ধর্ষিতা নাবালিকার কাছে ক্ষমা চাইল ওড়িশা পুলিশ, চার মাস ধরে নির্যাতনে অভিযুক্ত আইসি বরখাস্ত

অভিযুক্ত আইসিকে বরখাস্ত করার খবর জানিয়েছেন ওড়িশা পুলিশের ডিজিপি অভয়। তিনি টুইট করে জানিয়েছেন, ওই আইসি লজ্জাজনক আচরণ করেছেন। ছোট মেয়েটির কাছে আমরা ক্ষমা চাইছি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুলিশের হাতেই নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগ। আর তা প্রমাণ হতেই ধর্ষিতার কাছে ক্ষমা চাইল ওড়িশা পুলিশ। বুধবার বরখাস্ত করা হয়েছে অভিযুক্ত আইসিকে। অভিযুক্ত আরও পাঁচ পুলিশ কর্মী। সেই সঙ্গে নাবালিকার গর্ভপাতের জন্য অভিযুক্ত এক চিকিৎসক। সকলের বিরুদ্ধেই তদন্ত চলছে।

    মেলায় এসে হারিয়ে গিয়েছিল ১৩ বছরের মেয়েটি। রক্ষা করে পুলিশ। পরে সেই রক্ষক পুলিশই ভক্ষক হয়ে ওঠে। ধর্ষণের জেরে সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়লে তার গর্ভপাত করানো হয়। গোটা বিষয়টিতে অভিযোগের আঙুল ওঠে ওড়িশার বিরমিত্রপুর থানার ইনস্পেক্টর-ইন-চার্জ (আইআইসি) সহ ছয় পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে। নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে ২৬ জুনই সাসপেন্ড করা হয় আইআইসি-কে। এদিন তাঁকে চাকরি থেকেও বরখাস্ত করে ওড়িশা পুলিশ।

    আরও পড়ুন

    প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে সরকারি বাংলো ছাড়ার নোটিস ধরাল কেন্দ্র, ১ অগস্টের মধ্যে ছাড়তে হবে

    অভিযুক্ত আইসিকে বরখাস্ত করার খবর জানিয়েছেন ওড়িশা পুলিশের ডিজিপি অভয়। তিনি টুইট করে জানিয়েছেন, ওই আইসি লজ্জাজনক আচরণ করেছেন। ছোট মেয়েটির কাছে আমরা ক্ষমা চাইছি। গোটা ঘটনার তদন্ত করতে রাজ্যের অপরাধ দমন শাখার পুলিশকে নির্দেশও দেন তিনি। তদন্তের জন্য ইতিমধ্যেই চার সদস্যের টিম গড়েছে অপরাধ দমন শাখা। সুন্দরগড় জেলার বীরমিত্রপুর, রায়বোগা থানা পরিদর্শনও করেছে ওই দল।

    পুলিশ বলেছে, চার মাস ধরে মেয়েটিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ওই ইন্সপেক্টর ছাড়াও পাঁচ জন পুলিশকর্মী। তদন্ত শেষ হলে সকলের বিরুদ্ধেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে রাজ্য পুলিশ। জানা গিয়েছে, গত ১৫ জুন ব‌ীরমিত্রপুরের কমিউনিটি হেল্থ সেন্টারে মেয়েটির গর্ভপাত করান এক সরকারি চিকিৎসক।

    সুন্দরগড়ের জেলা শিশু সুরক্ষা অফিসারের দায়ের করা অভিযোগনামায় বলা হয়েছে, মেয়েটি ২৫ মার্চ বিরমিত্রপুরের মেলা দেখতে গিয়েছিল। কিন্তু লকডাউনের জেরে মেলা বাতিল হয়ে যায়। মেয়েটি বীরমিত্রপুর থেকে বাড়ি ফিরতে না পেরে বাসস্ট্যান্ডের কাছে ঘোরাঘুরি করতে থাকে। সেই সময়েই একটি পুলিশ টিমের নজরে পড়ে সে। তারাই তাকে থানায় নিয়ে আসে।
    সেই থানাতেই মেয়েটিকে ইনস্পেক্টর ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। পরদিন সকালে ছেড়ে দেয়। তারপর থেকে প্রায়ই মেয়েটিকে থানার ভিতরে ডেকে নিয়ে ইনস্পেক্টর সহ কয়েকজন পুলিশকর্মী ধর্ষণ করত বলে অভিযোগ। লাগাতার ধর্ষণের ফলে ওই নাবালিকা গর্ভবতী হয়ে পড়লে তার গর্ভপাত করানো হয়। মেয়েটির সৎ বাবার বিরুদ্ধেও এফআইআর দায়ের হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More