাম জোয়ান লেফসন। তিনি জানিয়েছেন পিগক্যাসো ছবি আঁকতে খুবই ভালবাসে। ছবি আঁকতে দিলেই ও সবচেয়ে খুশি হয়।

কীভাবে আর্টের প্রতি এমন অদ্ভুত আগ্রহ তৈরি হল পিগক্যাসোর (Pigcasso)?

pigcasso

লেফসন জানিয়েছেন, তাঁদের কাছে শুয়োরছানাটি আসার পর ওকে নানাভাবে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করা হত। কখনও ফুটবল, কখনও রাগবি বল এগিয়ে দেওয়া হয়েছিল ওর দিকে। ফার্মটি নতুন তৈরি হয়েছিল, তাই আশপাশে কিছু পেইন্টব্রাশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। সেদিকেই চোখ আটকে যায় শুয়োরছানাটির (Pigcasso)। মুখে করে ব্রাশ তুলে নিয়ে তা রঙে চুবিয়ে সেই যে শুরু হল আঁকিবুঁকি, এখনও তা থামেনি। শুধু আঁকাই নয়, নিজের আঁকা ছবির এককোণে নিজের চিহ্ন এঁকে দিতেও শিখে গেছে পিগক্যাসো।

pigcasso

পিগক্যাসোর (Pigcasso) আঁকা ছবি প্রায় ৪ হাজার ডলারে বিক্রি হয়ে থাকে। পুরো টাকাটাই পশু উন্নয়ন খাতে ব্যয় হয়।

pigcasso

আরও পড়ুন: বশে রাখুন রক্তচাপ, একদম বাড়তে দেবেন না

You might also like