গাড়ি কেনার জন্য বহিষ্কৃত খ্রিষ্টান গোষ্ঠী থেকে, রোমের কাছে বিচার চাইলেন সন্ন্যাসিনী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : অভিযোগ, তিনি গাড়ি কিনেছেন। ডেস কোড মানেন না। কর্তৃপক্ষের কথা অমান্য করেন। কারও অনুমতি ছাড়া বই ছাপিয়েছেন। মিউজিক সিডি প্রকাশ করেছেন। নিজের বেতন কনভেন্টে জমা দেন না। ঘন ঘন মিডিয়ার সামনে উপস্থিত হন। সেজন্য কেরলের সিস্টার লুসিকে বরখাস্ত করেছে ফ্রান্সিসকান ক্ল্যারিস্ট কনগ্রিগেশন। এদিকে সিস্টারের অভিযোগ, তিনি ধর্ষণে অভিযুক্ত বিশপ ফ্রাঙ্কো মুলাক্কালের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন বলে তাঁকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তিনি বহিষ্কারের বিরুদ্ধে আবেদন করেছেন রোমের ক্যাথলিক চার্চের কাছে।

সিস্টার লুসি এখন থাকেন কেরলের ওয়ানাড় জেলায়। তিনি বলেছেন, আমি ভীষণ আতংকিত। তারা আমাকে একটু একটু করে হত্যা করছে। আমার সব আনন্দ কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। সিস্টারের বয়স পঞ্চাশের কোঠায়। তিনি জানিয়েছেন, বিচার চেয়ে আদালতেরও শরপণাপন্ন হবেন।

তিনি বলেন, তাঁর এমন কোনও সম্পত্তি নেই যাতে বলা যায়, প্রতিজ্ঞাভঙ্গ হয়েছে। বরং তিনি যাতে যথাযথভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সেজন্যই কয়েকটি জিনিস কিনেছেন। তাঁর কথায়, আমি যে গাড়ি কিনেছি, তা বাজারে সবচেয়ে সস্তা। তার সাহায্যে আমি কয়েকশ গরিব রোগির সঙ্গে দেখা করতে পারি। তাঁদের নানাভাবে সাহায্য করি। তাঁদের জন্য প্রার্থনা করি। আমি যখন স্কুলে যাই, গরিব ছেলেমেয়েদের গাড়িতে তুলে নিই। তাদের স্কুলে নামিয়ে দিই। কিন্তু অন্য নানেরা এসব ভালো চোখে দেখেন না।

সিস্টার একটি স্কুলে অঙ্কের শিক্ষিকা। তিনি যে বিশপের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন, সেই ফ্রাঙ্কো মুলাক্কাল এখন জামিনে মুক্ত। সিস্টার বলেছেন, এক বছর ধরে বলা হচ্ছে, আমি নাকি কর্তৃপক্ষকে অমান্য করছি। ওই কথা শুনে শুনে আমি ক্লান্ত। কর্তৃপক্ষকে মান্য করা মানে এই নয় যে সব ব্যাপারে চোখ বুজে থাকতে হবে।

সিস্টার লুসির দাবি, চার্চ ও তার আশপাশের মানুষ তাঁকে ভালোবাসেন। কিন্তু তাঁরা অনেকে প্রকাশ্যে সেকথা জানাতে পারেন না। কিন্তু জন এনএইচ নামে এক অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিস্টারের হয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, অঙ্কের শিক্ষক হিসাবে সিস্টার লুসিকে অনেকে ভালোবাসেন। শিশুরা তাঁকে পছন্দ করে। আমি মনে করি, কেউ যদি তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চাইত, গাড়ি কেনার পরেই নিতে পারত।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More