আর জল্পনা নয়, মদন এখন টিম অভিষেকে

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরোএ যেন নেমারের মতো ফিরে আসা!

মদন মিত্রও প্রমাণ করে ছাড়লেন, তৃণমূলের রাজনীতিতে তাঁর প্রাসঙ্গিকতা হারায়নি।

কীভাবে?

সম্প্রতি ডায়মন্ডহারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নিঃশব্দ বিপ্লব’ অনুষ্ঠানে সগৌরবে উপস্থিত ছিলেন মদনবাবু। মাইক হাতে নিয়ে বলেছিলেন, “এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমাকে আঠারো বার ফোন করেছে অভিষেক। মিটিংয়ের জন্য নয় বলেছে, এক সঙ্গে ভাত ডাল পোস্ত খাব। ওর কাছে আমি বিক্রি হয়ে গেছি।”

মঙ্গলবার বাঁকুড়ার খাতরার সভা বুঝিয়ে দিল ডায়মন্ডহারবারের সভায় মদনের উপস্থিতি কোনও বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছিল না। মদন মিত্র এখন টিম অভিষেকের ‘মেম্বার’।

কদিন আগে বাঁকুড়ায় সভা করেছিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। তার পর খাতরায় তৃণমূলের এক নেতার বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে আড্ডা দেন মুকুলবাবু। শাসক দলের ওই নেতাকে এ বার জেলা পরিষদের নির্বাচনে প্রার্থী করেননি অভিষেক। প্রসঙ্গত, দলীয় তরফে যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাঁকুড়া জেলার পর্যবেক্ষক।

চোখে ফের অস্ত্রোপচারের হওয়ায় শুশ্রুষার জন্য অভিষেক এখন বাড়িতেই রয়েছেন। তাই বাঁকুড়ায় যেতে পারেননি। কিন্তু মুকুল রায়ের পাল্টা সভা করার জন্য যুব তৃণমূল সভাপতি মঙ্গলবার পাঠিয়ে দেন মদন মিত্র ও মানস ভুইঞাঁকে। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই মানসবাবু অভিষেককে নেতা মেনে চলছেন। অভিষেক সম্পর্কে প্রবীণ এই নেতার প্রশংসা শুনে তৃণমূলের অনেক পুরনো পোড় খাওয়া নেতাও ইদানীং থ হয়ে যান।

তবে মঙ্গলবার আলোচনার কেন্দ্রে মানসবাবু ছিলেন না। ছিলেন তৃণমূলে ‘এভারগ্রিন’ বলে পরিচিত নেতা মদন মিত্র। যাঁর সম্পর্কে অভিষেকের বক্তব্য, বেড়ালের মতো জেলে গিয়েছিলেন মদনবাবু, বেরিয়ে এসেছেন বাঘ হয়ে!

প্রসঙ্গত, চিট ফান্ড মামলায় প্রায় তিন বছর জেলে বন্দী ছিলেন মদন মিত্র। তাঁকে জামিন না দেওয়ার যুক্তি হিসাবে সিবিআইয়ের বারবার সওয়াল করতেন, মদনবাবু প্রভাবশালী নেতা। তাঁকে জামিন দিলে সাক্ষ্য প্রমাণকে প্রভাবিত করতে পারেন। মদনবাবু-র তখন পাল্টা বক্তব্য ছিল, তিনি প্রভাবশালী নন, অভাবশালী।

পরে অবশ্য জামিনে মুক্তি পান মদনবাবু। কিন্তু তদ্দিনে তাঁর সাধের কামারহাটি বিধানসভায় তৃণমূল হেরেছে। তৃণমূলের অনেক শীর্ষ নেতাই তেমন গুরুত্ব দিচ্ছিলেন না তাঁকে। ফলে দলের মধ্যে প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পেতে বিচ ভলিবলের আয়োজনের চেষ্টা থেকে শিশু নাট্য উতসবের আয়োজন কিছুই বাকি রাখেননি ভবানীপুরের এই তৃণমূল নেতা।

অবশেষে অ্যাদ্দিনে তাঁর কপালে শিঁকে বুঝি ছিড়ল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More