Latest News

১০ কোটির বমি উত্তরপ্রদেশে!‌ বিক্রি করতে গিয়ে পুলিশের জালে ৪ পাচারকারী

দ্য ওয়াল ব্যুরো:‌ বমির দাম ১০ কোটি!‌ বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছিল। উদ্ধার করল পুলিশ!‌ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের। সেখানকার স্পেশাল টাস্ক ফোর্স টুইট করে জানিয়েছে, লখনউতে তিমির বমি (Whale Vomit) পাচার হচ্ছিল। ৪ পাচারকারীকে পাকড়াও করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৪ কেজি ১২ গ্রাম তিমির বমি। যার দাম সোনার থেকেও বেশি।

১৯৭২ সালের বন্যপ্রাণ আইন অনুযায়ী তিমির বমি (Whale Vomit) বিক্রি নিষিদ্ধ। কিন্তু জিনিসটি পারফিউম ও বিভিন্ন প্রসাধনী তৈরির জন্য একটি মুল্যবান উপাদান। যাকে ভাসমান সোনাও বলা হয়ে থাকে। যেকারণে চোরাচালানকারীরা সমুদ্রে তিমির বমি খুঁজে বেড়ায়। পেলেই তা আন্তর্জাতিক চোরাচালানের মাধ্যমে বিদেশে পাঠিয়ে মোটা টাকা কামানোর চেষ্টা করে। লখনউয়ের গোমতীনগর এলাকা থেকে পাচারকারীদের গ্রেফতার ও বমি উদ্ধার করা হয়েছে।

তিমির বমি বিদেশে পাচারের চেষ্টা এই প্রথম নয়। মাঝেমধ্যেই চোরাচালানকারীরা পুলিশের জালে ধরা পড়ে। এবছরও তিমির বমি বিক্রির অভিযোগে বেশ ক’‌য়েকজনকে আটক করা হয়েছে। জমাট মোমের মতো দেখতে ওই বমি সোনার চেয়েও দামী।

চলতি বছরের জুলাই মাসে কেরালার জেলেদের একটি দল ২৮ কোটি টাকার তিমির বমি দেখতে পেয়েছিল। উদ্ধার করে তা তাঁরা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেন। যেকারণে প্রশংসিত হয়েছিলেন তাঁরা।

তিমির বমি বা অ্যাম্বারগ্রিস আসলে কী?‌

অ্যাম্বারগিস আসলে তিমির পাচনতন্ত্রে তৈরি হয়। যা শক্ত মোমের মতো হয়। এবং মোমের মতোই দাহ্য। প্রসাধনী ও সুগন্ধী তৈরি করতে কাজে লাগে। প্রাচীনকাল থেকেই তিমির বমির ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রসাধনের পাশাপাশি ওষুধ তৈরিতেও কাজে লাগে তিমির বমি। গতবছর মুম্বই পুলিশের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী ১ কেজি তিমির বমির দাম ১ কোটি। মিশরীয়রা তিমির বমিকে ধূপ হিসেবে ব্যবহার করত। চীনারা আগে এই বমিকে ড্রাগনের নিঃশ্বাস ভাবত।

রাহুল গান্ধী দেড়শ দিন ঘুমোবেন কন্টেনারে, তাতে থাকবে কী কী

You might also like