Latest News

‘টিএমসি তো গোয়ায় লড়াইয়েই নেই!’ ‘বড় দিদি’ মমতাকে কটাক্ষ কেজরিওয়ালের 

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২৪ এর লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপি-বিরোধী জোটের মুখ (anti modi) (face) হওয়ার লক্ষ্য সামনে রেখে ত্রিপুরার পাশাপাশি গোয়া বিধানসভা নির্বাচনেও (goa assembly poll)  লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee)। সেখানে তিনি নিজে যাচ্ছেন, পাঠাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েনদের। ইতিমধ্যে কংগ্রেস, এনসিপি ভেঙে স্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতা,  যাঁদের মধ্যে এক  প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীও আছেন, ঘাসফুলে যোগ দেওয়ায় তৃণমূলের পাল্লা ক্রমশঃ ভারী হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বেশ  কিছুদিন ধরেই টিএমসি বলছে, মোদী-বিরোধী ভরসাযোগ্য মুখ মমতাই, মোদীকে রোখার সাধ্য একমাত্র তাদেরই আছে। কিন্তু মমতাকে যে  বিরোধী শিবিরের আরেক দল আমআদমি পার্টি  (আপ) (aap)এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে নারাজ, তা ইতিমধ্যে পরিষ্কার। বুধবার টিএমসিকে তীব্র কটাক্ষ করে তা আরও স্পষ্ট করে দিলেন আপ প্রতিষ্ঠাতা তথা দিল্লির মুখ্য়মন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (kejriwal)। আজ সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূলকে কার্যতঃ  উড়িয়ে দিয়ে কেজরিওয়ালের কটাক্ষ, আমার মনে হয়, টিএমসিকে (tmc) আপনারা বেশ গুরুত্ব দিচ্ছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এখানে ১ শতাংশ ভোটও নেই ওদের। মাত্র তিন মাস হল ওরা গোয়ায় এসেছে। কিন্তু গণতন্ত্র এভাবে চলে না। কঠোর পরিশ্রম করতে হয়, লোকের মধ্যে কাজ করা চাই। আপনারা টিএমসিকে খুব গুরুত্ব দিতে পারেন, তবে ওরা এখানে কোথাও লড়াইয়ে (race) নেই বলে আমার ধারণা। রাজনৈতিক  মহলের অভিমত, বিরোধী পরিসর দখলের লড়াইয়ে টিএমসি এতে খানিকটা হলেও চাপে পড়ল।  সম্প্রতি সনিয়া গান্ধীর বাসভবনে বিরোধী দলগুলির যে বৈঠক হয়, সেখানে তৃণমূল আমন্ত্রণ পায়নি।

মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই মমতাকে ‘বড় বোন’ বলে উল্লেখ করে কেজরিওয়াল বলেছিলেন, উনি আমার বিরুদ্ধে ভোটে লড়ুন বা আমায় চড়ও মারুন,  ওনার প্রতি আমার শ্রদ্ধায় খামতি হবে না। কে বিরোধী শিবিরের নেতা হলেন, তা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি না, দেশের উপকার হোক, সেটাই চাই। এমনকী অতীতেও মমতা-কেজরিওয়াল সখ্যতার ছবিই দেখা গিয়েছে। ২০১৮য় কেজরিওয়াল যখন লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বৈজলের বিরুদ্ধে দিল্লি সরকারের কাজকর্মে নাক গলানোর অভিযোগে মন্ত্রীদের নিয়ে ধরনায় বসেছিলেন, তখন যে মুখ্যমন্ত্রীরা তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদের অন্যতম  মমতা। কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে কেজরিওয়ালের লড়াইয়ে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন মমতা। পরস্পরের নির্বাচনী প্রচারে দুজনে গিয়েছিলেন, নানা সময়ে পরস্পরকে সমর্থনও জানিয়েছিলেন। ২৮ জুলাই শেষ দেখা হয় দুজনের, মমতার দিল্লি সফরে। কেজরিওয়াল জানুয়ারিতেই গোয়া নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন, সেপ্টেম্বরে মমতা জানান, তাঁরাও পশ্চিম ভারতের সমুদ্র উপকূলবর্তী রাজ্যে ভোটে শক্তিপরীক্ষায় নামছেন।

 

 

You might also like