চার দিনে চারটি গিনেস রেকর্ড হতে পারে কলকাতায় বিজ্ঞানের মহাসঙ্গমে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চার দিনের মহাযজ্ঞ। বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় চারটি মেগা ইভেন্ট। পঞ্চম আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান উৎসবের ঝুলিতে আসতে পারে চারটি বিশ্বরেকর্ড। আর এই নজির তৈরি হবে কলকাতাতেই।

বিজ্ঞান গবেষণার হাত ধরে ক’টা নোবেল এসেছে বাংলার ঘরে সেটা বড় কথা নয়। বিজ্ঞানের মাহাত্ম্য প্রচারে বাঙালির ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে বারবার। জীববিজ্ঞানের গবেষণা হোক বা জ্যোতির্পদার্থবিদ্যা– উঠে এসেছে আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়, সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও মেঘনাদ সাহাদের নাম। বিজ্ঞানসাধনার পীঠস্থান কলকাতাকেই তাই এবার আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান উৎসবের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।

বাঙালি ও বাংলার প্রতি কুর্নিশ জানাতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের উদ্যোগে আগামী ৫ থেকে ৮ নভেম্বর বিশ্ববঙ্গ কনভেনশন সেন্টারে বসবে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান উৎসবের আসর। সায়েন্স সিটিতে হবে বিজ্ঞান মেলা ও প্রদর্শনী।

ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল সায়েন্স ফেস্টিভ্যাল (পঞ্চম) বা আইআইএসএফ-এর এ বছরের থিম ‘রাইসেন ইন্ডিয়া (RISEN India)’অর্থাৎ গবেষণা (Research), উদ্ভাবন (Innovation), বিজ্ঞান (Science) ও প্রযুক্তিতে দেশের অগ্রগতি (Empowering the Nation)। বিজ্ঞানের এই মহাযজ্ঞের সেরা আকর্ষণ হবেন তরুণ বিজ্ঞানীরা। মহাকাশ গবেষণা হোক বা জীববিদ্যা, রসায়ন হোক বা পদার্থবিদ্যা—তরুণ প্রজন্মের চিন্তাভাবনাই থাকবে নজরে। এই উৎসবে যোগ দেবে প্রায় আড়াই হাজার স্কুলপড়ুয়া। আসতে পারেন ইসরোর প্রধান কে শিবন। দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার (ডিআরডিও) প্রধান এবং দেশ-বিদেশের বিজ্ঞানীরাও থাকবেন আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান উৎসবের এই আসরে।

বিজ্ঞানের বিভিন্ন প্রকল্প এবং মডেল নিয়ে আলোচনা হবে এই আসরে। মূলত প্রয়োগভিত্তিক গবেষণা ও বাস্তব জীবনে বিজ্ঞানের ব্যবহারিক প্রয়োগ তুলে ধরবেন তরুণ গবেষকরা। প্রথম দিনের আকর্ষণ হবে জ্যোতির্পদার্থবিদ্যা। যোগ দেবেন ১৭৫০ জন পড়ুয়া।

দ্বিতীয় দিনের মেগা ইভেন্টের মূল আকর্ষণ হবে ইলেকট্রনিক্স এবং অপটিক্যাল সায়েন্স। সেখানেও প্রাধান্য পাবে বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমনের (সিভি রমন) তত্ত্ব। এই ইভেন্টে যোগ দেবেন প্রায় সাড়ে ন’শো পড়ুয়া।

বেতার তরঙ্গে আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর উদ্ভাবনকে তুলে ধরা হবে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান আসরের তৃতীয় দিন, ৭ নভেম্বর।

মানব শরীরের মূল নকশা লুকিয়ে রয়েছে যার মধ্যে সেই ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড)-র গঠন নিয়ে আলোচনা হবে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান আসরের চতুর্থ দিন, ৮ নভেম্বর। জীববিদ্যার গবেষণায় নিজেদের নতুন চিন্তাভাবনাও তুলে ধরবেন তরুণ বিজ্ঞানীরা।

২০১৫ সাল থেকে শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান উৎসব। প্রথম ও দ্বিতীয় আইআইএসএফের আসর বসেছিল রাজধানীতে। তৃতীয় চেন্নাই, চতুর্থ লখনৌতে। বিজ্ঞানচর্চার পাশাপাশি বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ের উপর সিনেমা দেখানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।  সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে (এসআরএফটিআই)  ‘মিশন মঙ্গল’ এবং ‘পরমাণু’-র মতো বিজ্ঞানক্ষেত্রে ভারতের সাফল্য নিয়ে তৈরি ছবি দেখানো হবে।

স্যার, খুন আমি করেছি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More