Latest News

অখিলেশের হাত ধরতেই শিবপালের সুরক্ষা ‘জেড’ থেকে ‘ওয়াই’ করে দিল যোগী সরকার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) জমানায় উত্তরপ্রদেশের বিরোধী রাজনীতিতে কখনও আলোচনায় এসেছে বুয়া-ভাতিজা তো কখনও চাচা-ভাতিজা সমীকরণ। ভাতিজা তথা সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবের (Akhilesh Yadav) সঙ্গে বুয়া মানে বহুজন সমাজবাদী পার্টির নেত্রী মায়াবতীর সম্পর্ক নেই বিগত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই। আবার ছাড়াছাড়ি দূরে ঠেলে কাছাকাছি এসেছেন অখিলেশ ও তাঁর কাকা প্রগতিশীল সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো শিবপাল যাদব।

সমাজবাদী পার্টির সদ্য প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা মুলায়ম সিং যাদবের লোকসভা কেন্দ্র মৈনপুরির শূন্য আসনের উপ নির্বাচনে প্রার্থী অখিলেশের স্ত্রী ডিম্পল। বাবার আসন ধরে রাখতে অখিলেশ যখন কাকার হাত ধরে ময়দানে বিজেপির মোকাবিলায় অবতীর্ণ হয়েছেন তখন শিবপালকে মোক্ষম ধাক্কা দিল যোগী সরকার। তাঁর নিরাপত্তা জেড ক্যাটাগরি থেকে কমিয়ে ওয়াই করে দিয়েছে রাজ্য সরকার।

এর আগে অখিলেশের স্ত্রী, তথা মৈনপুরির প্রার্থী ডিম্পলের নিরাপত্তাও জেড থেকে ওয়াই করে দেয় যোগী আদিত্যনাথের সরকার।

সমাজবাদী পার্টি এই সিদ্ধান্তকে প্রতিহিংসা বলে অভিহিত করেছে। রাজনৈতিক মহলও মনে করছে, শিবপালের নিরাপত্তার মান কমিয়ে দেওয়ার পিছনে প্রতিহিংসাই মূলত কাজ করেছে। বিজেপি তাঁকে নানা ভাবে বার্তা দিয়েছিল, অখিলেশের হাত না ধরতে। কিন্তু মুলায়মের আসন বিজেপির দখলে চলে গেলে তাঁরও রাজনৈতিক ক্ষতি, বুঝতে পেরে ভাইপোর সঙ্গে বিরোধ মিটিয়ে নেন কাকা। আর তাতেই মৈনপুরির লড়াই বিজেপির জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। যদিও জয় নিয়ে এখনও কোনও শিবির নিশ্চিত নয়।

জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তায় ২২ জন জওয়ান মোতায়েন করা হয়। ওয়াই ক্যাটিগরিতে তা কমে হয় ১১।

উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে নেতাদের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে কিছু এলাকা আছে যেখানে রাজনীতির পাশাপাশি জাতপাতের কারণেও নেতাদের যাতায়াত পুরোপুরি নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত। মৈনপুরি তেমনই একটি এলাকা।

প্রশাসনের বক্তব্য, নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা খতিয়ে দেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ভোটের সময় নিরাপত্তা সাধারণত বৃদ্ধি করা হয়ে থাকে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশন খতিয়ে দেখবে।

অখিলেশের সঙ্গে শিবপালের সম্পর্ক কয়েক মাস আগে তলানিতে ঠেকেছিল। এমনকী মুলায়মের মৃত্যুতেও তা স্বাভাবিক হয়নি। কিন্তু মৈনপুরির উপ নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতে দু’জনেই অনুধাবন করেন, পরিবারিক বিবাদে আসনটি বিজেপির দখলে চলে গেলে উত্তরপ্রদেশে রাজনীতি করা কঠিন হয়ে পড়বে তাঁদের। মুলায়ম সাতবার সেখান থেকে সাংসদ হয়েছেন। মৃতুকালেও ছিলেন সেখানকার এমপি। সেখানে লড়াই কঠিন হয়ে ওঠে বিজেপি সমাজবাদী পার্টির এক প্রাক্তন সাংসদ তথা মুলায়মের শিষ্যকে প্রার্থী করায়।

গলা ফুঁড়ে ঢুকেছিল ত্রিশূল, কিন্তু শ্বাসনালি-খাদ্যনালিতে ফুটো হয়নি, জটিল অপারেশনের বিবরণ দিল এনআরএস

You might also like