পলাতক নীরব মোদীর প্রায় ৩৩০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

ইডি জানিয়েছে, মুম্বইয়ের ওরলির সমুদ্র মহল ভবনে চারটি ফ্ল্যাট, আলিবাগে একটি খামারবাড়ি, জমি, জয়শলমীরে একটি উইন্ড মিল, লন্ডনের একটি ফ্ল্যাট, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ফ্ল্যাট ছাড়াও শেয়ার ও ব্যাঙ্কে জমা টাকা মিলিয়ে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

২১

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাঞ্জাব ন্যাশানল ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলায় অভিযুক্ত নীরব মোদীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। পলাতক আর্থিক অপরাধী আইনে হিরে ব্যবসায়ীর মোট ৩২৯ কোটি ৬৬ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি। বিবৃতিতে দিয়ে তদন্তকারী সংস্থা ইডি জানিয়েছে, মুম্বইয়ের ওরলির সমুদ্র মহল ভবনে চারটি ফ্ল্যাট, আলিবাগে একটি খামারবাড়ি, জমি, জয়শলমীরে একটি উইন্ড মিল, লন্ডনের একটি ফ্ল্যাট, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ফ্ল্যাট ছাড়াও শেয়ার ও ব্যাঙ্কে জমা টাকা মিলিয়ে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

নীরব মোদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা চুরি করেছেন। একাজে তাঁর সঙ্গী ছিলেন মেহুল চোকসি। তিনি নীরবের কাকা। সি বি আই ও ইডি-র তদন্তে জানা যায়, নীরব মোদী চুরি করা অর্থের এক বিরাট অংশ পরিবারের কয়েকজনের অ্যাকাউন্টে রেখেছেন।

আরও পড়ুন

কোভিড ১৯ ড্রাগ রেমডেসিভিরের কালোবাজারির আশঙ্কা, কড়া হুঁশিয়ারি কেন্দ্রীয় এজেন্সির

বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে নীরব ও তাঁর আত্মীয় মেহুল চোকসি-সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ইডি। গত ৮ জুন ইডি-কে মুম্বইয়ের বিশেষ আদালত ওই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা দেয়। ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর বিশেষ আদালত নীরব মোদীকে পলাতক আর্থিক অপরাধী বলে ঘোষণা করে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চে লন্ডনে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে ব্রিটেনের এক জেলে আছেন নীরব। নিজেকে ভারতের প্রত্যর্পণের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালাচ্ছেন তিনি।

ইডি বলেছে, তারা ২০১৮ সালের এফইও আইন অনুসারে এবার ৩২৯.৬৬ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। এখনও পর্যন্ত নীরব মোদীর ২৩৪৮ কোটি টাকা অর্থমূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে তদন্তকারী সংস্থা।

পিএনবি কেলেংকারির অন্যতম নায়ক নীরব মোদীকে বন্দি করে ভারতে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে সিবিআই। তাঁর বিরুদ্ধে বন্দি প্রত্যর্পণের মামলা চলছে লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার ম্যাজিস্ট্রেটস কোর্টে। এই পরিস্থিতিতে কিছুদিন আগেই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ। তিনি বলেন, এক কংগ্রেস সদস্য তথা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি নীরব মোদীকে ভারতে আনতে বাধা দিচ্ছেন। তিনি পলাতক শিল্পপতির হয়ে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

মন্ত্রীর কথায়, “নীরব মোদীর ব্যাপারে এক সন্দেহজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি আমরা। তাতে মনে হয়, কংগ্রেস তাঁকে বাঁচানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করছে।” পরে তিনি আরও নির্দিষ্ট করে বলেন, “কংগ্রেসের হয়ে কাজ করছেন এক প্রাক্তন বিচারপতি। তিনি ব্রিটেনে বিচারব্যবস্থাকে প্রভাবিত করতে চাইছেন। আমাদের তদন্তকারী সংস্থা এই প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দেবে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More