Latest News

এসএসসির আন্দোলনকারীদের চাকরি দিতে আইনি ব্যবস্থার কথা ভাবছে তৃণমূল, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) আন্দোলনরত (Protesters) চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগের বিষয়টি দেখার ব্যাপারে মৌখিক আশ্বাস দিয়েছেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত শুক্রবার চাকরিপ্রার্থীদের মঞ্চের তরফে সহিদুল্লাহ গিয়েছিলেন অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও (Bratya Basu)। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে এ ব্যাপারে তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য জানালেন শিক্ষামন্ত্রী।

এদিন ব্রাত্য বলেন, “আমার রাজনৈতিক নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগের বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গেই বিবেচনা করছেন। এবার আমাদের সহানুভূতির সঙ্গে আইন মেশাতে হবে। আইনহীন সভানুভূতি দিয়ে তো কোনও কাজ হয় না। মানে সহানুভূতিহীন আইন অর্থহীন। আইন ও সহানুভূতির একটা সুষ্ঠু সমন্বয় চাই। আইনে কী বিষয় রয়েছে সেটা নিয়ে আলোচনা করব।”

আগের দিন অভিষেকের সঙ্গে চাকরিপ্রার্থীদের বৈঠকে ব্রাত্যও উপস্থিত ছিলেন। যদিও এদিন তিনি বলেছেন, আমি শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ওইদিন ছিলাম না। ছিলাম সর্বভারতীয় তৃণমূলের সহ সভাপতি হিসেবে।

এদিন ব্রাত্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন, দলীয় স্তরে একটা বিষয় চূড়ান্ত হয়েছে তা হল, আন্দোলনকারী এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ হবে আইন মোতাবেক। তাতে কোনও ফাঁক রাখতে চায় না দল। পরে যাতে না নতুন জটিলতার সম্মুখীন হতে হয় সরকারকে। সেই কারণে সহানুভূতি ও আইনের সমন্বয়ের কথা বলেছেন ব্রাত্য।

ব্রাত্য মেজাজ হারালেন সাংবাদিক বৈঠকে! ‘বিদ্রুপ করছেন নাকি’ বলে উঠে দাঁড়ালেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষক নিয়োগের আইনি জটিলতা আর সভানুভূতির মিশেল না হলে কী হতে পারে তার সাক্ষী ত্রিপুরা। এ ব্যাপারে অভিষেকেরও সম্যক ধারণা রয়েছে। ত্রিপুরায় বাম জমানায় নিয়োগ হওয়া ১০ হাজার ৩২৩ জন শিক্ষকের নিয়োগকে বেআইনি ঘোষণা করেছিল আদালত। সেই সময়ে এই অংশের সমর্থন পেতে বিপ্লব দেবরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সরকারে এলেই চাকরিতে পুনর্বহাল করবেন। কিন্তু পাঁচ বছর কাটতে চললেও তা হয়নি। যা বিজেপির কাছে রাজনৈতিক ভাবে ব্যুমেরাং হয়েছে বলেই মত অনেকের। বাংলায় যাতে দশ হাজার ৩২৩ না হয় সে ব্যাপারে হয়তো সতর্ক ক্যামাক স্ট্রিট।

ব্রাত্য বসু এদিন জানিয়েছেন, আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীদের একটি চিঠি তাঁকে দেওয়ার কথা। ৮ অগস্ট তা নিয়ে বৈঠকে বসবেন তিনি। খতিয়ে দেখা হবে আইনি বিষয়। তবে সোমবার পর্যন্ত তাঁরা চিঠি দেননি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

You might also like