Latest News

মোবাইল গিলে ফেলল তিহারের আসামী! এন্ডোস্কোপি করে বের করলেন ডাক্তাররা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিহার জেলের (tihar jail) বন্দির (inmate) কাণ্ড! চেকিংয়ের সময় জেল কর্তৃপক্ষের থেকে নজর থেকে লুকোনোর জন্য আস্ত একটা মোবাইল (mobile) গিলে ফেলেছে (swallow) সে। এন্ডোস্কোপি (endoscopy) করে সেটি বের করেন ডাক্তাররা (doctors)। কিন্তু সাত সেন্টিমিটার লম্বা, তিন সেন্টিমিটার চওড়া মোবাইলটা কী করে গিলে নিল ওই বন্দি। বিস্মিত ডাক্তাররাও। সচরাচর এমন ঘটনার কথা শোনাও যায় না যে! পরে পাকস্থলীতে অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হলে নিজে থেকেই নাকি ওই বন্দি কর্তৃপক্ষকে মোবাইল গিলে ফেলার কথা জানায়।
গত ১৫ জানুয়ারি পেটে গিলে ফেলা মোবাইল নিয়ে ওই বন্দি আসে বলে জানিয়েছেন দিল্লির জিবি পন্থ হাসপাতালের গ্যাসট্রোএন্টারোলজি বিভাগের ডঃ সিদ্ধার্থ।

তিনি বলেন, ওর তলপেটের এক্স রে করে দেখা যায়, সত্যিই মোবাইল ওটা। মুখ দিয়ে এন্ডোস্কোপি করা হয়। মোবাইলটিকে জাল ঢুকিয়ে মুখ দিয়ে বের করে আনেন তাঁরা। গোটা পর্বটি সুচারু ভাবে সম্পন্ন করেন ডঃ সিদ্ধার্থ ও ডঃ মনীশ তোমর।

সাধারণতঃ  মোবাইল গিলে ফেলা কঠিন  কাজ, একমাত্র যারা অভ্যস্ত, তারাই করতে পারে বলে জানান ডঃ সিদ্ধার্থ। বলেন, সাধারণতঃ জেল কর্তৃপক্ষের নজর থেকে বাঁচতেই বন্দিরা এমন করে থাকে। তবে যারা  এরকম করে অভ্যস্ত, তারাই এর কৌশল জানে,  কেননা পদ্ধতিটা বেশ কঠিন, বের করে আনতেও যথেষ্ট দক্ষতা লাগে।

তিনি এপর্যন্ত হাসপাতালে এধরনের দশটি কেস সামলেছেন বলে জানান ডঃ সিদ্ধার্থ।

জেলে বন্দিদের মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও নানা ফাঁকফোকর বের করে ঠিক মোবাইল ভিতরে ঢুকিয়ে নেয় কেউ কেউ। তিহার জেলে গত নভেম্বরে তিনটি মোবাইল জ্যামার বসানো হয় যাতে ভিতরে বন্দিরা মোবাইল কাজে লাগাতে না পারে। প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরকে জড়িয়ে ২০০ কোটি টাকা তোলাবাজি মামলায় দিল্লি পুলিশের আর্থিক অপরাধ দমন শাখা ৫ জেলকর্তাকে গ্রেফতার করে। তারপরই জ্যামার বসে। তদন্তে বেরয়, জেলে বসেই কিছু জেলকর্তার সঙ্গে দোস্তি পাতিয়ে সেখান থেকেই মোবাইল ফোনে নিজের অপরাধ চক্র চালাত সুকেশ।

 

You might also like