‘কোনও যদি কিন্তু নেই, বিজেপি বেশি আসন পেলেও নীতীশই মুখ্যমন্ত্রী হবেন’: অমিত শাহ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সমস্ত রকম জল্পনায় ইতি টানতে চাইলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাহ বলেন, “বিহারে নীতীশ কুমারই মুখ্যমন্ত্রী হবেন। এ ব্যাপারে কোনও যদি কিন্তু নেই। বিজেপি যদি জেডিইউয়ের থেকে বেশি আসনও জেতে তাও মুখ্যমন্ত্রী হবেন নীতীশই।”

আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি বলেন, “বিহারে এনডিএ সরকার গড়বে। দুই তৃতীয়াংশ আসন জিতবে এনডিএ। কিন্তু কে ক’টা আসন পেল সেটা বড় কথা নয়। বিহারে দুজনের নেতৃত্বে ভোট লড়ছি আমরা। এক, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং দুই, মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। সমস্ত বিতর্কে ইতি টেনে আমি বলতে চাই, যে যাই আসন পাক না কেন, মুখ্যমন্ত্রী হবেন নীতীশ কুমার।”

এখন প্রশ্ন হল, এই বিতর্ক বা জল্পনা তৈরি হল কী থেকে?

কেন্দ্রীয় সরকারের শরিক দল লোক জনশক্তি পার্টি বিহারের ভোটে এনডিএতে নেই। প্রয়াত রাম বিলাস পাসোয়ানের দল বিহারে একা লড়ছে। শুধু লড়া নয়, প্রার্থী দেওয়ার পিছনেও এক অদ্ভুত নীতি নিয়েছেন রামবিলাস-পুত্র চিরাগ পাসোয়ান। বিজেপির বিরুদ্ধে এলজেপি-র কোনও প্রার্থী নেই। কিন্তু যে ১৪৩ টি আসনে নীতীশের জেডিইউ প্রার্থী দিয়েছে সেগুলিতেই লড়াই করছে লোজপা।

এর ফলে অনেকেই বলতে শুরু করেছিলেন, হয়তো বিজেপির সঙ্গে শলাপরামর্শ করে এমন অবস্থান নিয়েছেন চিরাগ। ভোটের শেষে যদি জেডিইউয়ের আসন কম হয় তাহলে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করতে পারে বিজেপি।

অনেকের মতে, এ নিয়ে একটা সংশয় তৈরি হয়েছে বিহারের শাসক জোটে। যে কারণে, সুশীল মোদীরা চড়া সুরে আক্রমণ শানাচ্ছেন চিরাগের বিরুদ্ধে। যাতে জেডিইউয়ের সঙ্গে কোনও অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি না হয়। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, চিরাগরা যেন ভোটের প্রচারে মোদীর ছবি ব্যবহার না করেন। পাল্টা রামবিলাসের ছেলে বলেছেন, “আমি হনুমানের মতো। আমার বুক চিরলে মোদীজিকে দেখা যাবে।”

তবে সেসব রাজনৈতিক প্যাঁচের কথা স্রেফ উড়িয়ে দিয়েছেন অমিত শাহ। তিনি বলেছেন, “মোদী ঝড়ের মধ্যে ভোট হবে বিহারে। এই সুবিধা যেমন বিজেপি পাবে তেমন জেডিইউ-ও পাবে। ঐক্যবদ্ধ এনডিএ লড়াই করছে বিহারে। এখানে আলাদা দলের ব্যাপার নেই।”

আগামী ২৭ অক্টোবর বিহারে প্রথম দফার ভোট। মোট তিন দফায় ভোট হবে বিহারে। ১০ নভেম্বর ফল প্রকাশ। লোকসভা ভোটের পরে রাজ্যের ভোটগুলিতে ভাল ফল হয়নি। হাতছাড়া হয়েছে মহারাষ্ট্র। বিহার লাগোয়া ঝাড়খণ্ডে হেরেছে বিজেপি। এবার বিহারের ভোট। অনেকের মতে, বিহারের ভোটের ফলের প্রভাব পড়তে পারে ছ’মাস পর হতে চলা বাংলাতেও। তাই সব দিক থেকেই বিহার জিততে.মরিয়া গেরুয়া শিবির।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More