Latest News

গুরগাঁওয়ে নমাজে ফের বাধা, ‘জয় শ্রী রাম’, ‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগান, আটক ৬

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গুরগাঁওয়ে (gurgaon) শুক্রবারের নমাজ (friday namaz) ঘিরে ফের অশান্তি। সেখানে পুলিশ (police) মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও প্রার্থনার (prayer) জন্য বরাদ্দ খোলা জায়গায় মুসলিমদের (muslims) নমাজ পাঠ বন্ধ করে দেয় একদল দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠীর (rightwing groups) লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা। ৬ জনকে এ ব্যাপারে আটক করেছে পুলিশ। তারা মাত্র ১৫ জন মুসলিমকে নমাজ পড়ায় বাধা দেয়। নমাজস্থল থেকে ৩০ মিটারেরও কম দূরত্বে পাল্টা ‘ভারত মাতা কী জয়’, ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দেয় তারা। (bharat mata ki jay), (jay shri ram)

ঘটনাস্থল থেকে তোলা বেশ কয়েকটি ভিডিওতে এমন ছবি দেখা গিয়েছে। নমাজ পড়ার স্থানটি থানার কাছেই। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা যায়, পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা তেমন মজবুত নয়। বিক্ষোভকারীদের তুলনায় পুলিশকর্মী ছিলেন সংখ্যায় কম। তাঁরা অবশ্য মানবশৃঙ্খল তৈরি করে বিক্ষোভকারীদের নমাজ পড়ার জায়গায় ঢুকতে দেননি। আরেকটি ভিডিওতে এক বিক্ষোভকারীকে এক মুসলিম ব্যক্তিকে নমাজস্থলের দিকে যেতে বাধা দিতে দেখা যায়। পরে বিক্ষোভকারীকে সরিয়ে দেয় পুলিশ।

তবে নমাজ শুরু হওয়ার আগে স্থানীয় লোকজন সেখানেই ট্রাক দাঁড় করিয়ে রাখে। অন্যত্র ট্রাক দাঁড় করিয়ে রাখার  পর্যাপ্ত জায়গা নেই বলে দাবি করে তারা।
একই ধরনের বিবাদ, সংঘাতের পর ২০১৮ সালেই মুসলিম ও হিন্দুদের মধ্যে বোঝাপড়ার মাধ্যমে ২৯টি জায়গা স্থির হয় যেখানে নমাজ, প্রার্থনা করা যাবে। সেই ২৯টি জায়গার অন্যতম সেক্টর ৩৭, যেখানে আজ নমাজের প্রার্থনায় সমবেত হয়েছিলেন মুসলিমরা।

প্রথম যখন নমাজ পড়ার বিরোধিতা করে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ ঘিরে অশান্তি হয়, মিডিয়ায় হইচই শুরু হয়, তখন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী এম এল খট্টার বলেছিলেন, প্রার্থনার অধিকার প্রত্যেকেরই আছে, যদিও একইসঙ্গে তাঁর শর্ত ছিল,  খোলা  জায়গায় রাস্তার যানবাহন আটকে দিয়ে নমাজ পাঠ, প্রার্থনা করা উচিত নয়।

 

You might also like