Latest News

ধৃত ১৮ বছরের যুবক আগেও গুলি চালানোর হুমকি দিয়েছিল স্কুলে! চলেছিল মানসিক চিকিৎসাও, এবার মারল ১০ জনকে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমেরিকা বাফেলো শহরে একটি সুপারমার্কেটের কাছে বন্দুক নিয়ে হামলা (US Mass Shooting) চালিয়ে ১০ জনকে খুন করার ঘটনায় ১৮ বছরের একটি ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, এই প্রথম নয়। এর আগেও স্কুলের ভিতরে বন্দুক নিয়ে হামলার ভয় দেখিয়েছিল সে। তার মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসাও করা হয়েছিল সে সময়ে। তার পরে এত বড় কাণ্ড ঘটাল সে।

পুলিশ জানিয়েছে, যুবকের নাম পেটন জেনড্রন। গত বছর থেকেই পুলিশি নজরদারির আওতায় ছিল সে। কারণ একটি হাইস্কুলে এক অনুষ্ঠান চলার সময়ে গুলি চালানোর হুমকি দিয়েছিল পেটন। এছাড়াও একাধিক বার সে হিংসাত্মক কথাবার্তা বলেছে। তাকে একটি হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে মানসিক সমস্যার চিকিৎসা করাও হয়েছিল।

তবে পেটনের বিরুদ্ধে অভিযোগ কখনওই থামেনি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও লাগাতার বিদ্বেষমূলক কথা বলতে দেখা গিয়েছে তাকে। সমস্ত কথাতেই মিশে ছিল হিংসা। তার বিরুদ্ধে একাধিক মেসেজের স্ক্রিনশটও এসেছে তদন্তকারীদের হাতে।

পুলিশ জানিয়েছে, তীব্র বর্ণবিদ্বেষ থেকেই হামলা চালিয়েছে বছর আঠারোর ওই বন্দুকবাজ। এই বিদ্বেষের ছাপ স্পষ্ট ছিল তার গত কয়েক বছরের আচরণে। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় সে একটি লেখা পোস্ট করে, যাতে বারবার বোঝানো হয়েছে, শ্বেতাঙ্গ মার্কিনিদের সরিয়ে অন্য বর্ণের লোকজনরা আমেরিকা ভরিয়ে দেবে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে একাধিক ম্যাস শুটিং বা হিংসায় জড়িত বন্দুকধারীরাও ধরা পড়ার পরে ‘রিপ্লেসমেন্ট থিওরি’ বা ‘প্রতিস্থাপন তত্ত্ব’ নামে পরিচিত এ বর্ণবাদী ধারণার উল্লেখ করেছেন।

শনিবার বাফেলো সুপারমার্কেটের ঘটনায় (US Mass Shooting) প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বন্দুকবাজের পরনে ছিল সেনা-পোশাক। মাথায় একটি হেলমেট ছিল। গাড়ি থেকে নেমেই বাফেলোর ‘টপস ফ্রেন্ডলি মার্কেট’-এ এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে সে। বন্দুকবাজের মাথার হেলমেটে একটি ক্যামেরাও লাগানো ছিল, যা দিয়ে অনলাইনে গোটা ঘটনার লাইভ সম্প্রচারও করা হচ্ছিল বলে জানান এক প্রত্যক্ষদর্শী। 

জানা গেছে, শনিবার হঠাৎই হাতে বন্দুক নিয়ে সুপারমার্কেটের সামনে হাজির হয় ওই যুবক। পার্কিং লটেও তার গুলিতে চার জন ঘায়েল হয়, তাদের মধ্যে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপর মার্কেটের ভিতরে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে সে। মার্কেটের সিকিউরিটি গার্ডেরও মৃত্যু হয়েছে। নিহত দশ জনের মধ্যে বেশিরভাগই কালো চামড়ার মানুষ।

গেমের নেশা ছাড়াতে মোবাইল ভাঙলেন বাবা, অভিমানে রাজস্থান গেল বারুইপুরের কিশোর! তার পর…

You might also like