বুধবার, মার্চ ২০

ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিন, ফের গ্রেফতার সুজন চক্রবর্তী, শহরজুড়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী

দ্য ওযাল ব্যুরো: ফের গ্রেফতার সুজন চক্রবর্তী। ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে সুজন চক্রবর্তী সহ বেশ কয়েকজন বাম কর্মী সমর্থককে গ্রেফতার করল পুলিশ। বুধবার সকালে যাদবপুরের এইট-বি বাসস্ট্যান্ডের সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। সুজন চক্রবর্তীর মিছিল আটকায় পুলিশ। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়।ধস্তাধস্তি শুরু হয় বাম কর্মী সমর্থক ও পুলিশের মধ্যে।

Related image

গতকাল মৌলালিতে, নীলরতন সরকার হাসপাতালের কাছ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল টু নেতা অনাদি সাহু-সহ ১৬ জন বনধ সমর্থক। বেলা বাড়তেই গ্রেফতারের সংখ্যা বাড়তে থাকে। আজও সেই সম্ভাবনা থাকছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে, খুব কৌশলেই আজ সকাল থেকে মিছিল শুরু করে বামেরা। গ্রেফতারি এড়াতে প্রধান সড়কে নয় বরং শহরের অলি-গলিতে  বামেদের  মিছিল বেরোয়। এর ফলে, পুলিশের মুখোমুখি হতে হয়নি মিছিলে অংশগ্রহণকারী বাম সমর্থকদের। মিছিলে অংশগ্রহণকারী এক সমর্থক জানান, গ্রেফতার হওয়া ধর্মঘটের লক্ষ্য নয়। এই বনধ সাধারণ মানুষের, খেটে খাওয়া শ্রমিকের জন্য।

সকালে ট্রেন চলাচল কিছুটা ব্যাহত হলেও, ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে মোটের উপর সচল শহর। সকাল থেকেই সজাগ কলকাতা পুলিশ। শহরজুড়ে কমপক্ষে তিন হাজার পুলিশের নজরদারি চলছে। সবচেয়ে বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে শ্যামবাজার মোড়ে। কারণ, সেখানেই বাম সংগঠনগুলি মিছিল করবে বলে খবর। বাড়ানো হয়েছে মহিলা পুলিশও। আজ সকালে ধর্মঘটের প্রভাবে কিছুক্ষণের জন্য শিয়ালদহ-লক্ষ্মীকান্তপুর শাখার ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। একটু পরেই  স্বাভাবিক হয় ট্রেন চলাচল। সকাল থেকে হাওড়ায় সমস্ত লাইনে  ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক।

Image result for bandh kolkata police

মঙ্গল-বুধ,এবং ৯ জানুয়ারি, দেশ জুড়ে সাধারণ ধর্মঘট ডেকেছে বিভিন্ন বাম-সমর্থিত ট্রেড ইউনিয়ন এবং ব্যাঙ্ক। উল্টো দিকে, বনধের দিনগুলিতে রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতরে কর্মীদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। সরকারের এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে বাম ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন সিটু জানিয়েছে, রাজ্য সরকার বনধ ব্যর্থ করার চেষ্টা করলে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

পড়ুন-

জেলায় জেলায় বিক্ষোভ জারি, হাওড়ায় বাস লক্ষ্য করে ছোড়া হলো পাথর, স্তব্ধ শিল্পাঞ্চলগুলি

 

Shares

Comments are closed.