Latest News

মার্চেই সব ট্রেন বিদ্যুৎ চালিত হবে পূর্ব রেলে, সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ছে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশজুড়ে চলছে বিদ্যুৎ–চালিত বা ইলেকট্রিক ট্রেন। তবে গোটা দেশের দূরপাল্লা এবং দুর্গম এলাকায় এখনও চলছে ডিজেল ইঞ্জিনের ট্রেন। এবার সেই ডিজেলচালিত ট্রেন দ্রুত কমিয়ে ফেলছে পূর্বরেল। চলতি বছরের মার্চের মধ্যেই সব ট্রেনই বৈদ্যুতিক করার লক্ষ্য নিয়েছে পূর্ব রেল। গতবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত শক্তি সাশ্রয়ী বৈদ্যুতিক ট্রেন চালানোর জন্য ১৪২ আরকেএম (রুট কিলোমিটার) রেললাইন বিদ্যুতায়িত করা হয়েছে। বাকি রয়েছে ১০৩ আরকেএম। যা এই আর্থিক বছরের মধ্যেই করে ফেলা হবে বলে রেলের তরফে জানানো হয়েছে।

সেইসঙ্গে জোর দেওয়া হচ্ছে সৌরশক্তির ব্যবহারের ওপর। ইতিমধ্যেই ১২০ মেগাওয়াটের সৌর শক্তিকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। যার ফলে বছরে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকার বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে বলে রেলের তরফে জানানো হয়েছে। রেলের বিভিন্ন ভবন এবং কর্মীদের আবাসনগুলিতে বিদ্যুৎসাশ্রয়ী আলো লাগানো হচ্ছে। রেলের কারখানাগুলিতেও বিদ্যুৎতের অপচয় রোধ করতে বহু পরিকল্পনা চলছে।

বছরখানেক আগে রেলের তরফে জানানো হয়েছিল, ২০২৩ সালের মধ্যে ভারত থেকে উঠে যাবে রেলের সব ডিজেল ইঞ্জিন। সেখানে আসবে বিদ্যুৎ–চালিত ইঞ্জিন। এর আগে ১৯৮৮ সালে তুলে দেওয়া হয়েছিল বাষ্পচালিত রেল ইঞ্জিন। সেসব ইঞ্জিনের এখন ঠাঁই হয়েছে জাদুঘর এবং রেল ইয়ার্ডে। রেলসূত্রে খবর, সমস্ত ট্রেন বিদ্যুৎ চালিত হলে বছরে ১১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। কারণ, ইলেট্রিকের চেয়ে ডিজেল ইঞ্জিনের খরচ বেশি। প্রচুর অর্থ ব্যয় করে বিদেশ থেকে ডিজেল আনতে হয়। ইলেকট্রিক ইঞ্জিন পরিবেশবান্ধবও। কার্বণ নিঃসরণ কমবে। দূষণ কম হবে।

এখন রেলে প্রায় ৫০ শতাংশ ‘‌রিজেনারেটিভ ব্রেকিং সিস্টেম’‌ লোকোমোটিভ ব্যবহার করা হয়। যা প্রায় ১৫ শতাংশ ‘‌ট্র্যাকশন’‌ শক্তি সঞ্চয় করে। পূর্ব রেল আরও বেশি বিদ্যুৎ সঞ্চয়ী ট্রেন চালাচ্ছে।

অপচয় কমাতে প্লাটফর্ম এবং কারখানায় আলোর জন্য ৭০/৩০ পদ্ধতির ব্যবহার করা হচ্ছে। আলোর ভারসাম্য বজায় রাখছে ওই পদ্ধতি। পূর্বরেলের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বণ শূন্য রেল যোগাযোগ তৈরি করা।

You might also like