বাংলার পাশে ওড়িশা, উমফান বিধ্বস্ত এলাকার উদ্ধার কাজে ৫০০ জনের উদ্ধারকারী দল এল ভুবনেশ্বর থেকে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাশে দাঁড়ানোর বার্তা শুধু টুইটারে সীমাবদ্ধ রইল না। সুপার সাইক্লোন উমফানে বিধ্বস্ত বাংলায় ৫০০ জনের উদ্ধারকারী দল পাঠালো ওড়িশার নবীন পট্টনায়ক সরকার। গতকাল, রবিবার ওড়িশা থেকে এই দল এসে পৌঁছয় বাংলায়। কলকাতা-সহ উমফানে বিপর্যস্ত দুই চব্বিশ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজে নেমে পড়েছেন সেই দলের সদস্যরা।

    এই দলে রয়েছেন ৩০০ জন দমকলকর্মী। ঘূর্ণিঝড়ে রাজ্যের বিস্তীর্ণ অংশে উপড়ে গিয়েছে বিদ্যুতের খুঁটি, লাইট পোস্ট। সেসব সরাতেই প্রশিক্ষিত দমকলকর্মীদের ব্যবহার করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাছাড়াও ১০টি বিপর্যয় মোকাবিলার র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স ভুবনেশ্বর থেকে রাজ্যে এসে পৌঁছেছে।

    গত বছরই ঘূর্ণিঝড় ফণীর তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়েছিল ওড়িশা। অনেকের মতে, বাংলায় এবার উমফানের দাপট ছিল তার চেয়েও কয়েক গুণ বেশি। ফণী বিধ্বস্ত ওড়িশার পুনর্গঠনের কাজে অভিজ্ঞ বিপর্যয় মোকাবিলা কর্মীদের বাংলায় পাঠিয়েছে ওড়িশা সরকার।

    শনিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে টুইট করে বাংলার পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী। রবিবার বিপর্যয় মোকাবিলা দল চলে আসে রাজ্যে।

    নজিরবিহীন বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রীর কথায় দুই চব্বিশ পরগনা প্রায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। কোভিড সংক্রমণের মাঝে উমফানের তাণ্ডবে দিশেহারা প্রশাসনও। ১০০ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ার পর সোমবার সকাল পর্যন্ত খবর এখনও বিদ্যুৎবিহীন হয়ে রয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলির বেশ কিছু এলাকা। শনিবার দুপুরেই রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সেনাবাহিনীর সাহায্য চেয়েছিল। তারপর সন্ধেবেলা সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কম্যান্ড পাঁচ কলম সেনা নামায় কলকাতা ও দুই চব্বিশ পরগনায়। সেনাবাহিনীর জওয়ানদের পাশাপাশি এবার বাংলার উদ্ধার কাজে নামল ওড়িশার দলও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More